নিজের জন্মদিনের কিছু মুহূর্ত
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে নিজের জন্মদিনের কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিলাম। আশা করি সকলের ভালো লাগবে ।
গত পরশুদিন আমার জন্মদিন ছিল। জন্মদিন মানে একটা আলাদা ভালোলাগা ,একটা আলাদা উত্তেজনা আমার কাছে ।ছোটবেলা থেকেই নিজের জন্মদিনটা নিজের কাছে খুব স্পেশাল ছিল কারণ এই জন্মদিনের দিন মা একটুও বকতো না ।বেশ মজার মজায় দিনটা কাটতো। ছোটবেলায় জন্মদিনের দিন স্কুলে সবাইকে ক্যাডবেরি দিতাম। এইজন্য বেশ আনন্দ হতো। আসলে এখন বড় হয়ে গেলেও নিজের জন্মদিন নিয়ে এই উত্তেজনা কিন্তু একটুও কমেনি। শুধু নিজের জন্মদিন বললে ভুল হবে নিজের কাছের মানুষগুলোর জন্মদিন নিয়ে আমার একটা আলাদা আনন্দ কাজ করে কেন জানিনা ।জন্মদিন ব্যাপারটাই আমার কাছে ভীষণ ভালোলাগার জায়গা। এবং ভালো লাগার একটা দিন ।তবে যাই হোক এই বছরের জন্মদিনটা একটু অন্যরকম ছিল কারণ অনেক কিছু প্ল্যান করে রেখেছিলাম এই বছরের জন্মদিন নিয়ে। কিন্তু জন্মদিনের দুই সপ্তাহ আগে জন্মদিনের দিন বিকেলবেলা একটা নিমন্ত্রণ পড়ে যায়। আর তাতে করে মোটামুটি বিকালের প্ল্যানগুলো সব আমাকে ক্যান্সেল করতে হয়েছে। হয়তো আলাদাভাবে আমি সেলিব্রেট করতে পারতাম এই দিনটা কিন্তু আমি আগেই বলেছি আমার কাছে আমার ফ্যামিলির বাইরে আর কিছু না ।কারণ আমার ফ্যামিলির সাথে সময় কাটাতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে।
জন্মদিনের দিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে গেলাম ।উঠে ফ্রেশ হয়ে স্নান করে নিলাম ।তারপর নিজের জন্মদিনে নিজেকেই ঘরটা সাজাতে হলো ।কারণ ভাই-বোনরা সেরকম কেউ ঘরে ছিল না। তাই একা একাই নিজের মতন করে ছোট ভাবে ঘরটা সাজিয়ে নিলাম ।আমার সাথে আমার বোন হেল্প করেছিল। দেখবেন যেদিন সব থেকে বেশি কাজ থাকে তখনই সময় মনে হয় তাড়াতাড়ি চলে যায়। আর আমার ক্ষেত্রেও সেদিন তাই হয়েছিল।
দুপুর বেলার দিকে ব্ল্যাকস এসেছিল। আর সেটা খুবই কম সময়ের জন্য। ও সাথে করে এত সুন্দর একটা কেক নিয়ে এসেছিল। আর সাথে গিফট নিয়ে এসেছিল ।কিন্তু ওই দিন খুব একটা বেশি সময় আমি দিতে পারিনি। আর ভালবাসার মানুষের সাথে অল্প সময় এর জন্য দেখা করলেও অনেকটা মন ভালো করে দেয় ।যাই হোক পরের বছর আশা করি একসাথেই জন্মদিনটা কাটাতে পারবো।তারপর গিফট গুলো আমাকে দিল আর তনুজাদি আমার জন্য জন্মদিনের স্পেশাল খাবার রান্না করে দিয়েছিল । আমার জন্য চিংড়ি মাছের মালাইকারি আর মটন কষা রান্না করে দিয়েছিল। কারণ এই দুটো খাবার আমার খুব প্রিয়। আর দিভাই রান্নার টেস্ট সম্পর্কে কি বলবো খুবই টেস্ট ছিল আর জন্মদিনের দিন এইভাবে রান্না করে খাওয়ালে ভীষণ ভালো লাগে ।
এই বছর সব ভাই-বোনরা বাড়িতে ছিল না তাই যারা ছিল তাদেরকে ডেকে নিয়ে কেক কেটে নিলাম। কেক কাটতে আমার আবার ভীষণ ভালো লাগে। আর জন্মদিনের কেক কাটবো না এটা তো হয় না।
সবাইকে কেক খাইয়ে দিয়ে আমিও দুপুরে লাঞ্চ করতে বসে গেলাম। এরপর কিছুক্ষণ রেস্ট নিয়ে নিমন্ত্রণ বাড়ির জন্য রেডি হয়ে বেরিয়ে গেলাম। এভাবেই জন্মদিনের দিনটা বেশ ব্যস্ততার মধ্যে আর তার সাথে এত সুন্দর ভাবে আনন্দ করে কেটে গেলো ।
আর আমার আরেকটা পরিবারের কথা না বললে এক কথায় অন্যায় করা হবে সেটা হলো 'আমার বাংলা ব্লগ' পরিবার। আমার সহকর্মী সকল প্রিয় এডমিন মন্ডলী ও মডারেট মন্ডলী আমাকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সবাই আমাকে গিফট দিয়েছে।আমি খুব খুশি হয়েছি।সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।সবাই খুব ভালো থাকবেন।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

