আর্ট কলেজের এক্সিবিশনে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে আর্ট কলেজের এক্সিবিশনের কিছু ছবি ভাগ করে নিচ্ছি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
দ্রষ্টা যখন কোনো রূপসৌন্দর্য্যকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে গ্রহণ করে তখনই রূপবন্ধ বা ফর্ম এর আবির্ভাব ঘটে। একজন শিল্পীর শিল্পকর্মকে সব সময় প্রাধান্য দেওয়া উচিত কারণ একজন শিল্পী নিজের অন্তস্থল থেকে , নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যে অংকন করেন তার মাহাত্ম্য কিন্তু অনেকটাই বলে আমি মনে করি কারণ সবার দৃষ্টিভঙ্গি এক হবে এমন কোনো কথা নেই তাই জন্য সকল মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা আর সেই হিসেবে প্রত্যেক শিল্পীর চিত্রকর্ম আলাদা থাকে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বহু মানুষের প্রতিভা প্রত্যেক মুহূর্তে প্রকাশ পাচ্ছে আর আমি মনে করি এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র করোনায় বসে থাকা মানুষদের যখন কোনো কাজ ছিল না তখন তারা নিজেরা নিজেদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে অনেক নতুন নতুন শিল্পকর্ম করেছে । কেউ কেউ নানান রেসিপি বানিয়েছে ,কেউ কেউ ঘরে বসে কেক বানিয়েছে, কেউ কেউ জুয়েলারি নিজের হাতে বানিয়েছে এমন অনেক কিছু আছে যেগুলো তারা আগে হয়তো কখনোই ভাবেনি কিন্তু তাদের এই প্রতিভা সুপ্ত অবস্থাতেই ছিল সেগুলো প্রকাশ পেয়েছে। আর করোনার পর যত দিন যাচ্ছে ,তারপরে যে মেলাগুলো বসেছিল সেই মেলা গুলোতে সেই সকল জিনিসের অর্থাৎ নতুন নতুন সম্ভার নিয়ে সবাই বসছে। সেগুলো সত্যি আমাদের অবাক করে দেয়।
কিছু খারাপের মধ্যে ও অনেক কিছু ভালো হয়ে থাকে ।এই সকল মানুষের গুণটাকে আমি কিন্তু খুব ভালো বলেই মনে করি কারণ প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু গুণ থাকে আর সেটা প্রকাশ ঘটাতে পারলেই যে কোনো মানুষ অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে । তেমনভাবে আজকে আমি আর্ট কলেজের কিছু শিল্পকাজ আপনাদের সাথে তুলে ধরছি । আর আমি আগেই বলেছি যে আমার আর্টের প্রতি একটা অন্যরকম ভালোবাসা রয়েছে । সেটা আজকে থেকে নয়, যখন আমার পাঁচ ছয় বছর তখন থেকেই আমার আঁকার প্রতি খুব ভালোবাসা ছিল।এখনো আছে ।আমি যখন কোনো কিছু আঁকি সেটা খুব ভালোবেসেই আঁকি। এমনকি কোনো আর্টের এক্সিবিশন হলে সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করি ।কারণ আর্টের এক্সিবিশন গুলোতে অনেক কিছু জানা যায়, দেখা যায় ,বোঝা যায় ।আর যেটা আমাকে ভীষণভাবে টানে ।তো সেই হিসেবে কিছুদিন আগে যখন আর্ট কলেজের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম তো সেখানে দেখছিলাম যে ওখানে এক্সিবিশন চলছিল। তাই ওখানে কিছু ফটো আজ আমি আপনাদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি। আশা করি আপনাদের সকলের খুব ভালো লাগবে।
আমি যখন এই সকল কাজগুলো দেখছিলাম আর ভাবছিলাম মানুষ চাইলে কি না পারে । একটা মাটির থালার উপর বা একটা বোতলের উপর এত নিখুঁত কারুকার্য করে এত সুন্দর সুন্দর সৌখিন জিনিস বানানো যায় সেটা দেখার মতো ছিল । সব মিলিয়ে আমার এই আর্ট কলেজের এক্সিবিশনটি খুব ভালো লেগেছিল তাই আজ আপনাদের সাথে সেগুলো ভাগ করে নিলাম।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


আপনি একদম ঠিক বলেছেন দিদি! মানুষ যদি নিজের ভিতরের সুপ্ত প্রতিভাগুলোকে কাজে লাগাতে পারে তবে সে অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারবে, এটা আমিও বিশ্বাস করি! আর্টের বিষয়টা একদম অন্তর থেকে, মস্তিষ্ক বিষয়টাকে ভিজ্যুয়ালাইজড করে তারপর একজন শিল্পী সেটাকে আর্টে রূপান্তর করে! আর্ট কলেজের আর্টগুলো চমৎকার! কত সুন্দর করে মনের মাধুরী দিয়ে আর্টগুলো করছে দেখেই বুঝা যাচ্ছে!
