আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত। //১০% পেআউট লাজুক খ্যাঁক-কে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে গতকাল সন্ধ্যেতে নিউটাউনে কাটানো কিছু মুহুর্ত ভাগ করে নিচ্ছি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
ঘুরতে যেতে কার না ভালো লাগে ! আর ঘুরতে যাওয়ার কথা বললেই আমি এক পায়ে খাড়া🤪। আর আমার তো ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার থেকে ঘোরাঘুরির কথা শুনলে বেশি আনন্দ হয় । আমি জানি এই জিনিসটা কম বেশি সবারই হয়। টিনটিনের জন্মদিনের পর মাঝখানে পুজো কেটে গেছে। অনেকদিন টিনটিন, দাদা ,দিদির সাথে দেখা হয়নি। আর আগেই বলেছিলাম আমি , এই বছর @blacks পুজোতে কলকাতায় ছিল না,কাজের উপলক্ষ্যে বাইরে ছিল তাই ওর সাথে আমার প্রায় দু সপ্তাহ দেখা হয়নি। তো ভেবেছিলাম একসাথে কাল সবাই ঘুরতে যাব ,আসলেই ঘোরাঘুরি সিদ্ধান্তটা হঠাৎ করেই হয় আমাদের ।আগে থেকে কোনো প্ল্যান করা থাকে না। যখনই দেখি যে সবাই ফ্রি আছে তখনই বেরিয়ে পড়ি, কালকেও ঠিক তাই। বিকেল চারটের সময় বেরোনোর কথা ছিল কিন্তু ওই যে বাঙালির টাইম চারটে বললে কি করে ছটা হয়ে যায় নিজেরাও বুঝতে পারি না ।
ছটার সময় দেখা করলাম কিন্তু একটা জিনিস যত দেরি করে আমরা দেখা করি ততই বাড়ি ফিরতে লেট হয়ে যায় । এইজন্য প্রতিবারই মনে হয় তাড়াতাড়ি দেখা করবো কিন্তু এখনো পর্যন্ত সেই তাড়াতাড়ি আর দেখা করা হয়ে উঠল না আমাদের। কালকে ভাবলাম একটা নতুন জায়গায় যাবো। যে জায়গাটা আমার ভীষণ ভীষণ প্রিয় জায়গা ।যখনই ঘোরার ইচ্ছা হয় আমার তখনই আমি এই জায়গাতেই যাই। কিন্তু দাদা আর দিভাই এর কাছে কালকে জায়গাটা পুরোই নতুন ছিল ।যেদিন আমি প্রথমে জায়গাতে আসি তখন থেকে আমি ভেবেছিলাম কবে সবাইকে নিয়ে আসতে পারবো আর কালকে সেই দিনটা যেদিন আমি সবাইকে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওই দেরি হয়ে গেছিল বলে আমাদের হাতের টাইম খুব কম ছিল তাই জন্য আমরা তিরিশ মিনিটের বেশি এখানে থাকেনি । যতক্ষণ ছিলাম টিনটিনের সাথে পার্কে খেলেই সময় কাটিয়ে দিয়েছিলাম। আর ওখানে আমরা খেলার সাথে সাথে ফিস ফ্রাই, চিকেন ফিঙ্গার,আর চা খেয়েছিলাম । এরপর ওখান থেকে বেরিয়ে গেছিলাম অল্প কিছুক্ষণ থেকেই।
আমরা বেরোবো কিন্তু রেস্টুরেন্টে যাব না সেটা কখনোই হয় না।ওখান থেকে বেরিয়েই খুব ভালো একটা রেস্টুরেন্টে গেলাম ।যেটা আমার বাড়ির খুব কাছে । শ্রীভূমির কাছে বেঙ্গল ধাবা বলে একটু ধাবা জায়গা রয়েছে যেখানে অ্যাম্বিয়েন্সের সাথে সাথে খাবার কোয়ালিটিও খুব ভালো। এই জায়গাটার নাম অনেক শুনেছি কিন্তু কখনো যাওয়া হয়নি।কিন্তু কালকে সেই জায়গাটাতে গেছিলাম । এখানে এসে এই ধাবার সবচেয়ে বেস্ট খাবারগুলো নিয়েছিলাম এবং খুব ভালো খেয়েও ছিলাম ।প্রত্যেকটা খাবারের টেস্ট খুব ভালো ছিল। সব মিলিয়ে কালকে খুব সুন্দর একটা সন্ধ্যা কাটিয়ে বাড়ি চলে আসলাম।।
