এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি ভাগ করে নিচ্ছি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
বেশ কিছুদিন ধরে বলতে গেলে প্রায় ১৫ দিন ধরে ঘরের বাইরে একেবারেই বেরোনো হচ্ছে না। আসলে এই সময়টা আমাদের একটা সংযমের মধ্যে দিয়ে থাকতে হয় । তারপরেও বাবা-মা প্রতিটা সন্তানের জন্য এত কিছু করে থাকে তাই এই ১৫ টা দিন যে নিয়মের মধ্যে থাকতে হয়, আমার মনে হয় এই পনেরোটা দিন এই বাবা মায়ের জন্য সব কিছুই করা যায় ।যেহেতু একেবারেই ঘর থেকে বেরোনো হচ্ছে না ।তাই লাস্ট তিন চার দিন ধরে একটু ছাদে উঠছি বিকেল হলেই ।
বরাবরই ছাদ আমার ভীষণ প্রিয় ।কারণ আমি যেহেতু জন্মের পর থেকে বাড়ির মধ্যে থেকেই বড় হয়েছি ।সেহেতু যে কোনো সময় আমি ছাদে চলে যেতাম। আর বিকেল হলে তো রোজই যেতাম। সত্যি কথা বলতে ফ্ল্যাট গুলোতে এতটা স্বাধীনতা থাকে না। বাড়ির ছাদগুলোতে যতটা নিজের স্বাধীনতা থাকে ততটা মনে হয় ফ্ল্যাটে থাকে না ।কারণ যে কোনো কাজই করতে গেলে ফ্ল্যাটের মানুষদের কাছ থেকে পারমিশন নিতে হয় ।আর তারপরও ফ্ল্যাটের মানুষদের অনেক সমস্যা থাকে। যেটা তারা খুব একটা সাধারণভাবে নিতে পারেনা। সেই দিক থেকে আমি অনেকটাই নিশ্চিন্ত ছিলাম, যখন আমি বাপের বাড়িতে থাকতাম।
শ্বশুরবাড়িতে আসার পর ফ্ল্যাটের ছাদে আমার খুব একটা ওঠা হয় না ।যেহেতু একেবারেই বাইরে বেরোনো হচ্ছে না তাই আজ ছাদে গিয়েছিলাম । বিকেলের আকাশ দেখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। এটা আমি বহুবার অনেক পোস্টেই বলেছিলাম। রোজই পড়ন্ত বিকেলের আকাশকে দেখলে মনে হয় নতুন নতুন রূপে ধরা দিচ্ছে। কখনোই আকাশকে একঘেয়ে লাগেনি। আর তার সাথে ছাদে অনেকগুলো গাছ ছিল যেগুলো দেখতে আমার কাছে খুব ভালো লাগছিল। সব গাছের নাম আমি সেভাবে বলতে পারবো না।তবুও অনেকগুলো গোলাপ গাছ ছিল ,নয়ন তারা ফুলের গাছ, এছাড়া টগর ফুল, লেবু গাছ এরকম আরো অনেক রকমের গাছ ছিল। ছাদবাগান ব্যাপারটা আমার কিন্তু বেশ ভালো লাগে ।আর তেমনভাবেই আজকে বৃষ্টি পড়ছিল ।তার মধ্যে থেকেই কিছু কিছু ছবি ক্যাপচার করেছি সেগুলোই আপনাদের সাথে ভাগ করে নিলাম ।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
| ডিভাইস | Vivo v23 |
|---|---|
| লোকেশন | (কলকাতা ) |
| ক্রেডিট | @swagata21 |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

জ্বী দিদি ভাই, আপনার উপর অনেক দায়িত্ব এবং আপনি যথেষ্ট আন্তরিকতা এবং ভালোবাসা দিয়ে দাদার পরিবারের সাথে আছেন। আকাশের দৃশ্যগুলো দারুণ মুগ্ধকর ছিলো। ধন্যবাদ
বাবা মার জন্য ১৫ দিন কৃচ্ছতা সাধন খুব বেশি না। বাবা মার ঋণ কখনই শোধ হবার নয়।বেশ কঠিন সময় পাড় করছেন দিদি। এই সময় থেকে দ্রুত যেন বের হয়ে আসতে পারেন সেই কামনা করি। যাইহোক বেশ সুন্দর লাগছে আকাশের ফটোগ্রাফিগুলো। আর আকাশ দেখে কেউ কখনও ক্লান্ত হয় না। আকাশের ভিন্ন ভিন্ন রুপ সকলকে মুগ্ধ করে। ধন্যবাদ সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
প্রথমে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ দিদি। যে আপনি আমাদের মাঝে একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট করেছেন।আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমার কাছে অনেক অনেক ভালো লেগেছে। আর আকাশের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মনে হয়েছে। এইরকম পরিস্থিতিতে বাইরে বের হয়ে আকাশের দিকে তাকালে কতই না ভালো লাগবে।
