স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আমাদের স্কুলের কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছি ।আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
স্বাধীনতা দিবস আমাদের দেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। প্রতি বছর ১৫ অগস্ট আমরা সবাই স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করি। ঔপনিবেশিক অত্যাচার থেকে আমাদের মুক্ত করার জন্য দেশের মানুষ তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছেন বলে আমরা গর্বের সঙ্গে এই দিনটি পালন করি।এই শুভ দিনে, আমরা মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু এবং অগণিত দূরদর্শী নেতাকে সম্মান জানাই, যাঁরা অদম্য দৃঢ়তা এবং সাহসিকতার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আজ আমাদের দেশ স্বাধীন এবং এর নিজস্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আছে। এর পিছনে রয়েছে আমাদের পূর্বপুরুষদের আত্মত্যাগ। তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা এই স্বাধীনতা পেয়েছি।
আমি এর আগে বেশ কয়েকবার বলেছি যে খুব একটা সকাল বেলা আমি উঠতে পারি না ।কিন্তু খুব অদ্ভুতভাবে ১৫ই আগস্ট এর দিন বেশ ভোর ভোর আমি উঠে যাই। প্রতিবছর ১৫ই আগস্ট এর দিন ভোরবেলা চোখ খুলতেই আমার সবার আগে স্কুলে যাওয়ার কথাই মনে পড়ে।স্কুল লাইফ শেষ করার পর বেশ কয়েক বছর ১৫ আগস্ট এর দিন স্কুলে গিয়েছি।কিন্তু লাস্ট পাঁচ বছর ধরে স্কুলে যাওয়া আর হয়নি। আজ ১৫ ই আগস্ট হওয়াতে গতকাল রাতে হঠাৎ করেই ভেবেছিলাম যে স্কুল যাব।কিন্তু sure ছিলাম না । ভেবেছিলাম ঘুম ভেঙ্গে গেলে চলে যাব। আজ সকাল ৭ঃ০০ টা বাজতেই ঘুম ভেঙে গেল ঘুম ভাঙার সাথে সাথেই ভাবলাম যে স্কুলে যাব তার সাথে আমার বোনকেও ঘুম থেকে ডেকে তুললাম।বোনকে স্কুল যেতে বলার কথা বলতেই বলল যাব না। আমি ভাবলাম যে একা যাবো তাই জন্য বেশ জোর করেই ওকে ডেকে তুলে স্কুলে নিয়ে গেলাম কারণ ও আর আমি একই স্কুলেই পড়েছি। তাই বোন একটু সাথে থাকলে আমার বেশ ভালই লাগবে।
তাড়াতাড়ি করে রেডি হয়ে ৭:৪৫ এ বেরিয়ে গেলাম আর আটটার মধ্যে পৌঁছে গেলাম স্কুলে। স্কুলে পৌঁছানোর সাথে সাথে দেখলাম যে অলরেডি প্যারেড শুরু হয়ে গিয়েছে। আর আমাদের ড্রাম বাজিয়ে রাস্তায় কিছুক্ষণ ঘোরানো হয়।তার সাথে গান বাজনা সবই হয়। বেশ খানিকক্ষণ কিছুটা রাস্তা ঘুরিয়ে আবার স্কুল চলে এলাম কারণ স্কুলে আবার ফাংশন ছিল।
স্কুলে আসার সাথে সাথেই আমাদের স্কুলের মাতাজিরা পতাকা উত্তোলন করলেন। এই মুহূর্তটা দেখতে খুব সুন্দর লাগে আর এই মুহূর্তটা দেখার জন্য বারবার স্কুলে ছুটে যাওয়া।তাছাড়াও আমাদের স্কুলে এত সুন্দর করে স্বাধীনতার দিবসের দিনটি উদযাপন করা হয় যে প্রতিবছর দেখলেও মনে হয় আরো দেখি কারণ স্কুলে যেতে এতটাই ভালো লাগে এবং এতটাই সুন্দরভাবে ছাত্রীরা অনুষ্ঠান করে যে প্রত্যেক বছর স্কুলে এসে তা দেখতে ইচ্ছা করে। আর আমরা প্রাক্তনী হলেও কি আছে এই ছাত্রীদের দেখলে প্রত্যেকবার আমার নিজের কথা মনে পড়ে যায় ,যে এই ১৫ ই আগস্ট উপলক্ষে কত কি করতাম আর স্কুলের কথা কি বলবো। পুরানো কত স্মৃতি এত আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে যে কোনোভাবেই এই বাঁধন ছাড়তে ইচ্ছা করে না। তাই প্রত্যেকবার স্কুলে আসা।
