গভীরে
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
আড়ালে এক দাম্ভিক প্রেম
নিজেকে কখনও প্রেম বলে ডাকেনি—
সে বরং দাঁড়িয়ে থেকেছে
অভিমানী জানালার পাশে,
চোখে রেখেছে আগুন,
মুখে রেখেছে বরফের শিষ্টতা।
তার ভালোবাসা ছিল না সহজ স্বীকারোক্তি,
ছিল না হাত বাড়িয়ে কাছে টেনে নেওয়া;
সে ভালোবেসেছে দূরত্ব রেখে,
যেন কাছে গেলেই
নিজের অহংকারের মুকুট
মাটিতে পড়ে যাবে।
তার নীরবতায় ছিল ঘোষণা,
তার অবহেলায় ছিল অপেক্ষা;
যাকে সে তুচ্ছ করেছে বারবার,
রাতের গভীরে তাকেই খুঁজেছে
নিজের পরাজিত ঘুমের ভেতর।
এই প্রেম জানত—
ক্ষমা চাইলে মানুষ ছোট হয় না,
তবু সে ক্ষমা চায়নি;
কারণ কিছু হৃদয়
ভালোবাসার চেয়ে
নিজের দম্ভকেই বেশি ভয় পায়।
কখনও কখনও সে দরজার পাশে এসে থেমেছে,
নাম ধরে ডাকতে গিয়েও
চুপ করে ফিরে গেছে;
যেন একটি শব্দ উচ্চারণ করলেই
বছরের পর বছর সাজানো
অভিমানী প্রাসাদ ভেঙে পড়বে।
তবু প্রেম তো আড়াল মানে না—
সে জানালার ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়ে,
পুরোনো গানের মতো
অকারণে বুক ভিজিয়ে দেয়।
দাম্ভিক মানুষ তখনও বলে—
“কিছু হয়নি,”
কিন্তু তার চোখ
সব মিথ্যে ফাঁস করে দেয়।
শেষ পর্যন্ত সেই প্রেম
হারায়নি, জেতেনিও;
শুধু থেকে গেছে
দু’জন মানুষের মাঝখানে
এক অদৃশ্য সিংহাসনের মতো—
যেখানে কেউ বসেনি,
কারণ দু’জনেই অপেক্ষা করেছিল
অন্যজন আগে মাথা নত করুক।
আড়ালে এক দাম্ভিক প্রেম
আজও বেঁচে আছে—
অহংকারের পোশাক পরে,
অপেক্ষার মতো ক্ষুধার্ত,
আর অসমাপ্ত স্বীকারোক্তির মতো
নিঃশব্দে সুন্দর।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