কথায় বলে সব কিছুরই ভালো এবং মন্দ দিক আছে তেমনি করোনা আমাদের জন্য একটা অভিশাপ ছিলো ঠিক কিন্তু এই করোনার কারনেই অনেকের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। ঘরে অলস সময় না কাটিয়ে সময়টাকে অনেকে কাজে লাগিয়েছে।যাই হোক আর্ট কলেজের এক্সিবিশনে যেয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন, ছবি গুলো দেখেই বোঝা যায়।কিছু কিছু আঁকা বেশ সুন্দর। বোতলের আর্টগুলো দেখতে বেশ অসাধারণ। মানুষ চাইলে কি না পারে। ভালো লাগলো কথা এবং ছবিগুলো।ধন্যবাদ
আপনার সঙ্গে আমিও একমত দিদি। মানুষের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভাগুলো যদি কাজে লাগাতে পারে তাহলে মানুষ তার জীবনে অনেক দূর পর্যন্ত এগোতে পারত। আপনার পোস্ট এর ফটোগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে আপনি অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।
আপনার কথার সাথে আমিও একমত মানুষ যদি নিজের ভেতর সুপ্ত প্রতিভাকে কাজে লাগাতে পারে তবে সে অনেক দূর যেতে পারে।আর্ট কলেজের আর্টগুলো দারুন হয়েছে। আপনি খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন জেনে ভাল লাগলো। বোতলের উপর কারুকার্য সত্যি ই দারুন হয়েছে। ধন্যবাদ দিদি শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দেবার জন্য।
সত্যি দিদি শিল্পীর শিল্পকর্মগুলোকে সবসময় প্রাধান্য দেওয়া উচিত। আসলে একজন শিল্পী নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে নিজের শিল্পকর্মগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে। কলেজের এক্সিবিশনের ছবিগুলো দেখে সত্যিই অনেক ভালো লাগলো। আসলে করোনার কারণে হয়তো অনেক কিছুই পিছিয়ে গিয়েছিল। কিংবা অনেকটা সময় সবাই সবকিছু থেকে দূরে ছিল। যাইহোক নিজের প্রতিভা দিয়ে সবাই অনেক কিছুই করতে পারে। এই জন্য প্রয়োজন ধৈর্যের। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভীষণ ভালো লাগলো দিদি।
আসলে কিছু মানুষ তো জানেও না যে তার মাঝে কি জটিল প্রতিভা লুকিয়ে থাকে,শুধুই চর্চার অভাবে।
এতো সুন্দর আর্ট আর হাতের কাজগুলো।
দিদি আপনি ঠিক বলেছেন একজন শিল্পীর প্রত্যেকটা শিল্পকর্মের মাঝে মাহাত্ম্য থাকে। আমরা সেই চোখে দেখতে হবে। প্রত্যেকটা শিল্পী অনেক গভীর থেকে চিন্তা করে তাদের শিল্প কর্ম গুলো করে। আর করোনা আমাদের অনেক শিক্ষা দিয়ে গেছে। যেটা আমরা এখন উপলব্ধি করতেছি। ধন্যবাদ দিদি।