পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা গুলো আজ আর নেই

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

আজ - বৃহস্পতিবার

২৪ ফাল্গুন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
০৯ মার্চ, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ


আসসালামু আলাইকুম

IMG_20220919_180814129_BURST0001_COVER.jpg




আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আপনাকে স্বাগতম



হ্যালো বন্ধুরা,

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদেরকে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজ আমি আপনাদের মাঝে পাঙ্গাস মাছের বাচ্চার ফটোগ্রাফি নিয়ে উপস্থিত হয়েছে যে পাঙ্গাস মাছ গুলো শীতের আগে ছিল কিন্তু বর্তমানে তিন ভাগের দুই ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। আর এর নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণ এবং তার পেছনে কত খরচ যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করব এই পোস্টে। আশা করি সঙ্গে থাকবেন সবাই।


'আমার বাংলা ব্লগ'
কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট



ফটোগ্রাফি সমূহ:


১ নং ফটোগ্রাফি

আমাদের গাংনী মেহেরপুরের ষোল টাকা ইউনিয়ন পাঙ্গাস মাছ চাষে বিখ্যাত। বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী তিনটা গ্রামে সবচেয়ে বেশি পাঙ্গাস মাছ চাষ করা হয়ে থাকে। তবে এই পাঙ্গাস মাছ চাষ করার অভিজ্ঞতা আমার প্রায় ১৫ বছর এর। তবে পাঙ্গাস মাছ চাষ করে লাভবান ব্যক্তির চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সংখ্যা আমি বেশি লক্ষ্য করেছি। আর এই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পেছনে বিশেষ দুইটা কারণ বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এক হচ্ছে মাছের খাবারের অতিরিক্ত দাম কিন্তু মাছের দাম সেই তুলনায় খুবই কম। দ্বিতীয়ত হচ্ছে শীতের শেষে পাঙ্গাস মাছের ভাইরাস লেগে বড় অংকের টাকা খরচ হয়ে যায় কিন্তু মাছ নষ্ট হয়ে সংখ্যায় কমে যায়। ঠিক তেমনি একটা পর্যায়ে আমাদের এবার পড়তে হয়েছে। যেহেতু শীতের আগে পাঙ্গাস মাছের পোনা বাইরে থেকে এনে মজুদ করতে হয় এবং তাদের বৃদ্ধি করতে হয় বিভিন্ন দামে জাতীয় খাবার খাওয়ায়ে। মাত্র কুড়ি কেজির খাবারের বস্তার মূল্য ১৮০০ টাকা বা ২ হাজার টাকা। ১০ হাজার পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা পিছনে এক বস্তা খাবার মাত্র দুই দিন থেকে আড়াই দিন চলে। তাহলে বুঝতে পারছেন কেমন মূল্যবান খাবার তোদের খাওয়াতে হয়। পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা ভাদ্র আশ্বিন মাসে নিয়ে আসা হয় যশোর চাচড়া থেকে। সব ছোট পুকুরেও রাখা হয় এবং দামি খাবার খাওয়ায়ে আস্তে আস্তে বড় করার চেষ্টা করা হয়ে যা শীত এর পূর্বেই ১০০ গ্রাম দুইশ গ্রাম পর্যন্ত ওজন হয়ে যায়।

