হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদেরকে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি সুন্দর একটি ভিডিও নিয়ে। ভিডিওর বিস্তারিত আলোচনা থাকবে এই পোষ্টের মধ্যে।
দুই তিন দিন ধরে বেশ প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হচ্ছে সারা দেশব্যাপী। আর এই বৃষ্টি আমাদের সারাদেশে মানুষের জন্য অমঙ্গল কর হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। কারণ অতিরিক্ত কোন কিছু জিনিস ভালো নয়। টানা দুই রাত বৃষ্টি হওয়ার ফলে আমাদের এখানে অনেক পুকুর ঘাটিয়ে গেছে জায়গায় জায়গায় পানি আবদ্ধ বের হওয়ার পথ নেই। ঠিক এমন অবস্থায় আমাদের পুকুরের পানি যেহেতু ঘাটিয়ে গেছে এক পাশ দিয়ে বের করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে যেন পুকুরে পানি কমানো যায়। কিন্তু পাশের প্রতিবেশীদের বাড়ির পানি চলে আসছে আমাদের পুকুরে সমস্ত পানি একত্রে বের হওয়ার ফলে বড় রিক্স হয়ে গেছে পুকুরের মাছের জন্য। কিন্তু কি আর করার সবার পানি তো বের করতে হবে না হয় এক এক জনার বাড়ি পানি আবদ্ধ হয়ে রয়েছে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পাড়া প্রতিবেশীদের। তাই আমাদের যে পুকুরটায় পানি আবদ্ধ হয়েছে পুকুরের উপর দিয়ে নারিকেল গাছের পাশ দিয়ে একটি ড্রেন তৈরি করা হয়েছে যেন পানি বের হয়ে যায়। আর সেই স্থানে পুকুরের মাছ যেন বের হয়ে না যায় সেজন্য একটি বৃত্তি পেতে রাখা হয়েছে। আমাদের এই পুকুরটা দিয়ে পানি বের হওয়ার ফলে বিভিন্ন প্রকার ছোট মাছ এবং কাঠমাস এমনিতে হয়ে থাকে। মূলত এই পুকুরে আমরা পাঙ্গাস মাছ চাষ করে থাকি। পাশাপাশি রুই তেলাপিয়া জাপানি কাতলা জাতীয় কিছু মাছ দেওয়া থাকে। যাইহোক বৃত্তি পেতে রাখার পরে বেশ কিছু মাছ বৃত্তির মধ্যে পড়েছিল পাশাপাশি ধরা সাপ। সাপ বের করে দেওয়ার পরে মাছগুলো যখন বাড়িতে আনা হল। মাছগুলো দেখে আমার ভাইয়ের ছেলে তো বেশ আনন্দে আট খানা।
গামলার মধ্যে মাছগুলো পাওয়ার পর ভাইয়ের ছেলে মাছগুলো কাউকে দিতে চাচ্ছে না। যখন আমার আম্মা কোটার জন্য তার কাছ থেকে মাছগুলো চাচ্ছিল সে একটা একটা করে মায়ের পাত্র টার মধ্যে দিয়েছিল। কিছু দেওয়ার পরে আর দিবে না আমাকে হেঁটে দিচ্ছে চলে যাওয়ার জন্য। বেশ আনন্দ উপভোগ করছিলাম আমরা সবাই তার এই কার্যকলাপ দেখে। এরপর যে ভিত্তিতে মাছ ধরা হয়েছিল সে বৃত্তিটা তার হাতের কাছে এনে দিয়েছিলাম বলেছিলাম নিজে মাছ ধরে আনো গা,আমাদের মাছ নিয়ে এত মাথাব্যথা করতে হবে না তোমার। সে বৃত্তিটা ঘরের দিকে নিয়ে যাওয়ার চিন্তা করছিল এমন মুহূর্তে বৃত্তিতে লেগে থাকা কাঁদা ভাইয়ের ছেলে রাজের হাতে লেগে গেল। ছোট মানুষ তারপরেও তার হয়তো জ্ঞান মোটামুটি হয়েছে পাশের বালতির মধ্যে পানি থাকায় সেখানে হাত ধোয়ার জন্য চেষ্টা করছে। এদিকে আমি যখন বলছি জামালার মাছগুলো নিয়ে গেলাম দ্রুত হাত ধোয়া শেষ করে আমার কাছে এগিয়ে আসছে মাছগুলো নেওয়ার জন্য।

