গ্রাম্য প্রকৃতির ফটোগ্রাফি
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে গ্রাম্য প্রকৃতির কিছু ছবি ভাগ করে নিচ্ছি।আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
বেশ কয়েক মাস আগে আমি গ্রামের দিকে ঘুরতে যাবো বলে ঠিক করেছিলাম তাই নীলগঞ্জের কাছে ঘুরতে গিয়েছিলাম শুধুমাত্র গ্রাম্য পরিবেশটাকে উপভোগ করবো বলে। আসলে যখনই বাড়ির ছাদে দাঁড়াই তখনই দেখি চারিদিকে শুধু ফ্ল্যাট আর ফ্ল্যাট গাছপালা সব যেন হারিয়ে যাচ্ছে আর যত গাছপালা ছিল সব কেটে কেটে এখন শুধু ফ্ল্যাট হয়ে যাচ্ছে । তাই জন্যই এখন গরম যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে আর এই গাছপালা কেটে ফেলার ফলেই হাওয়া, বাতাস ছায়াটুকু পর্যন্ত আমরা পাইনা । যেহেতু সেই ভাবে গাছপালা চোখে পড়ে না সেজন্যই বারবার গ্রাম্য জায়গায় মন খুব টানে।
প্রকৃতি মানেই বিশুদ্ধতা আর অনাবিল মুগ্ধতা।সমস্ত ব্যস্ততা পিছনে ফেলে মাঝে মাঝে যদি একটি মুক্ত পরিবেশে খোলা আকাশে যাওয়া যেত তবে কেমন হতো?এই রকম ইচ্ছে প্রায়ই করতো।কিন্তু কলকাতার কংক্রিটের মধ্যে সেই মুক্ত পরিবেশ কোথায়?আর আমার গ্রামে ও কখনোই যাওয়া হয়নি।কারণ কাছের সব আত্মীয় স্বজনের বাড়ি কলকাতাতেই।তাই কাজ হোক কিংবা ছুটি সময় কেটে যায় এই মহানগরীর বুকে বিচরণ করে।অবশেষে একদিন আমি একটু ছুটি বের করে কলকাতার কাছেই গ্রামে একটু ঘুরতে যেতে পেরেছিলাম।সত্যি একটা ভীষণ ভালো লাগা কাজ করেছিলো।চারিদিকে সবুজ আর উপরে বিশাল আকাশ যার বুকে সাদা আর নীল এর মেলা বসেছে।কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে মুক্ত হাওয়ায় শ্বাস নিলাম।সত্যি খুব হালকা লাগলো।এরপর চারিদিক টা একটু ঘুরে দেখতে শুরু করলাম।এই গ্রামের কাছেই ফসলের মাঠ।
সেখানে নানা রকম ফসলের চাষ হয়।আমি যে সময়টা গেছিলাম সেটা পুজোর ঠিক কিছু আগে।তাই খুব বেশি সবজি দেখতে পাইনি।তো ঢেঁড়স ঝিঙে শাকের ক্ষেত দেখে খুব ভালো লেগেছিল। আজ সেই দিনের গ্রামের কিছু ছবি আপনাদের সাথে ভাগ করে নিলাম।
| ডিভাইস | redmi note9 |
|---|---|
| লোকেশন | (বারাসাত ) |
| ক্রেডিট | @swagata21 |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

You've got a free upvote from witness fuli.
Peace & Love!
গ্রামের পরিবেশ আর শহরের পরিবেশের মধ্যে অনেক তফাৎ আছে।কারণ শহরে এমন সবুজে ঘেরা পরিবেশের বড্ড অভাব।তবে একটু সময় করে গ্রামে গিয়ে ঘুরে এসেছেন দেখে খুব ভালো লাগছে দিদি।
দিদি ভাই নীলগঞ্জের গ্রাম্য অঞ্চলের বেশ সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন৷ দারুন ছিল ফটোগ্রাফি গুলো ৷ আসলে দিদি বর্তমানে যে পরিমান গরম তাতে সমস্ত দোষ সাধারন মানুষের ৷ কারন আনরাই গাছপালা নিধন করছি ৷
যা হোক এটা ঠিক বলেছেন যে প্রকৃতি মানেই বিশুদ্ধতা আর অনাবিল মুগ্ধতা৷ তাই তো আমরা সবাই প্রকৃতিকে এতো ভালোবাসি ৷
দিদি ঠিক বলেছেন ছাদে দাঁড়ালে শুধু ফ্ল্যাট আর ফ্ল্যাট।চোখে গাছপালা কিছুই দেখা যায় না। তাই মন গ্রামীন পরিবেশো যেতে বেশ ইচ্ছে করে।আপনি নীলগঞ্জের গ্রামে গিয়ে বেশ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। আমার কাছে খুব ই ভাল লাগলো।গ্রামীন এমন পরিবেশ সত্যিই খুব দারুন লাগে।ধন্যবাদ দিদি শেয়ার করার জন্য।
যেহেতু আপনার গ্রামের দিকে ঘুরতে মন চাচ্ছিল আর আপনি নিজের ভালোলাগাকে প্রাধান্য দিয়ে গ্রামের দিকে ঘুরতে গিয়েছিলেন এটা জেনে ভালো লাগলো দিদি। আসলেই শহর অঞ্চলটা কেমন যেন একঘেয়েমি হয়ে গিয়েছে চারিদিকে ইট পাথর আর দালানকোটার মাঝে নিজেকে বন্দি রাখতে মোটেও ইচ্ছে করেনা। প্রকৃতির মাঝে কাটানো সুন্দর মুহূর্তের ফটোগ্রাফি দেখে বোঝা যাচ্ছে সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলেন। সুন্দর এই মুহূর্তটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
গ্রামীণ প্রকৃতি মানে বিশুদ্ধ বাতাস, আর অনাবিল সৌন্দর্যে নিজেকে মুগ্ধ করা। আসলে আপু গ্রামীণ পরিবেশের চিরসবুজ প্রকৃতি দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হই। যাহোক আপনি গ্রাম্য প্রকৃতির অসাধারণ সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তোলা প্রত্যেকটি গ্রাম্য ফটোগ্রাফি দেখতে সত্যিই অসাধারণ সুন্দর লাগছে। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে গ্রাম্য প্রকৃতির ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মুক্ত আকাশে, খোলা আকাশে যেতে পারলে সত্যিই মন্দ হতোনা।তবে তার আর সুযোগ কই!একটা সবুজ পাতা দেখাই যে অনেক কঠিন কাজ এখন।সবুজ এর ছবিগুলো দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো।
আধুনিকতার ছোঁয়া যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে আমার তো মনে হয় কয়েকদিন পর আর গ্রাম বলে কিছুই থাকবে না। ইট পাথরের এই দেওয়াল গুলোর মাঝে বসবাসকারি মানুষগুলোকে ভীষণ স্বার্থপর লাগে আমার কাছে। প্রকৃতির খোলা এই রূপ মন ভরে একবার যে উপভোগ করতে পারবে সে আর কখনোই হয়তো বদ্ধ কারাগারে ফিরতে চাইবে না। আকাশ কালচে মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে , মনে হচ্ছে যেন হাত দিয়ে ধরে বাড়ি নিয়ে যাই। ভীষণ সুন্দর ছিল ছবিগুলো দিদি।