ভিন্নরকম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ১০% 🦊
Main thambail image made by canva by @steem-for-future
আসসালামু আলাইকুম
সবাইকে স্বাগতম #amarbanglablog এ আমার পক্ষ থেকে আমি @steem-for-future .
আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের অনেক অনেক দোয়া এবং সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে আমিও অনেক অনেক ভালো আছি। সকলেই সুস্থ সুন্দর এবং ভাল থাকুন সেই কামনা করি সব সময় এবং সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন আমিও যেন সব সময় সুস্থ সুন্দর এবং ভালো থাকতে পারি।
যাইহোক যদিও ভালোবাসি তারপরেও মনের মধ্যে কেমন একটা অশান্তি যেন কাজ করছে। কেননা বিভিন্ন প্রকার সমস্যা সমাধান করার মধ্য দিয়ে এখন আমি বেশ আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের কাছে ফিরে আসতে পেরেছি। দীর্ঘ বেশ কয়েকদিন আমার পারিবারিক এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে আমি কমিউনিটিতে যথেষ্ট পরিমানে সময় দিতে পারিনি এবং আমার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারিনি। তার জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত এবং আমার শ্রদ্ধেয় @shuvo35 ভাই এর নিকট বিষয়টি জানানোর প্রয়োজন বোধ করি। ইনশাআল্লাহ আগামী দিন থেকে আমি আমার কাজের ধারাবাহিকতা অটুট রাখতে পারব।
| Photography | own | original |
|---|---|---|
| Device | Samsung galaxy f22 | |
| Photographer | @steem-for-future | |
| Category | nature and weather | |
| Location | gazipur bangladesh |
যাইহোক বর্তমানে আমি এখন আমার দেশের বাড়িতে আছি। এবং এর পূর্বে আমি যখন শীতকালীন সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য আমার দেশের বাড়িতে আসি তখন আমি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি সংগ্রহ করি। এবং আমি বেশ কিছু কনটেন্ট আবিষ্কার করি যেগুলো সত্যিই আমার জীবনের স্মৃতিময় হয়ে থাকবে। ঠিকাদার ভাই কতাই আমি বেশ কিছু দিন পূর্বে যখন আমার দেশের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম তখন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাইরে টিপটিপ করে বৃষ্টি হচ্ছিল। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠতে মন চাইছিল না তারপরেও টিপ টিপ বৃষ্টিতে মনটা কেমন যেন নেচে নেচে উঠল। যাইহোক মাথার ওপরে একটা গামছা বিছিয়ে দিয়ে বাহিরে গেলাম।।
টিপটিপ করে বৃষ্টি হচ্ছিল অপরদিকে আকাশের উপর সাইডে ছিল হালকা রংধনু। রংধনু দেখতে অনেক ভালো লাগে এবং তার পরেও আবহাওয়া টা অনেক ভাল ছিল যদিও টিপটিপ করে বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির পরে আবহাওয়া যেমন সুন্দর থাকে ঠিক তেমনি আমি বৃষ্টির পরে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখলাম হালকা রংধনু। অনেক চমৎকার পরিবেশ এবং অসাধারণ সৌন্দর্য নিয়ে প্রাকৃতিক দৃশ্য ফুটে উঠেছিল।।
তবে বেশ কিছুক্ষণ পর আমার চোখে একটি খেজুর গাছ পড়লো। আমি খেজুর গাছের দিকে তাকাতেই দেখতে পেলাম গাছে যে পাত্র রাখা হয়েছে রস সংরক্ষণ করার জন্য সেই রস রাখার পাত্র পুরোটা পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। প্রথমেই আমি মনে করেছিলাম এটি সত্যিই অনেক আনন্দের একটি বিষয় যে এক রাতে এতগুলো রস একটি গাছ থেকে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
তবে আমি যখন খুব ভালো করে গাছের কাছে গেলাম তখন দেখতে পেলাম গাছে এগুলো রস না। সারারাত টিপটিপ করে পানি হবার কারণে গাছের রস এর পাত্র গুলো পানি দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে গেছে এবং রস এবং পানিগুলো একত্রিত হয়ে গেছে। যার কারণে খেজুরের রস রাখার পাত্র গুলো পরিপূর্ণ হয়ে আছে।
একদিকে সারারাত টিপটিপ করে বৃষ্টি এবং যেহেতু শীতকাল ছিল গাছের হালকা রস পড়ার কারণে পাত্র পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যাই হোক তার পরেও দৃশ্যটি কিন্তু অন্যান্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এর দৃশ্য থেকে আলাদা ছিল। সুতরাং ক্যামেরাবন্দি করে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। আশা করছি সকলের ভাল লেগেছে।
পোস্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কমিউনিটি
amarbanglablog
শুধুমাত্র বাংলায় ব্লগিং করার জন্য এই ব্লগ।
Join us on discord server to get good communication
cc
All photography w3w location code
| W3W | whats3world |
|---|---|
| @Steem-for-future | bangladesh |