মা-বাবার কাছে সন্তান যেমন মূল্যবান সম্পদ।ঠিক তেমনি সন্তানের কাছে মা-বাবা ও মূল্যবান।সেই বাবা আজ নেই। সেই বাবার জন্য নিয়মনীতি মানা তেমন কিছু ই নয়।মা-বাবার জন্য অনেক কিছুই করা যায়। আপনি এখন এই পরিবারের অনেক কিছু দিদি।সবাইকে আগলে রাখার, ভালো রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।এভাবেই সারা জীবন সবাইকে নিয়ে সুখে-দুঃখে থাকবেন এটা আমার বিশ্বাস। আপনি আজ ছাদে গিয়ে কিছুটা হলেও মনটাকে শান্ত করতে পেরেছেন।বিশাল সুন্দর আকাশ আর সবুজের মাঝে চমৎকার কিছু সময় কাটিয়েছেন। ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার লেগেছে আমার কাছে।
আপনার শেয়ার করা প্রতিটা ফটোগ্রাফি অসাধারণ সুন্দর ছিল দিদি একদম পুরোপুরি স্বচ্ছ ভাবে উপস্থাপন করেছেন বিশেষ করে আকাশের সৌন্দর্যটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। চমৎকার ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি।
আপনি ঠিক বলছেন আপু মা-বাবারা সন্তানদের জন্য যা করেন ১৫ দিন একটু সংযম থাকা মানে একদম সহজ বিষয় মা বাবার শান্তির জন্য। তারপরে একটু কষ্ট হবে সেটা স্বাভাবিক যেহেতু ঘর বন্দি। জীবন থেকে যে প্রিয় মানুষটি হারিয়ে যায় সেই তুলনায় 15 দিন ঘরে থাকা কোন বিষয় না আমাদের জন্য। যাক অবশেষে আপনি ছাদ বাগানে গেলেন। ছাদ থেকে নেওয়া প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো লেগেছে। তাছাড়াও সুন্দর সুন্দর ফুলের ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন অনেক ভালো লাগলো সবকিছু মিলিয়ে।
বর্তমানে আপনারা বেশ কঠিন সময় পার করছেন বৌদি। যেহেতু এখন বাহিরে যাওয়া হচ্ছে না আপনাদের,তাই বিকেল বেলা ছাঁদে গেলে মনটা একটু ভালো লাগবে। যাইহোক আপনার মতো আমারও ছাঁদ বাগান ভীষণ পছন্দ। তাই আমিও আমার বাসার ছাঁদে বাগান করেছি। ফটোগ্রাফি গুলো এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে বৌদি। বিশেষ করে আকাশের ফটোগ্রাফি গুলো সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বাবা মায়ের জন্য এরকম হাজার হাজার নিয়ম মানতেও কোনো কষ্ট লাগে না। বাবা-মা আমাদের জীবনের অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। ১৫ দিন পর্যন্ত বাহিরে না বের হলেও, শেষে ছাদে গিয়ে কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন শুনে ভালো লেগেছে। ছাদে গিয়ে কিন্তু সময় কাটাতে আমার নিজের কাছেও অনেক বেশি ভালো লাগে। ছাদে নানান রকম ফুল গাছ আছে শুনে খুব ভালো লাগলো। বিকেলবেলায় ছাদে গেলে মনটাও অনেক বেশি ফ্রেশ হয়ে যায়। আপনি ছাদে গিয়ে অনেক সুন্দর করে কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন যেগুলো অনেক সুন্দর হয়েছে দিদি।
এই সমস্যার ভুক্তভোগী আমি নিজেই ছিলাম দিদিভাই।
যাইহোক, আকাশের ছবিগুলো দিদিভাই দারুণ তুলেছেন। তাছাড়া ফুলের ছবিগুলোও সুন্দর হয়েছে।
বাবা মার জন্য আমরা যাই করি সেটা যেন কমই হয়। আসলে তারা সারা জীবন ধরে এত করেছেন সন্তানের জন্য সেটার বর্ণনা ঠিক করা যায় না। তবু এই শোকের দিনগুলোতে মন কেউ একটু স্থির রাখার দরকার পড়ে। আপনি ভালোই করেছেন ছাদে উঠে। তবে একটা কথা ঠিক বলেছেন ফ্ল্যাট বাড়িতে নিজের ছাদ বলে কিছু নেই।এই জিনিসটা একেবারেই ভালো লাগে না আমারও।