IMG_20220919_181328_330.jpg

IMG_20220919_180917_330.jpg

IMG_20220919_180921_432.jpg

IMG_20220919_180926_307.jpg

IMG_20220919_180936_656.jpg

IMG_20220919_180940_637.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp


২ নং ফটোগ্রাফি

অনেকে মনে করে পাঙ্গাস মাছ অতি লাভের মাছ। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি সেই তুলনায় পাঙ্গাস মাছ একটি ব্যয়বহুল ও পরিবার ধ্বংসকারী মাছ। হয়তো অনেকে মনে করবেন এমন কথা কেন বলছি কারণ দীর্ঘদিনের এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এ কথাটা বলছি। যারা এই মাছ চাষ করার আশা করে থাকে অধিকাংশ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায় এমন একটি সময়ে। হয়তো অনেক কষ্ট করে পাঙ্গাস মাছ টিকিয়ে রাখে সারা শীতকাল কিন্তু এরপরে ফাল্গুন মাস আসলে এমন একটি রোগ সৃষ্টি হয় হাজার ট্রিটমেন্ট করে মাছ আর বাঁচানো যায় না। এবার আমার ১০ হাজার বাংলাদেশের বাচ্চা ছিল তার মধ্যে অতি সামান্য বেঁচে রয়েছে। প্রথমেই পুকুরে আনা থেকে খাবার আর ট্রিটমেন্ট এ প্রচুর খরচ হয়েছে সর্বশেষ এই অসুখ হয়ে মারা যাওয়া পূর্ব পর্যন্ত এক লাখের বেশি খরচ। দিনশেষে আজ দেখা যায় সবই লস। যদি এই খরচটা সাধারন মাছের ব্যয় করা হতো তাহলে অবশ্যই নিজের টাকা সহ লাভের অংশ থেকে যেত। তবে আপনাদের মনের মধ্যে একটি প্রশ্ন আসতে পারে কেন এই মাছ চাষ করা হয়? এ মাছ চাষ করা হয় তার বিশেষ কয়েকটা কারণ রয়েছে, যার মধ্যে বড় একটি কারণ এই মাছ পুকুরে যখন চাষ করা হয় তখন এর মধ্যে স্বাভাবিক কিছু মাছ রয়েছে এমনিতেই হয়ে যায়। আর সেই সমস্ত মাছগুলো ফ্রিতে চাষ হয়ে যায়, তবে তা বেশি সম্ভব নয়। তবে সর্ব জাতীয় মাছ হয় না। সিলভার বাটা সহ বিভিন্ন প্রকার মাছ মারা যায় এই মাসের অতিরিক্ত খাবার দেয়ার ফলে। অতিরিক্ত খাবার দেওয়ার কারণে পানি নষ্ট হয়ে যায় তাই। যেহেতু পাঙ্গাস মাছের দুই থেকে তিন বেলা খাবার দেওয়া লাগে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে তেলাপিয়া রুই মৃগেল জাপানি ইত্যাদি জাতীয় মাছগুলো মোটামুটি টিকে থাকে পুকুর অনুযায়ী।

IMG_20220919_175929_281.jpg

IMG_20220919_175932_342.jpg

IMG_20220919_175936_168.jpg

IMG_20220919_175959_616.jpg

IMG_20220919_180002_999.jpg

IMG_20220919_180007_802.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp


৩ নং ফটোগ্রাফি

অন্যান্য মাছের পিছে যতটা খাটাখাটনি করা লাগে না তার চেয়ে বেশি খাটতে হয় পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা টিকিয়ে রাখার জন্য। পুকুরের চারপাশ খুব সুন্দর করে পরিষ্কার করতে হয়, উপরে সুতা টাঙ্গাতে হয় পাখির মুখ থেকে মাছ বাছাতে। প্রতিনিয়ত দুই বেলা খাবার, পুকুরে প্রতিনিয়ত পানি দিয়ে রাখতে হয় এছাড়াও আবহাওয়া খারাপ হলে অক্সিজেন ট্যাবলেট দিতে হয়। খাবারের সাথে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার দিতে হয়, প্রোটিন জাতীয় খাবার দিতে হয় অর্থাৎ অন্যান্য মাছে সপ্তাহে একদিন তাকিয়ে দেখতে হয় কিন্তু পাঙ্গাস মাছের বাচ্চার জন্য প্রতিদিন সর্বদা নজরদারি করতে হয়। তবে এত কিছুর পরেও যদি মাছগুলো টিকে থাকলে তাদের হয়তো মৌন কষ্টটা কম হয়। শীতের সময় মাছ নষ্ট হয় না কিন্তু শেষে হঠাৎ রোগ লেগে নষ্ট হয়ে যায়। যার সমাধান আজও জোটে নাই। পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা খাবার দেওয়ার মুহূর্তে খুবই আনন্দঘন হয়ে থাকে। আর সেই থেকে পাঙ্গাস মাছের বাঁচার সাথে অন্যান্য মাছ বেশ বৃদ্ধি পায়। বড় অংকের টাকা খরচ হয়ে থাকে পাঙ্গাস মাছের বাচ্চার পিছনে। তবে বাজার মূল্য কম হওয়ার পরেও অনেক সময় দেখা যায় লাভ না হলেও নিজের খাওয়াটা লাভ হয়ে থাকে, আর মোটামুটি আসল টাকা ফিরে আসে, আবার দেখা যায় যদি বাজার মূল্য একটু বৃদ্ধি পায় তাহলে কিছুটা হলেও লাভ সৃষ্টি হয়। তবে এভাবে যখন এত সুন্দর মাছগুলো হঠাৎ রোগ লেগে মারা যায় তখন বড় অংশের ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় চাষীদের। প্রতিবছর এই সময় রোগ লেগে মাছ নষ্ট হয়। কিছু কিছু পুকুরে অল্পতেই রোগ ঠিক হয়ে যায় মাছ কম মোরে আবার কিছু কিছু পুকুরের দেখা যায় সম্পূর্ণ মাছ মরে শেষ হয়ে যায়। অনেক মানুষ ধারণা করতে পারেন বাজারে তো পাঙ্গাস মাছের দাম অনেক বেশি থাকে। বাজারে যদি পাঙ্গাস মাছের দাম দেড়শ টাকা কেজি হয় তবে পুকুর থেকে কেনার মুহূর্তে তার দাম থাকে ৯০ টাকার কেজি। বর্তমান পুকুর থেকে পাঙ্গাস মাছের বাজার মূল্য ১৪০ টাকা, শুনেছি বর্তমান স্থানীয় বাজারে ১৬০ টাকায় বিক্রয় হয়। তবে কুকুর থেকে বিক্রয়ের মূল্যটা বেশিদিন স্থির থাকবে না কারণ সব পুকুর এখন পাঙ্গাস মাছ নেই, এখন মাছ চাষে ফেলার সময়। যখন উৎপাদন বেশি হয়ে যাবে দাম একশত এর নিচে চলে আসবে। এদিকে মাছ পুকুর থেকে বিক্রয়ের সময় জেলেদের এক মন মাছে ৫ থেকে ৬ কেজি ঢলন দিতে হয়। এই জায়গায় চাষিরা সবচেয়ে বড় আকারে মার খেয়ে যায়।

