সিমলা বিরিয়ানিতে একদিন
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে সিমলা বিরিয়ানিতে বিরিয়ানি খাবার কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিলাম। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে ।
বিরিয়ানি খেতে কমবেশি অনেকেই ভালোবাসে । আমার কিন্তু বিরিয়ানি কখনোই পছন্দের খাবার ছিল না। ছোটোবেলা থেকেই সব সময় আমার ফ্রাইড রাইস আর চিলি চিকেনের কম্বিনেশনই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগতো। তাই জন্য বিরিয়ানি খেতে দিলেও আমি সবসময় বিরিয়ানিটাকে সাইড করে ফ্রাইড রাইস খেতে চাইতাম। কিন্তু লাস্ট ৪-৫ বছর ধরে বিরিয়ানি সব জায়গায় ট্রাই করি ।এখন প্রায় সময় কোনো রেস্টুরেন্টে গেলে বিরিয়ানি থাকলে সেখানে খেয়ে দেখি যে কেমন লাগে আর এইভাবে অনেকগুলো রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানি এখন আমার খুব পছন্দ হয়ে গেছে ।আর এখন আমার সবথেকে বেস্ট বিরিয়ানি লাগে আমাদের আর্সেলানের বিরিয়ানি কারণ আর্সেলানের বিরিয়ানির মধ্যে মসলা ভাবটা খুব একটা নেই। একদম হালকা এবং খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। তার জন্য আমার ভীষণ ভালো লাগে। আবার অনেক বিরিয়ানি আছে যেটাতে আলাদা এক ধরনের ফ্লেভার দেওয়া হয় তাতে করে খাবারটা আরো উগ্র হয়ে যায় ।তাই সেই ধরনের বিরিয়ানি আমার খুব একটা ভালো লাগে না ।এই কারণেই আমার আর্সেলানের বিরিয়ানি ভীষণ পছন্দের ।তাছাড়া এখানে বিরিয়ানির যে চালটা দেওয়া হয় এত সরু না খেলে বোঝা যাবে না।
আমি বহুদিন ধরে সিমলা বিরিয়ানি রেস্টুরেন্ট দেখেছি আর সেটা সাউথের দিকে। কিন্তু রাস্তায় সেই রেস্টুরেন্ট দেখলেও আমার কখনো সেই রেস্টুরেন্টে যাওয়া হয়নি ।আর এখন দেখলাম সেই একই রেস্টুরেন্টের দুটো ব্রাঞ্চ খুলে গেছে, যার একটি হল চিনার পার্কে আর অপরটি হল লেকটাউন ভিআইপি তে ।আমার বাড়ি থেকে জাস্ট দশ মিনিটের দূরত্ব। তাই অনেকটাই কাছে হয়ে গেছে। আর এমন কাছে একটা বড় রেস্টুরেন্ট থাকলে যেতে মন চাইবে এটাই স্বাভাবিক।
প্রথম দিন বলতে গেলে খাবার ট্রাই করতে যাওয়ার জন্যই যাওয়া। তো আমরা প্রথমে স্যুপ নিয়েছিলাম, তার মধ্যে মেনু কার্ডের প্রত্যেকটা খাবারের দাম দেখেছিলাম খুব রিজনবল।যাকে বলা হয় দাম অনুযায়ী খাবার দ্বিগুণ ভালো। স্যুপ নেওয়ার পরেই আমরা বিরিয়ানি অর্ডার করেছিলাম। খুব তাড়াতাড়ি আমাদের অর্ডার চলে এসেছিল।স্যুপ এক চামচ মুখে দিতেই এত ভালো লেগেছিল, অসম্ভব ভালো টেস্ট এবং খুব ভালো খেয়েছিলাম ।তখন থেকেই মনে হচ্ছিল বিরিয়ানি আসলে কেমন হবে ।যখন আমাদের সামনে বিরিয়ানি হাজির হলো তার কিছুক্ষণ পরে এক চামচ মুখে দিতে কি বলবো , আমি একেবারেই ভাবতে পারিনি যে সিমলা রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানির টেস্ট এতটা ভালো হবে। সেম টু সেম আর্সেলানের বিরিয়ানি মতো। এত হালকা তার মধ্যে বিরিয়ানির স্বাদটা এত সুন্দর জাস্ট মাথা নষ্ট করা । আমি ভীষণ স্যাটিসফাইড এবং আমার তখন মনে হচ্ছিল যে এই সিমলা বিরিয়ানির বিরিয়ানি প্রায়ই খাওয়া যায় ।আমি যে কটা রেস্টুরেন্টের আগে বিরিয়ানি খেয়েছি আমার কাছে এখনো পর্যন্ত আর্সেনালের পরে এই সিমলা বিরিয়ানির বিরিয়ানি বেস্ট হয়ে থাকবে এবং এই রেস্টুরেন্টের সকল স্টাফদের ব্যবহার খুবই ভালো এবং খুবই সুন্দর সাজানো গোছানো রেস্টুরেন্ট। আমার কাছে সব মিলিয়ে খুব খুব ভালো লেগেছে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

