পরিবারকে গাংনী একটি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখানোর পর প্রেসক্রিপশনে বেশ কিছু ঔষধ লিখে দিয়েছিলেন। গাংনী বাজারের ফার্মেসি গুলোতে যখন প্রেসক্রিপশনটা দেখালাম ওষুধের দাম বেশি বলতে থাকলো। শুনেছিলাম গাংনী ফার্মেসির ওষুধ বিক্রেতারা মিটিং করেছে ভোটের আগে সুযোগ বুঝে ওষুধের দাম বাড়িয়েছে এবং যেটা ছাড় ছিল সেই ১০% ছাড়ে আর ওষুধ দিচ্ছে না। এদিকে হেমায়েতপুর বাজার বামুনদি বাজারে ওষুধের দাম ঠিক রয়েছে। তাই গাংনী বাজার থেকে ঔষধ না নিয়ে একদম সন্ধ্যাবেলায় চলে গেলাম বামন্দি বাজারে তামিম ফার্মেসিতে।

Photography device: Infinix hot 11s
Location
প্রথমে আমি তাদের প্রেসক্রিপশনটা দেখালাম। এরপর গাংনী বাজারে ঔষধের দাম যেমন জিজ্ঞেস করেছিলাম ঠিক সেভাবেই জিজ্ঞেস করলাম। তারা ওষুধের দাম বলার পর বলল ১০% ছাড় দিব। যেগুলা বর্তমান গাংনীতে দিচ্ছে না। তখন আমি কিছুই বললাম না যেহেতু গাংনীতে বর্তমান অবস্থা আমার জানা, আর আজকে সেখানে দেখে আসলাম।

Photography device: Infinix hot 11s
Location
এরপর আমি ঔষধ দিতে বললাম। একের পর এক ঔষধ নিয়ে এসে আমার কাছে দিল, আমি দেখতে থাকলাম। যে কোম্পানির প্রয়োজন সেই কোম্পানি ঠিক আছে কিনা।
Photography device: Infinix hot 11s
Location
তারা ওষুধের দাম কম নিলেন। কত টাকা কম নিলেন সেটা আপনারা ফটোটা লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন কিন্তু গাংনীর হিসাবে টোটালের চেয়ে দাম বেশি ছিল। তবে আমার ওষুধ লাগবে এক দেড় মাসের। তাহলে কত লস খেতাম বুঝতেই পারছেন। এখানে ওষুধ নিয়েছি মাত্র পাঁচ দিনের।
Photography device: Infinix hot 11s
location
যাইহোক খুশিমনে টাকা পরিশোধ করলাম আর বিস্তারিত জানার চেষ্টা করলাম এখানে কি ওষুধের দাম বাড়ানো হবে নাকি টেন পার্সেন্ট ছাড় পাব। তোরা খুশি মনে বলে দিল আপনার যখন প্রয়োজন চলে আসবেন সঠিক দাম আমরা ধরবো এক পয়সাও বেশি নেব না। এদিকে ভেবে দেখলাম আমরা প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন বামুন্দির বাজারে এসে থাকি কেন গাংনী বাজার থেকে ঔষধ নিতে যাব। টাকা পরিশোধ করলাম পাশাপাশি তাদের ফার্মেসিতে থাকা দুইটা নরম ব্রাশ নিয়ে চলে আসলাম।
Photography device: Infinix hot 11s
location
মূলত বামুন্দি বাজারে এসেছিলাম শুধু ঔষধ নিতে না। আমার কিছু ইলেকট্রনিক্সের জিনিস প্রয়োজন ছিল, আর সন্ধ্যাবেলায় এখানে ভাপা পিঠা পাওয়া যায়, সেই টানে টানেই চলে আসা। যাইহোক পরিচিত কাফিরুলের ইলেকট্রনিক্স এর দোকানে উপস্থিত হলাম এবং আব্বা আম্মার জন্য দুইটা লাইট চয়েজ করলাম। এবং দুইটা লাইট কিনে নিলাম একটা ১২০ টাকা আর একটা ১৪০ টাকা। অবশ্য গাংনী বাজারে এর দাম জিজ্ঞেস করেছিলাম সেখানে ৩০-৪০ টাকা বেশি বলেছিল।
Photography device: Infinix hot 11s
location
পাশাপাশি আমার সৌর প্যানেলের ৭০/৭৬ তার প্রয়োজন ছিল। আর ব্যাটারি কানেকশনের জন্য হেভি ক্লিপ প্রয়োজন ছিল। কাফেরুলের দোকানে এ জিনিসগুলোর দাম সুলভ মূল্যের পাওয়া যায়,তাই আমরা ইলেকট্রনিক্স এ জিনিস এখানে কেনাকাটা করি। সৌর প্যানেলের এই তার এক গজের মূল্য ৯০ টাকা। বাংলাদেশ বলে কথা। যাইহোক সেখান থেকে গজপতি ৭৫ টাকা করে নিয়েছে তাও আবার আরএফএল কোম্পানি তার। যাইহোক এভাবেই কেনাকাটা সম্পূর্ণ করলাম। ঔষধ বলে আর ইলেকট্রনিক্স এর জিনিস বলেন এই দুইটা জিনিস বাংলাদেশে যে যেমন মিথ্যা বলে বেশি দাম ধরে বিক্রয় করতে পারে। তাই এই বিষয়ে আমাদের অবশ্যই সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। মোটামুটি সমস্ত কেনাকাটার মধ্যে আমি যতটা জানি একশো টাকার বেশি সেভ হয়েছে।
Photography device: Infinix hot 11s
location

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

| পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |
এটাই তো ব্যবসিকদের সব থেকে বড় সমস্যা তারা ইচ্ছা করেই মাঝে মাঝে মানুষদেরকে সমস্যার মধ্যে ফেলে দেয়। এটা জেনে খারাপ লাগলো যে গাংনী বাজারের ব্যবসায়ীরা স্থাপিতভাবে ঔষধের দাম বৃদ্ধি করে দিয়েছে। এমন নিত্য প্রয়োজনীয় একটা জিনিসের দাম বৃদ্ধি করা একেবারেই তাদের ঠিক হয়নি।
বর্তমানে সৎ ব্যবসিকের অভাব হয়ে গেছে দেশের।
ভাইয়া ঔষুধ তো সব কিছু ঠিক দিয়েছে। শুধু শেষের গ্যাসের জন্য যে ট্যাবলেট লিখছে সেটা চেন্জ করে দিয়েছে। তবে কাজ একই। আর তৃতীয় নাম্বার ফিলোফার ঔষুধটা দেখতেছি না। যদি বাদ পড়ে থাকে কিনে নিবেন। ধন্যবাদ।
আমি যেইগুলা চেয়েছি সেগুলাই দিয়েছে ভাই