নর্থ সিকিম ভ্রমণ পর্ব -৪(গুরুডংমার হ্রদ)
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আগের পর্বে আমি কালাপাত্থার এ ঘোরার কিছু ছবি এবং মুহুর্ত আপনাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছিলাম ।আজকে লাচেন এর গুরুডংমার যাওয়ার কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নেবো আপনাদের সাথে।
গুরুডংমার হ্রদটি বিশ্বের এবং ভারতের সর্বোচ্চ হ্রদগুলির মধ্যে একটি, যার উচ্চতা 5,430 মিটার (17,800 ফুট)।আমরা লাচেন এর কালাপাত্থার থেকে গুরুডংমার লেকে গিয়েছিলাম । কালাপাত্থার থেকে এই জায়গার দূরত্ব প্রায় দেড় ঘন্টার কাছাকাছি বলা যেতে পারে। যেহেতু আমরা ডিসেম্বরে গিয়েছিলাম সেহেতু আবহাওয়া খুবই খারাপ ছিল ,আর খারাপ বলতে প্রচুর তুষারপাত হচ্ছিল তার সাথে বাজে রকমের হাওয়া দিচ্ছিল । যখন ওই জায়গায় পৌঁছেছিলাম তখন আমাদের মিলিটারি তরফ থেকে যেতে বারণ করে দিয়েছিল। আসলেই জায়গাটা বন্ধ করে দিয়েছিল । যেহেতু আমরা এতটা জার্নি করে এসেছিলাম সেহেতু একটু অনুরোধেই ওখানে যাওয়ার পারমিশন দেয়।
কিন্তু ওখানে গিয়ে বুঝতে পারি আবহাওয়া কতটা খারাপ । ওই জায়গায় পৌঁছানোর পর যেন মনে হল স্বর্গীয় কোনো জায়গায় এসেছি ।এত সুন্দর চারিপাশটা দেখতে লাগছিল মুখে বলে বোঝাতে পারবো না । আমি শুনেছি কাশ্মীরকে ভূস্বর্গের দেশ বলা হয় সেখানে আমার মা-বাবা গেলেও আমার যাওয়া হয়নি কিন্তু এই গুরুডংমার লেকে এসে খুব ভালো লেগেছিল প্রকৃতির সৌন্দর্য কে উপভোগ করতে পেরে। আসলেই প্রকৃতি কতটা সুন্দর হতে পারে নিজের চোখে না দেখলে সেটা বোঝানো যায় না। যাই হোক সেখানে পৌঁছানোর পর বাইরে দাঁড়ানো যাচ্ছিল না বেশিক্ষণ আমরা এখানে থাকতে পারিনি ।বলতে গেলে ৫-৭ মিনিট মতোই থেকে ছিলাম কারণ যে পরিমাণ আবহাওয়া খারাপ ছিল আর তার সাথে ঝড়ো হাওয়া প্লাস তুষারপাত হচ্ছিল তাতে করে নিঃশ্বাস নিতেও খুব কষ্ট হচ্ছিল ।তাই দু-তিনটে ছবি তুলে ব্যাক করে গেছিলাম। আমার কাছে এই জায়গাটি ভীষণ ভালো লেগেছে ।
সব শেষে একটাই কথা বলব এই নর্থ সিকিম ঘুরতে এলে ফেব্রুয়ারি- মার্চের দিকেই আসা ভালো। নাহলে এই ডিসেম্বর মাসের ঠান্ডা সহ্য করার বাইরে থাকে ।
যাই হোক আমাদের খুব তাড়াতাড়ি সেখান থেকে ব্যাক করতে হয়েছিল এই কারণেই, কারণ সেই দিনের মধ্যেই আবার আমাদের লাচুং পৌঁছানোর কথা ছিল। তাই আমরা মোটামুটি এগারোটার মধ্যে হোটেল পৌঁছে লাঞ্চ করে লাচুন এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ছিলাম। সেখানেও অনেক জায়গা ঘুরেছি। সেই জায়গার ছবি আপনাদের সাথে আমি পরের পর্বে ভাগ করে নেব।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

নর্থ সিকিমের গুরুডংমার হ্রদটি ভ্রমনের অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি ও বর্ননা আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন,এজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার এই ভ্রমণ পর্ব থেকে বড় লার্নিং হলো যদি কখনও গুরুডংমার হ্রদটি ঘুরতে যাই,তাহলে ফেব্রুয়ারি= মার্চ ভাল সময়। শুভ কামনা আপনার জন্য দিদি।
কাশ্মীরকে ভূস্বর্গের দেশ বলা হয় জেনে ভালো লাগল দিদি। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখে সত্যি মুগ্ধ হলাম। আর ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। অল্প সময় সেখানে কাটিয়েছেন কিন্তু সময়টা বেশ দারুন কাটিয়েছেন বোঝাই যাচ্ছে। আসলে এত সুন্দর পরিবেশ আর এত সুন্দর দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। হয়তো আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে সেখানে বেশিক্ষণ সময় কাটাতে পারেননি। আশা করছি আবার কোন একদিন গেলে আরো ভালোভাবে সময় কাটাতে পারবেন। অনেক অনেক শুভকামনা রইল দিদি।
এত পূর্বে আমি আপনার এই ভ্রমণের পর্বগুলো দেখেছি এবং অনেক ধারণা অর্জন করেছি আজকে ঠিক নতুন অনেক ফটোগ্রাফিরের মাধ্যমে ধারণা অর্জন করতে পারলাম। খুবই ভালো লাগে আপনার এই পর্বগুলো যেহেতু নতুন বিষয় সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে পারে নতুন স্থান সম্পর্কে জানতে পারি ও দেখতে পারি। যদি কোন ভিডিও ধারণ করে থাকেন অবশ্যই শেয়ার করবেন।
যে অসহ্য গরম পড়েছে দিদি, তার ভিতরে এমন মুহূর্ত পড়ে যেন অনেকটাই স্বর্গীয় অনুভূতি কাজ করছিল নিজের ভিতরে। আপনি সত্যিই সৌভাগ্যবতী যে, গুরুডংমার হ্রদ দেখার সৌভাগ্য আপনার স্বচক্ষে হয়েছে। ভালো লাগলো আপনার ভ্রমন কাহিনী পড়ে।
আপনার তোলা ফটোগ্রাফিতেই তো এত সুন্দর দেখছি জানিনা যদি বাস্তবে দেখি তাহলে কতটুকু উপভোগ করব। আপনার কথা মত জায়গাটা অনেক বেশি সুন্দর। আর আমার তো ইচ্ছে করছে এখনই সেখানে পৌঁছাতে। কাশ্মীর যে এত সুন্দর একটা জায়গা সেটা আসলেই জানতাম না। বহুবার শোনা হয়েছে এই কাশ্মীরের সৌন্দর্যের কথা। কখনো যেতে পারবো কিনা জানিনা। তবে আজকের ফটোগ্রাফি গুলোর মাধ্যমে বুঝতে পারলাম। অবশ্যই পরবর্তী পর্বগুলো দেখবো দিদি, ভালো থাকবেন।
পোস্টটি পড়ে বোঝা যাচ্ছে বেশ সুন্দর এবং আনন্দ কোন কিছু সময় কাটিয়েছেন দিদি। আপনার পোস্টের মাধ্যমে অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু জায়গা দেখতে পেলাম। একটি বিষয় আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম আজ যেটা আমার আগে জানা ছিল না। সেটা হল কাশ্মীরকে ভূস্বর্গের দেশ বলা হয়। ধন্যবাদ দিদি এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।