তবে যাই হোক খুব সুন্দর ভাবে পতাকা উত্তলনের পরে একে একে নাচ ,গান, পি.টি হলো । প্রায় দু ঘণ্টার কাছাকাছি অনুষ্ঠান হল এবং সবশেষে জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠান শেষ হলো ।তারপর একে একে সকল ছাত্রী টিফিন নিয়ে বাড়ি চলে এলাম। এবং খুব সুন্দর ভাবে স্বাধীনতা দিবসের সকালটা উদযাপন করলাম।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

স্বাধীনতা অর্জন করাটা অনেক কঠিন একটা বিষয়। স্বাধীনতায় এমনি এমনি আসে না। উপনিবেশিক অত্যাচার থেকে মুক্ত করার জন্য ওই সময় কিছু বীরপুরুষেরা নিজেদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এই স্বাধীনতা নিয়ে এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল মহাত্মা গান্ধী জহরলাল নেহেরু। স্বাধীনতা দিবসের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত হলো পতাকা উত্তোলন। কেনই বা হবে না এই পতাকার জন্যই মুক্তিযোদ্ধা।
বাহ, দিদি, আপনার স্কুলে গিয়ে স্বাধীনতা দিবস উৎযাপন এর মুহূর্ত গুলো খুবই ভালো লাগলো। আপনাদের স্কুলের অনুষ্ঠানের ছবি দেখে মনে হলো বেশ ভালো ভ্যারিয়েশনের অনুষ্ঠান হয় আপনাদের স্কুলে। জিমনাস্টিক এর যে ছবিটা আপনি শেয়ার করেছেন, সেটা দেখে কিছুটা অবাক হয়েছি। কারণ আমাদের স্কুলে কখনো এরকম দেখি নি। আর ড্রামের কথা কি আর বলবো,, স্কুল কলেজ পার করার পর এখন আমার কাছে পুজোর ঢাক, আর স্কুলের ড্রাম অনেকটা এক রকম লাগে। মানে পুজোর ঢাকের বারি শুনলে যেমন মনে আনন্দ জাগে, স্কুলের ড্রামের আওয়াজ শুনলেও একই রকম আনন্দ লাগে।
স্বাধীনতা দিবস ছিল কাল।আপনি আপনার বোনকে নিয়ে বেশ কয়েক বছর পর স্কুলে গেলেন।আপনার বোন ও ওই স্কুলেই পড়েছে।আপনারা খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন। ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করেছেন, যা দেখে আরো বেশী ভালো লেগেছে। সুন্দর সময় কাটিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ দিদি অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
দিদি গতকাল ভারতের স্বাধীনতা দিবস গেল। আর স্বাধীনতা দিবসে প্রতি বছরই আপনাদের স্কুলে অনুষ্ঠান হয়। এ বছর আপনি আপনার বোন কে নিয়ে স্কুলে গিয়ে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবটি উপভোগ করেছেন। ফটোগ্রাফি দেখেই কিন্তু বুঝা যাচেছ যে বেশ ভালো সময় পার করেছেন। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর করে আমাদের মাঝে সম্পন্ন উৎসবটি তুলে ধরার জন্য।
একটি দেশ স্বাধীনতা অর্জন করা এত সহজ না তার পিছনে অনেক আত্মত্যাগের কাহিনী লোকিত থাকে। স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা রইল আপু। ১৫ ই আগস্ট আমাদের দেশে শোক দিবস ছিল এটার আমাদের জন্য অনেক বেশি মর্মাহত। তবে আপনাদের জন্য অনেক খুশির একটি দিন। আপনারা দুই বোন মিলে অনেক আনন্দ করেছেন স্কুলে গিয়ে। স্কুলের বিভিন্ন কার্যক্রম আপনি ফটোগ্রাফির মাধ্যমে শেয়ার করেছেন দেখে অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
দিদিভাই প্রথমেই জানাই, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। পতাকা উত্তোলনের সময় বাচ্চারা যখন প্যারেড করছিল আর স্লোগান দিচ্ছিল ঐ মুহূর্তটা বেশ ভালো লেগেছে। বেশ ভালোই উপভোগ করলাম ভিডিওটা।