এরপরে আগে পাওয়া মাছগুলো কোটার কাজ চলছিল ভাবী এবং আমার আম্মার মধ্যে। আমি কি বালের দিকে এগিয়ে এগিয়ে সে সমস্ত মাছগুলো ভিডিওর মধ্যে যুক্ত করে নিলাম। যাহোক আজকে বৃষ্টি হয়নি আলহামদুলিল্লাহ আর বৃষ্টি না হলে হয়তো ভালো হবে আমাদের জন্য। কারণ প্রচন্ড বৃষ্টিতে মাছ উপর দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার ভয় অনেক বেশি যেহেতু ভাটিয়ে গেছিল আর এভাবে মাছ ভাটিয়ে গেলে অনেক লস হয়ে যায় আমাদের। যাই হোক ভিত্তিতে মাছ পাওয়ার আনন্দঘন মুহূর্তটা সত্যি অনেক আনন্দদায়ক ছিল আমাদের। আরশে আনন্দ মুহূর্তটা আপনাদের মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়ার চেষ্টা করলাম এই ভিডিও পোস্ট এর মধ্য দিয়ে।

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

| পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |

মামা আপনি আজকে আমাদের মাঝে দারুন একটি পোষ্ট লিখে শেয়ার করেছেন। আসলে বৃত্তিতে মাছ পাওয়ার আনন্দ অনুভূতি ভিডিওগ্রাফি দেখতে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আসলে আমাদের এলাকায় বিলে যদি পানি হয় সেখানে বৃত্তি পাতলে সত্যি অনেক মাছ পাওয়া যায় এর আগে আমি অনেক মাল ধরেছি এভাবে। পুটি মাছ গুলো দেখতে বেশ দারুন মামা। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
অসাধারণ পোস্ট দেখলাম আজকে ভাইয়া। নিজের হাতের পুকুরে তাঁজা মাছ কজনের ভাগ্যে জোটে। দেখে তো ভাইয়া লোভ সামলাতে পারছি না। ভাইয়া খেতে ইচ্ছে করছে কি তাজা তাজা পুটিমাছ । পুটি মাছের চচ্চড়ি খেতে অন্যরকম স্বাদ। আর আপনার ভিডিও গ্রাফিটা অসাধারণ হয়েছে। আবার নেক্সট টাইম আপনার পুকুরে মাছ দেখা অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
হ্যাঁ কিছুদিন পানি হওয়ায় পুকুর ভাটিয়ে বৃত্তীয় পাতায় মাছ পড়ছে
ভাই প্রথমে আপনার পোস্টের টাইটেলে বৃত্তিতে মাছ পাওয়ার আনন্দ কথাটা বুঝতে পারিনি। পরে আপনার পোস্ট পড়ে কিছুটা ধারণা পেয়েছি, তবে বৃত্তি কিভাবে দিতে হয় বা কিভাবে সেখানে মাছ পাওয়া যায় সে সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই। যাইহোক ভাই অনেকগুলো টাটকা টাটকা মাছ পেয়েছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। আর এই টাটকা টাটকা মাছ গুলো দেখে আপনার ভাইয়ের ছেলে রাজও ভীষণ খুশি হয়েছে। এই মাছগুলো খেতেও নিশ্চয়ই ভীষণ স্বাদ হয়েছিল। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই, সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
কোন এক সময় দেখানো হবে বৃত্তি কিভাবে পাততে হয়