চিকেন কষা রেসিপি
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন। সুস্থ আছেন।বহু মাস পর আজ আবার রেসিপি নিয়ে আপনাদের কাছে হাজির হলাম। আগে মাঝে মাঝে বাপের বাড়ি থাকলে রান্না করতাম ।কিন্তু মাঝখানে অনেকটা গ্যাপ গেছে রান্নার ধারে কাছেই যায়নি। কিন্তু কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে একদিন চিকেন কষা রান্না করলাম। সত্যি কথা বলতে নিজে রান্না করলে খুব কষ্ট হয় ছবি তুলতে । মাঝে মাঝে ভুলেই যাই যে ছবি তুলতে হবে ।এই জন্য অনেক রান্নার পোস্ট আমার করাই হয় না ।তবুও এই রেসিপিটি রান্না করতে গিয়ে মনে করে প্রত্যেকটি ধাপ ছবি তুলেছি। তাই আপনাদের সাথেও ভাগ করে নিলাম রেসিপিটি। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।
চিকেন কষা তৈরী করার পদ্ধতি:
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| ১. চিকেন | ১কেজি |
| ২. পাতিলেবু | ২ টো |
| ৩.পিঁয়াজ | ৪ টে |
| ৪.হলুদ গুঁড়া | ১ চামচ |
| ৫.লঙ্কা গুঁড়ো | ½ চামচ |
| ৬.কাঁচালঙ্কা | 4-5 টি মতো |
| ৭. নুন | স্বাদ মতো |
| ৮.গোলমরিচ গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ৯.রসুন | ২ টো |
| ১০.গরম মসলা গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ১১.তেজপাতা | ১ টা |
| ১২.লবঙ্গ ও দারুচিনি | ২ টো |
| ১৩. সর্ষের তেল | পরিমান মতো |
রন্ধন প্রণালী :
প্রথম ধাপ
• প্রথমে এক কেজি মতো চিকেন নিয়ে নিলাম।এরপর চিকেন মেরিনেট করার জন্য লেবুর রস দিয়ে মেখে নিলাম। ।
দ্বিতীয় ধাপ
• এরপর আদা, রসুন পেস্ট বেটে নিয়েছিলাম। তার সাথে পিয়াজ গুলো কুচি কুচি করে কেটে নিয়েছিলাম।।
তৃতীয় ধাপ
•এরপর চিকেনের মধ্যে আদা রসুন পেস্ট একসাথে দিয়ে দিলাম। তার সাথে লঙ্কার গুঁড়ো এক চামচ, আর এক চামচ হলুদ গুঁড়ো দিয়ে দিলাম।
চতুর্থ ধাপ
• এরপর এক চামচ লবণ ও এক চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিলাম।
পঞ্চম ধাপ
•এরপর দু চামচ মত সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে চিকেনটাকে ম্যারিনেট করে নিলাম।
ষষ্ঠ ধাপ
•এরপর দুটো আলু কেটে নিলাম। এবং একটি কড়াইতে তেল বসিয়ে গরম করে নিলাম।
সপ্তম ধাপ
•এরপর তেল গরম হয়ে গেলে তার মধ্যে লবঙ্গ ,দারচিনি, তেজপাতা, ও শুকনো লঙ্কা দিয়ে ফোড়ন দিয়ে দিলাম। ফোড়ন দেওয়ার সাথে সাথে কুচি কুচি করে কেটে রাখা পিয়াজ ও আলু হালকা আঁচে ভেজে নিলাম।
অষ্টম ধাপ
•এরপর আলুগুলো ভাজা ভাজা হয়ে এলে ম্যারিনেট করা চিকেনটাকে কড়াইতে ঢেলে দিলাম।।
নবম ধাপ
দশম ধাপ
•এরপর চিকেন থেকে জল ছাড়তে শুরু করবে ।আর সেখান থেকেই পুরো চিকেনটা রান্না হয়ে যাবে।
একাদশ ধাপ
•এইভাবে পুরো চিকেনটা রান্না হয়ে গেলে সবশেষে এক চামচ গরম মসলা দিয়ে নামিয়ে দিলাম।
দ্বাদশ ধাপ
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


চিকেন কষা রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন বিশেষ করে পরিবেশন করা রেসিপির ছবি দেখে বেশি লোভনীয় লাগছে। কেননা রেসিপিতে কোন ঝোল নেই যেটা লোভনীয়তা বাড়িয়ে তুলেছে।
বাহ দিদি আপনি দারুন রকমের একটি চিকেন কষা রেসিপি পোস্ট শেয়ার করেছেন আমাদের সাথে। চিকেন কষা রেসিপি মোটামুটি আমার পছন্দের একটি খাবার। সেটা যদি একটু ভালোভাবে রান্না করা হয় তাহলে খেতে কিন্তু দারুন লাগে দিদি। আপনার করা চিকেন করার রেসিপিটি দেখে আমার কিন্তু খাওয়ার লোভ লেগে গেল। বেশ লোভনীয়ভাবে রেসিপিটি তৈরি করেছেন আপনি। তার থেকেও সুন্দরভাবে রেসিপিটি তৈরির প্রসেস গুলি উপস্থাপন করেছেন আপনি। আর যে কোন জিনিস আসলেই নিজে তৈরি করে নিজেই ফটোগ্রাফি করা অনেক কষ্ট হয়ে যায়। যাই হোক দিদি কষ্টকর হলেও আপনি আমাদের মাঝে রেসিপিটি খুবই সুন্দর ভাবে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।