IMG_20220919_180039_393.jpg

IMG_20220919_180126_617.jpg

IMG_20220919_180031_454.jpg

IMG_20220919_180027_802.jpg

IMG_20220919_180024_567.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp


৪ নং ফটোগ্রাফি

ফটোগ্রাফিতে হয়তো আপনার অনেক সংখ্যক পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা দেখতে পাচ্ছেন। এগুলো ১০ হাজার পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা ছিল, পাঙ্গাস মাছের বাচ্চা খাওয়ানোর মুহূর্তটা সত্যি খুবই ভালো লাগার মুহূর্ত হয়ে থাকে। আর এমন সুন্দর মুহূর্ত ভালবাসে না এমন মানুষ নেই বললেই চলে কিন্তু যখন মাছগুলো শীতের শেষে রোগ লেগে নষ্ট হয়ে যায় তখন এই মাছ চাষের প্রতি আর কোন প্রকার ভালোলাগা থাকে না মনের মধ্যে। আবার দেখা যায় অনেক চাষী এই ক্ষতিপূরণ করার জন্যই বাকি মাছগুলো চাষে রাখে এবং বেশি দামের খাবার খাওয়ায়ে মাছ বড় করে থাকে। হয়তো মনের মধ্যে একটি আশা থাকে বাজার মূল্য ঠিক পাব। যদি বাজার মূল্য ঠিকঠাক পাওয়া যায় তাহলে ক্ষতিপূরণ সহ কিছু লাভের মুখ দেখতে পাওয়া যায় আর যদি বাজার মূল্য ঠিক না থাকে তাহলে বড় অংকের লস খেতে হয়। আর এ বড় অংকে লস খাওয়ার পেছনে বিশেষ দুইটা কারণ। এক, মাছ নষ্ট হয়ে যাওয়া আর দ্বিতীয়ত মাছের খাবারের মূল্য প্রতি বছর বৃদ্ধি পায়, কখনো কমে না। আর এর মধ্যে আবার আরেকটা দুঃখজনক কারণ থেকে যায় মাছের খাবারের মধ্যে বেশিভাগ ভেজাল থাকে। তবু একটা কথা আছে চাষী তার চাষ কাজ বাদ দিয়ে জমি ফেলে রাখলে তো আর জীবন চলে না। তবে যাই হোক এর মধ্য দিয়ে চাষির জীবন। যেহেতু আমিও পাঙ্গাস মাছ চাষ করে থাকি তবে আমি লক্ষ্য করে দেখেছি পাঙ্গাস মাছ বাদে অন্যান্য মাছে লাভের পরিমাণ কম থাকলেও লস হয় না এবং টেনশন করা লাগেনা। তবে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন পর্যায়ে থেকে কম বেশি টাকা উপার্জন করে পাঙ্গাস মাছ তৈরি করে হয়তো একদিন বড় অংকের টাকা হাতে আসে এই আশায় অনেক মানুষ পাঙ্গাস মাছ চাষ করে থাকে আবার অনেকে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সকল প্রকার বাধা বিপন্ন অতিক্রম করে লাভের মুখ দেখতে পায়। তবে এমন সুযোগ সবার জন্য হয় না। যাই হোক এখন মাছ চাষে ফেলার সময় এসে গেছে দেখা যাক বর্তমান পরিস্থিতি আর ভবিষ্যৎ কেমন হয়। যতটুক সংখ্যক বেঁচে আছে, সেগুলোই চাষে ফেলার চেষ্টা করতে হবে এবং তার সাথে অন্যান্য মাছ দিয়ে চাষ কাজ আরম্ভ করবো ইনশাল্লাহ। আশা করি বুঝতে পারছেন পাঙ্গাস মাছের পিছে কেমন খরচ আর কেমন লাভ আর কোথায় কোথায় লস খেতে হয় চাষী ভাইদের।