| Edit | Adobe Photoshop express |
আপনি খুবই অসাধারণ একটি পোস্ট এনেছেন আমাদের মাঝে। খুবই ভালো লাগলো দেখে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো খুবই চমৎকার দেখাচ্ছে। এরকম যখন খেজুর গাছ থেকে রস পড়ে তখন দেখতে খুবই ভালো লাগে এটলিস্ট শীতকালে যখন পড়ে। এত সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
সব সময় চেষ্টা করি আপু আপনাদের সামনে সৌন্দর্য এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ করার। আর তখনই আমার কর্ম সার্থকতা পাই যখন আপনারা সুন্দর মানের মন্তব্য দিয়ে থাকেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য দিয়ে উৎসাহিত করে পাশে থাকার জন্য।
এগুলো সত্যি গ্রামের অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্য। তবে মনে হয় এই দৃশ্যগুলো শীতকালে সবচেয়ে ভালো দেখায়। যদিও আমাদের এখানে খেজুর গাছ তেমন একটা দেখা যায় না। খুব সুন্দর হয়েছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো এবং গ্রাম বাংলার প্রকৃতির প্রাকৃতিক দৃশ্য আপনি সুন্দর ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
মূলত ছবিগুলো ভাই শীতকালে সংগ্রহ করা ছিল। তবে অল্প অল্প করে আপনাদের মাঝে সবসময়ই সৌন্দর্য তুলে ধরার চেষ্টা করি।
আপনার ছবিগুলো দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে। খেজুরের রস ভর্তি পাত্রটা আমার খুব ভালো লেগেছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব সুন্দর উপস্থাপনা ছিল। এভাবে এগিয়ে যান ভাই আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
অনেক চমৎকার একটা দৃশ্য ছিল ভাই। আমার কিন্তু ফটোগ্রাফি করার সময় অনেক অনেক ফিলিংস হচ্ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
গ্রাম বাংলা মানে জানো সৌন্দর্যের আধার। খুব সুন্দর কিছু প্রকৃতির ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাই।বিশেষ করে খেজুরের রস সব হাঁড়িটি দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগতেছে। সাথে আপনার বর্ণনাগুলো মাশাল্লাহ অনেক ভাল ছিল। আসলে কাজের ব্যস্ততা সবারই থাকে ভাই। তবে এই বিষয়টিই আপনি এডমিনদের জানাইছেন জেনে ভালো লাগলো। আশা রাখছি এখন নিয়মিত হবেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে প্রতিনিয়ত আকর্ষিত করে। এবং আমার এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ভালো লাগার বিষয়গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পেরে অনেক অনেক ভালো লাগে।
তবে অবশ্যই ভাই চেষ্টা করব ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করার। ধন্যবাদ আপনাকে সুশ্রী মন্তব্য এবং সাথে থাকার জন্য।
রসের হাড়ি দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি। কিন্তু এর সাথে জল মিশে গেছে। সত্যিই তাই একটু ভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দৃশ্য। ধন্যবাদ।
রসের হাড়ি যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ঠিক সারারাত বৃষ্টি হবার পরে রসের হাড়ি গুলো পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। যদিও এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তবে কৃষকের জন্য কান্নার প্রধান বাহক।
তার পরেও আমি এটিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বলে চালিয়ে দিয়েছি।
আপনার পোস্ট পড়ে খুবই ভালো লাগলো আমার কাছে। অনেক সুন্দর সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে নিয়ে এসেছেন। এইরকম ফটোগ্রাফি বেশিরভাগ মানুষ শীতকালে করে থাকে। খুবই ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে। এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে নিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ।
জি আপু। এ সকল সৌন্দর্য গুলো উপভোগ করতে হলে অবশ্যই শীতকালে র অপেক্ষায় থাকতে হয়। ধন্যবাদ এত সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য দিয়ে পাশে থাকার জন্য।
দীর্ঘদিন পর আপনার কিছু বেশ ক্যামেরার কারুকার্যের ন্যাচারাল ফটো দেখলাম। বেশ ভালই লাগলো । চেষ্টা করুন ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য। শুভেচ্ছা রইল।
জি ভাই সামান্য অসুবিধার কারণে আপনাদের সামনে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল। আশা করছি আপনাদের সামনে এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরো নিয়ে উপস্থিত হতে পারব। এবং কাজের ধারাবাহিকতা সমুন্নত রাখতে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।