আপু, প্রথমে আপনার শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। আপনার জন্মদিন উপলক্ষে আপনার অনুভূতির কথাগুলো জেনে খুবই ভালো লেগেছে আমার। শুভ জন্মদিনের মতো আপনার জীবনটা উজ্জ্বল আলোয় পরিপূর্ণ হোক, এমনটাই আমি প্রত্যাশা করি।
প্রথমেই জন্মদিনে শুভেচ্ছা দিদি। প্রিয় মানুষের কাছে থেকে গিফট পেতে ভীষণ ভালো লাগে। বৌদি তো সব মজার মজার রান্না করে পাঠিয়েছেন আপনার জন্য। তবে আপনার জন্মদিনে তো আমাদের দাওয়াত দিতে পারতেন দিদি। আমরা জমিয়ে আডডা দিতাম। আপনার জন্মদিনে কেক দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে। আর পুরো ঘর চমৎকার ভাবে সাজিয়েছেন।
প্রথমে জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইল এই দিনটি আপনার জীবনে বার বার ফিরে আসুক এই দোয়া করি। সত্যি জন্মদিন উপলক্ষে আপনি খুবই সুন্দর একটি দিন উপভোগ করেছেন এবং এই দিনটির অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। অনুভূতিগুলো জানতে পেরে অনেক ভাল লাগল।
শুভ জন্মদিন দিদি,আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো।আপনার আগামী পথ চলার প্রতিটি মুহূর্ত আনন্দে কাটুক সেই প্রত্যাশায় করি।গিফ্টগুলি সুন্দর ছিল আর কেকটি ও।শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আপু আপনার জন্য জন্মদিনের অনেক অনেক শুভকামনা রইল। অনেক ভালো লাগলো আপনার জন্মদিনের সুন্দর কিছু মুহূর্ত দেখে। বৌদি আপনাকে সুন্দর একটি রান্না করেছে শুনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আপু এত সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
দিদি জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই আপনাকে। খুব ভালো লাগে যখন কেউ বলে আমার পরিবার আমার কাছে আগে।পরিবারের সাথে সময় কাটাতে খুব ভালো লাগে।এমন মানুষগুলোকে সত্যি ই খুব ভালো লাগে।আপনার জন্মদিনের অনুভূতি গুলো পড়ে ভীষন ভালো লাগলো। কেকটা খুব সুন্দর হয়েছে। দাদার পছন্দ আছে বলতে হয়।
প্রথমেই আপনাকে জন্মদিনের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি দিদি। আপনি নিজের পরিবারকে সবসময় টপ প্রায়োরিটি দেন, এই ব্যাপারটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আমাদের বৌদির রান্না সবসময় দেখতে বেশ লোভনীয় লাগে। সবার সাথে কেক কেটে নিজের জন্মদিন উদযাপন করেছেন দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো দিদি। দোয়া করি সবসময় খুব ভালো থাকবেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
দিদি প্রথমেই আপনাকে জন্মদিনের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাই। জন্মদিনের বেশ সুন্দর অনুভূতি আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। বেশ ভালো লাগলো যে আপনার কাছে আপনার পরিবারই সবার আগে। তাই তো পরিবার পরিজনের সাথে অনেক আনন্দ নিয়েই জন্মদিন উদযাপন করলেন। দোয়া করি এমনই থাকেন চিরদিন।
প্রথমেই দিদিভাই, আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। যদিও ছোট দাদার সঙ্গে আপনার স্বল্প সময়ের দেখা হয়েছিল, তবে আমি মনেকরি আপনার এই বিশেষ দিনে এটা অনেকটাই বড় প্রাপ্তি ছিল। তনুজা বৌদির রান্না আসলেই অনেক সুন্দর, সেটা বরাবরই প্রমাণিত। তাছাড়া আপনার একটা কথা আমার কাছে প্রচুর ভালো লাগে সেটা হচ্ছে, সবার আগে পরিবার।
আপনার আগামী দিনগুলো আরো সুন্দর হোক, এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করি। 🙏
শুভ জন্মদিন দিদি, আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। দোয়া করি এই দিনটি আপনার জীবনে বার বার ফিরে আসুক।
জন্মদিন উপলক্ষে খুবই সুন্দর একটি দিন উপভোগ করেছেন এবং সেই জন্মদিনের অনুভূতিগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি আপনাকে । জন্মদিনের কেক টি অনেক সুন্দর ছিল সত্যিই দাদার পছন্দ আছে।