গতকাল সন্ধ্যায় বেড়াতে যাওয়ার
অনুভূতি টা বেশ,
রেডি হতে যেন খানিকটা
সময় হয়ে যায় শেষ।
এবার পুঁজোয় দাদার সাথে
দেখা হয়নি বলে,,
গতকাল সন্ধ্যায় সবাই মিলে
বেড়াতে গেলে চলে।
টিনটিন বাবার সাথে তুমি
কাটালে সময়ে বেশ,,
রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া
করলে এবার শেষ।
সব মিলিয়ে সন্ধ্যাটা তো
ছিল মধুময়,,
সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি
তারই কথা কয়।
♥♥
আমি মনে করি এটা সকলের ক্ষেত্রে পড়ার থেকে ঘুরতে যাওয়ার কথা শুনলেই সকলের মুখে হাসি ফোটে। কিন্তু যখন পড়ার কথা বলা হয় তখন মুখটা ফ্যাকাসে হয়ে যায় হাহাহা। সকলের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার মুহূর্তে অনেক চমৎকার একটি সময় অতিবাহিত করেছেন দেখছি। পোস্টটা পড়ে বুঝলাম ঘুরাঘুরি করার উদ্যোক্তা একমাত্র আপনি নিজেও ঘুরেন আশেপাশের মানুষগুলোর সাথে নিয়েও ঘোরাঘুরি করেন এ বিষয়টা আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। আর রেস্টুরেন্ট এর খাবারের কথা কি বলবো খাবার গুলো দেখে অনেক বেশি লোভনীয় মনে হয়েছে। যাইহোক আপনাদের সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু,,আমারতো পড়াশুনা চেয়ে ঘুড়তে ভালো লাগে😜।যারা ঘুড়তে ভালোবাসে, তাদের মাথায় খালি ঘুরাঘুরিই চলে।যাই হোক বেশ কিছু দিন পর প্রিয় মানুষের সাথে দেখা হয়ে অনেক ভালো লেগেছে মনে হয়।আর হ্যা বাঙালি মানেই চারটা ছয়টা হা হা😜।টিনটিন মনে হচ্ছে ম্যাডামের সাথে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছে। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
ঘোরাঘুরির দিক থেকে আপনি তো তাহলে আমার দলেই পড়ছেন 😜।আর ৪টে ৬ টা 😒।ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যটি পড়ে।
হ্যা,আপু একদমই। একটা সত্যি কথা আপনাকে আমার খুব ভালো লাগে,একদম শুরু থেকে।মোডেরেটরস হওয়ার আগেই। আমি আর আপনি কিন্তু একসাথে abb ক্লাস করেছি।মনে আছে?
❤️ভালোবাসা নেবেন ❤️।
হ্যা দিদি মনে আছে একসাথে ক্লাস করেছিলাম 😊।
সত্যি ঘুরতে কার না ভালো লাগে, আমার ও ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।সত্যি বলেছেন দিদি বাঙালির টাইম চারটা বললে ছয়টা হয়ে যায়।ঠিকই তো বেরোবো কিন্তু রেস্টুরেন্টে যাব না সেটা কখনোই হয় না। আর আপনারা খেলার সাথে সাথে ফিস ফ্রাই, চিকেন ফিঙ্গার,আর চা খেয়েছিলাম অনেক মজার খাবার । আর টিনটিন বাবু তার ম্যাডামের সাথে অনেক ভালো সময় কেটেছে।
আপু আপনার মত আমারও ঘুরতে যাওয়া বেশ পছন্দ। ঘুরতে যেতে আমিও খুব পছন্দ করি। ঠিক বলেছেন এটা আমাদের স্বভাব ৪টের জায়গায় ৬টা কি এমন ব্যাপার😁আমারতো ৮টে বাজে🤪। এটা আমরা করতে চাই না কিন্তু কিভাবে যে হয়ে যায় তা আসলে বুঝতেও পারি না। তবে আপনারা পাঁচজন মিলে খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছে ন। ছবিতে আপনাদের দুজনকেই বৌদি এবং আপনাকে বেশ সুন্দর দেখাচ্ছে আপু।🥰🥰
