বোনের জন্মদিনে।। //১০% পেআউট লাজুক খ্যাঁক-কে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে বোনের জন্মদিনে কাটানো কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিলাম।
গতকাল বোনের জন্মদিন ছিল ।আর এই বছর বোনের জন্মদিনটা একটু অন্যরকম তার কিছু কারণ আছে। সেগুলোর মধ্যে একটা হচ্ছে বোন পড়াশোনার জন্য হোস্টেলে থাকে । বোন কোলাঘাট কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। যেহেতু কোলাঘাট থেকে আসা-যাওয়া করে পড়া সম্ভব নয় তাই ওখানে থেকেই ওকে পড়তে হচ্ছে।আর এই বছর ওর জন্মদিনে বাড়িতে আসার কোনো চিন্তা ভাবনাই ছিল না ।তো আমরা একপ্রকার ভেবেছিলাম হয়তো কোনোভাবেই ওর হবে না । তারপর আবার ওর দুদিন পরেই পরীক্ষা। তাও মা একপ্রকার জোর করেই ওকে বাড়িতে এনেছে ।তাই বোনও আর না করেনি ।সত্যি কথা বলতে আমাদের অনেক অনুষ্ঠানে এখন আর বোন আসতে পারে না বলে মায়ের খুব খারাপ লাগে। তাই জন্মদিনে আসবেনা এটা তো হয় না তাই মা নিজে গিয়ে রবিবার নিয়ে এসেছে। আর আমার বোন কোনোদিন কলেজ কামাই করে না এই এক বছরের মধ্যে যতদিন কলেজ হয়েছে ততদিন কলেজ গেছে শুধুমাত্র এই জন্মদিনের জন্য প্রথম কালকের দিনটা কলেজ যাইনি। তাই আজকে ভোর পাঁচটায় উঠে বেরিয়ে গেছে শুধু মাত্র আজকের ক্লাস যেন প্রথম থেকে করতে পারে তাই।
যাই হোক যেহেতু বোন বাড়িতে ছিল কালকে। তাই মা ভীষণ খুশি ছিল সঙ্গে বোনও ছিল ,তাছাড়াও আমার বাকি ভাই-বোনরা ও খুব খুশি ছিল। সকাল থেকে উঠে বোনের সমস্ত রকম পছন্দের খাবার রান্না করেছিল ।হোস্টেলের খাবার বুঝতেই পারছেন কেমন হয় সেখান থেকে মা যখন কালকে ওর জন্য মাছ ,মাংস রান্না করেছিল ও খুব ভালো খেয়েছিল ।আর মায়ের ও খুব ভালো লেগেছিল ।
দুপুরবেলার পর্ব এভাবে শেষ হলেও বিকেল বেলা ছিল আরো কিছু আয়োজন যেটা আমরা সব ভাই বোন মিলে করেছি। সন্ধ্যে হতে হতে সবাই মিলে ঘর সাজিয়েছিলাম। আর তার মধ্যে আমার কালকে পরীক্ষা তাও তাড়াতাড়ি পড়াশোনা কিছুটা এগিয়ে বোনের জন্য সময় দিয়েছিলাম ।আর এইটুকু তো করাই যায় দিদি হয়ে । আর একসাথে ঘর সাজালে সেটা খুব তাড়াতাড়ি হয়েও যায়, তাই ঘর সাজানোর পর সবাইকে ডেকে একসাথে কেক কাটা হলো, ছবি তোলা হল ।আর আমার ভাই-বোনরা প্রচন্ড নাচ ,গান ,আড্ডা দিতে খুব ভালোবাসে ।কেক কাটা শেষে একসাথে নাচ গান হল। খুব খুব আনন্দ করল বোন ।আর আমাদেরও ভীষণ ভালো লেগেছে সবাই এভাবে একসাথে দিনটা সেলিব্রেট করে।
প্রথমে আপনার বোনের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই, এই দিনটি তার জীবনে বার বার ফিরে আসুক এই দোয়া করি। পরিবারের সকলকে নিয়ে খুবই আনন্দময় সময় পার করেছেন। নাচ-গান আড্ডা সত্যিই অনেক আনন্দময় মুহূর্ত ছিল। শুভকামনা রইল সকলের জন্য।
বোনের জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা রইল। প্রার্থনা করি সেভালো থাকুক সুস্থ থাকুক। এবং সুন্দরভাবে তার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা শেষ করুক। পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি আমার বাংলা ব্লগের পক্ষ থেকে আপনাদের অভিনন্দন।
প্রথমে জানাই আমার বাংলা ব্লগের পক্ষ থেকে আপনার বোনের জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বোনের জন্মদিন মানেই নিজের জন্মদিন। আপনার পোস্ট পড়ে দেখলাম জন্মদিনে আপনারা সব ভাই-বোনই অনেক আনন্দ উপভোগ করেছিলেন সাথে আপনার মাও ছিল। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বোনকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। বেশ আনন্দ করে ঘরোয়া পরিবেশে জন্মদিনটা পালন করেছেন সবাই মিলে। চমৎকার কিছু মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল বোঝাই যাচ্ছে। আর সবাইকে দেখতেও বেশ ভালো লাগছিল।
আপনার বোনকে দেখতে দারুণ মিষ্টি লাগছে।আমার তরফ থেকেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাবেন।
সায়নী কে প্রথমে জানাই শুভ জন্মদিন। ও সুস্থ থাকুক ।ভালো থাকুক এবং জীবনে প্রতিষ্ঠিত হোক। জন্মদিন পালন করা দেখতে ভীষণ ভালো লাগে ।সবাই মিলে খুব সুন্দর একটা মুহূর্ত কাটিয়েছ দিদি। ভালো থেকো।
বোনের জন্মদিনে বোনকে অনেক শুভেচ্ছা জানাই ।গিফটটা সত্যি খুব সুন্দর হয়েছে ।ভালো লাগলো দেখে। অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
আপু আপনার পোস্টটি পড়ে মনে হচ্ছে বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠানের সময়টুকু আপনি খুবই উপভোগ করেছেন এবং আনন্দের সাথে পাঠিয়েছেন। বোনের জন্মদিনে নাচ, গান এবং ছবি উঠানোর বিষয়টি জানতে পেরে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আপু আপনি এবং আপনার বোনের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।