পাবদা মাছের ঝাল রেসিপি তৈরি করার পদ্ধতি।//১০% পেআউট লাজুক খ্যাঁক-কে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। পাবদা মাছ মিষ্টি জলের মাছ এবং সুগন্ধযুক্ত। পাবদা মাছ খুব সুস্বাদু এবং যথেষ্ট পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। পাবদা মাছ সাধারণত আকারে ছোট হয়।পাবদা মাছ দিয়ে অনেক ধরনের রেসিপিই তৈরি করা যায়।তাই আজ আমি আপনাদের সঙ্গে পাবদা মাছের ঝাল রেসিপি তৈরি করে দেখালাম।আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
চলুন তাহলে শুরু করা যাক রেসিপিটি।
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| ১. পাবদা মাছ | ৫০০ গ্রাম |
| ২. সরষের তেল | পরিমান মতো |
| ৩. টমেটো | ১ টা |
| ৪. গরম মশলা গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ৫. লঙ্কার গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ৬. হলুদ গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ৭. লবন | পরিমান মতো |
রন্ধন প্রণালী :
প্রথম ধাপ
• প্রথমে মাছটিকে ভালো করে ধুয়ে নিলাম।
দ্বিতীয় ধাপ
• তার সেই মাছ গুলোতে ভালো করে নুন হলুদ মাখিয়ে রাখলাম।
তৃতীয় ধাপ
• এরপর কড়াইতে সামান্য তেল নিয়ে নিলাম।
চতুর্থ ধাপ
• তেল হালকা গরম হয় আসলে নুন হলুদ মাখানো মাছ গুলোকে কড়াইতে ছেড়ে দিলাম।
পঞ্চম ধাপ
• এরপর মাছ ভাজা হয়ে গেলে আলাদা একটি পাত্রে তুলে রাখলাম।
ষষ্ঠ ধাপ
• এরপর অন্য একটি পাত্রে এক চামচ হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, টমেটো, সামান্য ও সামান্য জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরী করে নিলাম।
সপ্তম ধাপ
• এরপর কড়াই থেকে মাছ তুলে নেওয়ার পর সামান্য তেল যোগ করে সেখানে ফোড়ন হিসেবে কালো জিরে দিয়ে দিলাম।
অষ্টম ধাপ
• তারপর যে মিশ্রণটি তৈরি করেছিলাম সেটি ঢেলে দিলাম। সাথে অল্প নুন দিয়ে দিলাম ।
নবম ধাপ
• এরপর ভালো করে কষিয়ে নিলাম। এরপর এক চামচ মতো গরম মশলা গুঁড়ো দিলাম ।
দশম ধাপ
• এরপর অল্প জল মিশিয়ে ভেজে রাখা মাছগুলোকে ছেড়ে দিলাম।
একাদশ ধাপ
• এভাবে কিছুক্ষণ রেখে দেওয়ার পর তৈরি হয়ে গেল পাবদা মাছের ঝাল রেসিপি।
ধন্যবাদ
পাবদা মাছের ঝোল দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে।কালারটাও বেশ সুন্দর। মিঠা পানির যে কোন মাছই আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।এভাবে ফোড়ন দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি।ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে রানতে জানলে অনেক সুন্দর করে রেসিপি তৈরি করা যায়। আপনি খুব সুন্দর করে পাবদা মাছের রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপনি। প্রথম ধাপ থেকে খুব ভাল লেগেছে আপনার এত সুন্দর রেসিপি দেখে। আশা করি, খুব সুন্দর সুন্দর রেসিপি আমাদের মাঝেই এ ভাবি শেয়ার করবেন।
দিদি মনি আপনি ঠিকই বলেছেন পাবদা মাছ সুস্বাদু এবং যথেষ্ট পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ মাছ, আপনার মতো করে আমাদের বাসায় ও ঠিক এমন করেই রান্না করে খেতে খুবই সুস্বাদু হয় দিদি মনি, আপনার উপস্থাপনা আমার খুবই চমৎকার লেগেছে শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
পাবদা মাছ মোটামুটি সবাই খুব পছন্দ করে। এবং এতে খেতেও অনেক সুস্বাদু। আমার কাছে তো অনেক ভালো লাগে এই মাছ। আমরাও প্রায় এভাবেই ভুনা করে খেয়ে থাকি। তবে আপনার রেসিপি টি তে টমেটো দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করার ব্যাপারটা আমার কাছে অনেক ইউনিক লেগেছে। এভাবে কখনো কোন রেসিপি তে ব্যবহার করিনি আমি। আপনাকে ধন্যবাদ দিদি সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপনি আমার প্রিয় পাবদা মাছের রেসিপি তৈরি করেছেন। দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। সত্যি আপনার রন্ধন পদ্ধতি বেশ অসাধারণ । রান্নার প্রক্রিয়া খুব চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। দেখে মনে হচ্ছে অনেক মজাদার এবং সুস্বাদু হয়েছে। এত অসাধারন রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।
পাবদা মাছ আমার খুবই প্রিয়।আপনি পবদা মাছের ঝাল রেসিপি তৈরি করেছেন। দেখে অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আসলে ঝাল ঝাল রেসিপি গুলো খেতে বেশি মজা লাগে। খুবই সুন্দরভাবে পরিবেশন করেছেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
পাবদা মাছ আমার খুবই প্রিয়।আমি ও এভাবে ঝোল করে রান্না করে খেতে ভালোবাসি। তবে কালো জিরা দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি। কালো জিরা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী।চমৎকার দেখাচ্ছে কালো জিরা দেয়ায়।রান্না অনেক চমৎকার ভাবে দেখিয়েছেন আপু।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
দিদি আপনার রান্নাটি খুবই চমৎকার হয়েছে। পাবদা মাছ খেতে খুবই ভালো লাগে। আমরা পাবদা মাছ এভাবেই রান্না করে থাকি। রান্নার কালারটি যেমন সুন্দর হয়েছে, তেমন পরিবেশনটা ও অনেক চমৎকার ছিল। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
পাবদা মাছ খেতে ভালোই লাগে। আপনি পাবদা মাছের ঝাল ঝাল রেসিপি তৈরি করেছেন দিদি। আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগলো। আপনার রান্নার ধরনটি বেশ ভালো। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো সঠিক মাত্রায় তুলে ধরেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল
দিদি আমাদের এখানে প্রায় একই ভাবে রান্না হয়। শুধু কালোজিরাটা দেয়া হয় না। এভাবে রান্না করা পাবদা মাছ আমার খুবই পছন্দের। আপনার রেসিপিটা চমৎকার হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে দিদি।