চমৎকার একটি চিকেন কষা রেসিপি শেয়ার করলেন আপনি। এর আগে অনেকবার আপনার রেসিপি দেখেছি কিন্তু অনেকদিন গ্যাপ হয়ে গেছে আপনি ঠিক বলছেন আপনার রেসিপি দেখতেছি না। আজকে হঠাৎ করে যখন আপনার রেসিপি দেখলাম দেখার চেষ্টা করেছি। বেশ সুস্বাদু একটি রেসিপি তৈরি করলেন দিদি আপনি। চিকেন কষা খেতে খুব ভালো লাগে। আর চিকেন কষাতে যখন দুই একটা আলু দেওয়া হয় খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। আসলে রেসিপি তৈরি করতে খুবই কষ্টের কাজ। রেসিপি তৈরি করতে সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে ছবি নেওয়া খুবই কষ্টের ব্যাপার।
এটা সত্যি কথা,নিজে রান্না করলে ছবি তোলা যায় না।আমার ও আপনার মতো অবস্থা, রান্না বান্নার।ধারে কাছেও যাওয়া হয় না।যা যাওয়া হয় তাও মাঝেসাঝে।দেখে বুঝা যাচ্ছে কিন্তু বেশ মজা হয়েছে রান্নাটা।
আসলেই বৌদি নিজে রান্না করার সময়, ধাপে ধাপে ছবি তোলার কথা অনেক সময় মনেই থাকে না। যাইহোক অনেকদিন পর রেসিপি শেয়ার করেছেন বৌদি,যা দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। চিকেন কষা আমার খুব পছন্দের একটি রেসিপি। এই রেসিপিটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে খুব সুস্বাদু লেগেছিল। রেসিপির কালারটা সত্যিই দারুণ এসেছে। যাইহোক এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ বৌদি।
ঠিক বলেছেন দিদি নিজের রান্না করলে ছবি তুলতে অনেক কষ্ট হয় ।মাঝে মধ্যে ছবি তুলতে ভুলে যায় আমারও মাঝে মধ্যে এরকম হয়ে থাকে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে চিকেন কষা রেসিপি রান্না করেছেন। আপনার রান্নাটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে রেসিপিটা অনেক মজাদার হয়েছে খেতে। ধাপগুলো সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ধাপগুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই বাসায় বসে এতো লবণীয় একটি রেসিপি তৈরি করা যাবে ।ধন্যবাদ দিদি আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল দিদি।
আপনার চিকেন কষা রেসিপি টা দেখে আলো সামলাতে পারছি না। দেখে খুব খেতে ইচ্ছে করছে। এরকম করে রান্না করলে সত্যিই খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে পুরো রেসিপিটা রান্না করেছেন। এত চমৎকার একটি চিকেন কষার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
অনেকদিন পর আপনার রেসিপি দেখলাম দিদি।এটা খুব সত্যি যে রান্না করার সময় বার বার ফটোগ্রাফি করা বেশ কষ্টের কাজ।আপনি ভুলে যান তুলতে।আর আমার মনে থাকে কিন্তু দেখা যায় একটি ছদি তুলেছি ছবিটি ঠিক আসেনি। তাই আবার তুলতে হয়।যাই হোক চমৎকার ভাবে চিকেনের একটি মজার রেসিপি শেয়ার করেছেন দিদি।খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে আশাকরি।ম্যানিরেট করে রাখলে সেই মাংস রান্না করলে খেতে ভীষণ স্বাদের হয়। কেননা প্রয়োজনীয় সব উপকরণ গুলো মাংসের মধ্যে প্রবেশ করে।তাইতো খেতে ভীষণ সুস্বাদু হয়।ধন্যবাদ দিদি সুস্বাদু এই চিকেন রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন দিদি, এক হাতে রান্না করা অন্য হাতে ছবি তোলা সত্যি অনেক কষ্টসাধ্য বিষয়। আমিও আগে রেসিপি পোস্ট করতাম তবে এই ঝামেলার জন্য ইদানিং রেসিপি পোস্ট করা হচ্ছে না। তবে বেশ কিছু রেসিপি এর ফটোগ্রাফি করা রয়েছে, কিন্তু সময়ের অভাবে পোস্ট করা হচ্ছে না, আজকে আপনার চিকেন কষার রেসিপিটি সত্যিই অসাধারণ ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে।
বৌদি আপনার চিকেন কষা রেসিপিটি দেখে লোভ লেগে গেল। বেশ লোভনীয় ছিল রেসিপিটি। আসলে রেসিপি পোস্ট করার সময় রেসিপির ছবিগুলো উঠাতে গেলে অনেক কষ্ট
হয় পুনরায় ছবিগুলো আবার দেখতে হয় ছবিগুলো ঠিক আসছে কিনা।যদি ছবিগুলো ভুল হয় আবার সেগুলো ডিলেট করে আবারও সেই ছবি তুলতে হয়। অনেক সতর্কতার সাথে এই কাজটি করতে হয়। প্রথম অবস্থায় ভুলে যেতাম এখন অবশ্য ঠিক হয়ে গেছে। কষ্টকর হলেও বৌদি বেশ দারুন ভাবে আপনি আমাদের মাঝে রেসিপির ধাপ গুলো উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ বৌদি, লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।