বাহ্ দিদি আপনারও তো দেখি ঘোরাঘুরি পছন্দ। আমারতো মাঝেমধ্যে মনে হয় শুধু ঘোরাঘুরি করলে যদি বেতন পাওয়া যেত তাহলে আমি প্রচুর বেতন পেতাম। হেহেহে
বড় দাদা -বৌদি ,ছোট দাদা -ছোট দিদি আর টিনটিন... সবাইকে এক ফ্রেমে দেখলে সত্যিই খুবই ভালো লাগে । 👌
💝 হ্যাপি ফ্যামিলি। 💝
এই ঘোরাঘুরি কিন্ত আমারই পছন্দ শুধু, @blacks এর না 😒।
অনেক ধন্যবাদ দাদা ❤️।
ঘুরতে যেতে আমার খুব ভাল লাগে। দিদি আমি দুই পায়ে খাড়া ঘুরার জন্য, হা হা। ব্ল্যাকস দাদা যে পুজোতে ছিলেন না আপনি একটি পোস্টে বলেছিলেন। হঠাৎ প্ল্যান করে ঘুরার মজা কিন্তু অন্যরকম। আপনার পছন্দের জায়গাতে সবাইকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছেন। যদিও অল্প সময়ের জন্য গিয়েছেন কিন্তু নিশ্চয়ই মনে রাখার মত ছিল। আপনাদের সবাইকে একসাথে দেখে খুব ভাল লাগছে। ছবিগুলো বেশ দারুণ হয়েছে। টিনটিন বাবুকে দেখতে খুব কিউট লাগছে। খাবারের ছবিগুলো দেখে খুব লোভনীয় মনে হচ্ছে। হলুদ ট্যাক্সিতে করে খাবারের বিল আসতে এই প্রথম দেখলাম। ধন্যবাদ দিদি।
আপনার মত আমারও ঘুরতে যেতে খুবই ভালো লাগে। আর সাথে যদি থাকে সবগুলো প্রিয় আপন মানুষ তাহলে তো আর কথাই নেই। খুব সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছেন আপনারা সবাই মিলে। সবার একসাথে ফটোগ্রাফিটি দেখে খুবই ভালো লাগলো। আর একটা কথা আপনি কিন্তু ঠিক বলেছেন বাঙালির চারটে মানে ছয়টা হয়ে যায়। যাইহোক সবাই মিলে খুব আনন্দঘন মুহূর্ত কাটিয়েছেন। আপনাদের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে। আবার সবাই মিলে একসাথে খুব ভালোই খাবার খেয়েছেন তবে রেস্টুরেন্টের টেবিলটা আমার খুবই ভালো লেগেছে। আর টেবিলের উপরে পরিবেশন টা খুব সুন্দর ছিল। সব সময় এভাবেই সবাই মিলে ভালো দিন কাটান এই কামনা করি।
দিদি ঘোরাঘুরি আমারও বেশ পছন্দের ৷ তবে আপনাদের ঘোরাঘুরি এমন দৃশ্যে দেখে আমার বেশ ভালো লাগছে ৷ অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছে সবাই মিলে ৷ আসলে ব্যস্ততা কাটিয়ে একটু ঘোরাঘুরি করলে বেশ ভালোই লাগে ৷ প্রিয় মুখ গুলো একসাথে দারুণ সময় কাটিয়েছেন , ঘোরাঘুরি খাওয়া দাওয়ার মাঝে বেশ সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন ৷ দেখে সত্যিই অনেক ভালো লাগলো দিদি ৷ ধন্যবাদ আপনাকে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷
আপু খুবই আনন্দঘন মুহুর্তের কথাগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন আপনি। আপনাদের আনন্দের মুহূর্তে আমাদের প্রিয় টিনটিন বাবুকেও অনেক আনন্দিত দেখাচ্ছে। এরকম আনন্দঘন মুহূর্তে পরিবারের সদস্যদের সাথে রেস্টুরেন্টে সুস্বাদু খাবার খাওয়ার মজাটাই আলাদা। আপু আপনাদের সেলফি ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ সুন্দর দেখাচ্ছে। দারুন একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।