আসলে বারবার একই জিনিস খেতে খেতে তার স্বাদ ভালো লেগে যায়।আপনি প্রথমে বিরিয়ানি ভালোবাসতেন না কিন্তু সব জায়গায় ট্রাই করার পর এখন ভালো লাগে।আর রেস্টুরেন্টের চিত্রগুলি দেখে ভালো লাগলো।তাছাড়া
সিমলা রেস্টুরেন্টের খাবারের মান খুবই ভালো জেনেও ভালো লাগলো, ধন্যবাদ দিদি।
দিদি আপনার মতো আমার ও ফ্রাইড রাইসটা ভীষণ পছন্দ। তবে এখন নিজে এতো পরিমান বিরিয়ানি বাসায় রান্না করি।আমার নিজের হাতের বিরিয়ানি ই এখন অনেক মজার হয়।সবাই খুব প্রশংসা ও করে।আপনি এখন বিরিয়ানি ট্রাই করতে করতে দু জায়গার বিরিয়ানি ই আপনার কাছে বেশ ভালো লাগলো।আসলে ট্রাই করতে করতেই বোঝা যায় কোনটার স্বাদ কেমন।যাক সিমলা বিরিয়ানি আপনার কাছে ভালো লেগেছে। আর সেখানকার স্টাফরা ও যথেষ্ট ভালো। খুব ভালো লাগলো জেনে।অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ দিদি।
আপু আপনি ঠিকই বলেছেন বিরানি পছন্দ করেন এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। আপনার সবচেয়ে ভালো পছন্দের বিরিয়ানি হলো আর্সেলানের বিরিয়ানি। যেহেতু বিরানি এখন বর্তমানে পছন্দ করেন তাই বিরানি খাওয়ার জন্য সিমলা বিরানিতে গিয়েছিলেন। এই বিরানির দুইটি ব্রাঞ্চ খুলেছে এবং একটি চিনার পার্কে আরেকটি আপনার বাড়ি থেকে ঠিক দশ মিনিটের দূরত্ব রাস্তা তার মানে অনেক নিকটেই আপু। বিরানি খাওয়ার পরে আপনার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। এবং এখানকার স্টাফদের ব্যবহার আচরণ আরো অনেক ভালো ছিল। সব মিলে খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন এই সিমলা বিরিয়ানিতে। আপনার মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ইস্ দিদি যেভাবে লোভ লাগিয়ে সিমলা রেস্টুরেন্টের রিভিউ করছেন তাতে একবার যেতেই মনে চাইছে। কিন্তু কি করে যাই? এটা তো আর ঢাকায় না। তাই মনের কষ্ট মনেই রেখে দিলুম। স্টিমের দাম বাড়লে আমিও খেয়ে আসবো নে যেয়ে। তবে আপনার সিমলা রেস্টুরেন্টটি কিন্তু সব দিক থেকেই সেই রকম। যেমন রূপে তেমনি তার গুন। আমি তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ইস্ কেন যে এটা ঢাকায় হলো না।
দিদিভাই, সিমলা রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানির যেভাবে পর্যালোচনা করে মন্তব্য করলেন, তাতে লেখাগুলো পড়ে এক প্রকার মনে হচ্ছিল, আমিও সেই বিরিয়ানি খাওয়ার স্বাদটা কিছুটা হলেও মনে মনে উপলব্ধি করতে পারছিলাম।
আপু আমার ছোট থেকেই বিরিয়ানি খুব পছন্দ। আমি কোন রেস্টুরেন্টে গেলে বিরিয়ানি থাকলে আর কিছু চিন্তা করিনা। আমি মাঝে মাঝে চিন্তা করি বিরিয়ানি থাকতে মানুষ অন্য খাবারের দিকে তাকায় কিভাবে,হা হা হা। ধন্যবাদ দিদি।
আর্সেলানের বিরিয়ানির অনেক নাম ডাক শুনেছি। কলকাতায় গেলে এখান থেকে বিরিয়ানি খাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। তবে আপনি নতুন যে রেস্টুরেন্টের রিভিউ দিলেন সেটার প্রশংসা শুনে সেখান থেকেও খাওয়ার ইচ্ছা জেগেছে। তবে স্যুপের চেহারাটা আমার কাছে অপরিচিত লাগছে। অবশ্য আমি থাই স্যুপ ছাড়া অন্য আর কোন স্যুপ খাই না। সেজন্য স্যুপ সম্বন্ধে আমার খুব একটা ভালো ধারণাও নেই। তবে রেস্টুরেন্টের ইন্টেরিয়রটা দারুন সুন্দর। আর খাবারটাও যে অনেক মজা ছিল সেটা আপনার পোস্ট থেকে বোঝা যাচ্ছে। এমন রেস্টুরেন্ট বাড়ির কাছে থাকলে মাঝে মাঝে যাওয়াই যায়। ধন্যবাদ আপনাকে দিদি।