IMG_20220919_180119_653.jpg

IMG_20220919_180121_432.jpg

IMG_20220919_180123_719.jpg

IMG_20220919_180136_326.jpg

IMG_20220919_180138_792.jpg

IMG_20220919_180140_681.jpg

Photography device: Infinix hot 11s
সোর্স


received_305654148004402.webp

R6TbvATub8MquGoqJZ4SE2UCpaUQzmNnWQxvJGwvYApXWE4KsVzC8vNNXWgtz7hrfoYPSrjupZgj7VtKhrH935ua1PLs4Vr7KiYnVAy3oD...tCNiac63XNuwJJZPbTjHfGPYJH4BJoHgX8HdohSPrSasKvArV8wiiFV7ntYqz66tLZiqG67BKrPAveZFRs3vaqucpJgsaE3qA6Rwasb2fYDx3U5dXGLwwRdyH8.png


আশা করি,আমার এই পোস্টটি পড়ে আপনি অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন, সেই সাথে নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন। পোস্টটি উপস্থাপনা কেমন ছিল এবং এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কেমন, অবশ্যই কমেন্ট বক্সে আমাকে জানাতে ভুলবেন না। আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইলো।

💌আমার পরিচয়💌


আমি মোঃ নাজিদুল ইসলাম (সুমন)। বাংলা মাস্টার্স ফার্স্ট ক্লাস মেহেরপুর গভমেন্ট কলেজ। আমার বাসা গাংনী-মেহেরপুর। মড়কা বাজার, গাংনী,মেহেরপুর এ গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরি স্কুল নামক প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সহকারি শিক্ষক । ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি মেরামত ও সৌর প্যানেল নিয়ে রিসার্চ করতে পছন্দ করি। প্রাকৃতিক দৃশ্য ফটোগ্রাফি করা আমার সবচেয়ে বড় ভালোলাগা। দীর্ঘদিনের আমি পাঙ্গাস মাছ চাষী এবং বিরহের কবিতা লেখতে খুবই ভালোবাসি।




পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

received_434859771523295.gif

image.png

image.png

আমার পরিচিতিকিছু বিশেষ তথ্য
আমার নাম@sumon09🇧🇩🇧🇩
ফটোগ্রাফি ডিভাইসমোবাইল
ব্লগিং মোবাইলInfinix hot 11s
ক্যামেরাcamera-50mp
আমার বাসামেহেরপুর
আমার বয়স২৬ বছর
আমার ইচ্ছেলাইফটাইম স্টিমিট এর 'আমার বাংলা ব্লগ' এ ব্লগিং করা

zr7XQBzuvvkjgjjPxunUtP5k84gxgWc4mR8PqdBj5rx8AtXSSugGPwSy7JKyM3rgX4k3arRVPC2wT66DqiAYg2UuYrHpE94NCJsYEnjKP7Erbg.png


পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ।

TZjG7hXReeVoAvXt2X6pMxYAb3q65xMju8wryWxKrsghkLbdtHEKTgRBCYd7pi9pJd6nDf4ZPaJpEx3WAqvFVny2ozAtrhFXaDMnAMUAqtLhNESRQveVFZ7XHcED6WEQD48QkCkVTAvNg6.png

Sort:  
 3 years ago 

এটা ঠিক যে পাঙ্গাস মাছ সহজেই বড় হয়ে যায় কিন্তু শীতের সময়ে এই মাছগুলোকে টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। একবার মাছ মারা যেতে শুরু করলে যে কোন পরিবারই খুব সহজেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আবার যদি কারোর কপাল ভালো থাকে তাহলে সে একবার এই পাঙ্গাস মাছ করেই অনেক লাভবানও হতে পারবে।

 3 years ago 

এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.078
BTC 62578.73
ETH 1647.54
USDT 1.00
SBD 0.41