গ্রামের বাড়িতে এসে গ্রামে পাট পচানোর অসম্ভব মুহূর্ত
হ্যালো @amarbanglablog পরিবার ও স্টিমিয়ান বন্ধুরা
আশা করছি আল্লাহর অশেষ রহমতে সকলে ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও বেশ খুশি এবং অনেক অনেক আনন্দিত।
কারণ বেশ কিছুদিন হল আমি আমার ছোট ভাই হৃদয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছি। তবে সেখানে উপস্থিত হয়ে অনেক আনন্দ এবং পরিবারের সকলের সঙ্গে অনেক আনন্দঘন একটি মুহূর্ত উপভোগ করছি।
তবে বেশ কিছুদিন হল আমি আমার ব্লগিং কন্টিনিউ করতে পারিনি এবং এটি আমার তৃতীয় দিনের যাত্রা। প্রায় তিনদিন পর আমি পুনরায় আপনাদের মাঝে লিখতে উপস্থিত হলাম।
তবে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে আমি আমার গ্রামের সৌন্দর্যগুলো উপভোগ করতে শুরু করলাম। আমাদের অঞ্চলে বেশ কিছু দিন হল গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে
এমনকি গতকাল যখন বরজাতি হয়ে ছোট ভাইকে বিয়ে করাতে গিয়েছিলাম তখন অনেক বৃষ্টি হয়েছিল এবং বিয়ের বাড়িতে গিয়ে আমাদেরকে কাঁদার ভেতরে অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল। তারপরেও সকলে মিলে অনেক আনন্দ উচ্ছ্বাস করে চমৎকারভাবে ছোট ভাইয়ের বিয়ে সম্পন্ন করি এবং পুনরায় বাসায় ফিরে এসেছিলাম।
বাসায় আসার পরে আমি যখন অনেক কোলাহল ছেড়ে একটু স্বস্তিতে থাকতে চেয়েছিলাম তখন হঠাৎ করে দেখতে পেয়েছিলাম আমাদের পুকুরে পাট পচানোর চমৎকার দৃশ্য।
আমাদের অঞ্চলে প্রচুর পাট আবাদ করা হয়ে থাকে। তবে যখন গ্রামে মানুষগুলো যখন সকালে পাটগুলো পৌঁছানোর জন্য পানির নিচে দিয়েছিল তখন আমি সেখানে উপস্থিত হয়েছিলাম এবং চমৎকার একটি দৃশ্য উপভোগ করেছিলাম।
কারণ আমাদের বাড়ির পাশেই ছোট্ট একটি পুকুর রয়েছে
। হালকা বৃষ্টি হবার কারণে ছোট্ট পুকুরে অনেক পানি জমা হয়েছিল এবং সেখানে কৃষকেরা তাদের পার্টগুলো পৌঁছানোর জন্য পানির নিচে রেখে দিয়েছিল এবং তারা এই কাজ করার সময় আমি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম।
বাড়ির পাশে রয়েছে বিশাল মাঠ। আমি সকালে সেই মাঠের চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেছিলাম এবং তখন ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস বইছিল।
আমি বেশ আনন্দিত হয়েছিলাম। এবং আমার গ্রামের কৃষকরা যখন পাট গুলো পানির নিচে পচানোর জন্য রেখে দিয়েছিল তখন আমি অনেক অনেক বিষয়গুলো উপভোগ করেছিলাম।
কারণ আমি প্রায় ৬ বছর পর এমন চমৎকার দৃশ্য দেখলাম। ঢাকা শহরে থাকি এবং মাঝে মাঝে আমি শুধুমাত্র ঈদ করার জন্য দেশের বাড়িতে বেড়াতে আসি
। তবে বাড়িতে বাড়িতে বেড়াতে এসেও আমি এই সমস্ত দৃশ্যগুলো উপভোগ করতে পারিনি কারণ একই রকম সিজনে অর্থাৎ বর্ষাকালে ঈদ না হওয়ার কারণে।
তবে আমি আশা করছি এবারে আমি অনেক অনেক ভাগ্যবান একটি ব্যক্তি। কারণ ছোট ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে বেড়াতে এসে আমি গ্রামের মানুষ গুলো এমন চমৎকার কাজের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পেরে এবং দৃশ্যগুলো দেখতে পেলে আমি অনেক অনেক আনন্দিত।
আগে পাটের সিজনে গ্রামের বাড়িতে গেলে এরকম দৃশ্য দেখা যেত। কিন্তু খুবই খারাপ লাগতো এর গন্ধ। কারণ পচে গেলে খুব বিশ্রী গন্ধ বের হয়। কিন্তু পাট পচিয়ে পাট এবং পাটকাঠি আলাদা করার প্রসেসটা আসলেই ভালো লাগে। আপনি ঢাকা থাকার জন্য অনেক বছর পরে এই দৃশ্যটি দেখতে পেলেন। এত বছর পর দেখলে ভালো লাগারই কথা। ভালো লাগলো আমারও দেখে।
ঠিক বলেছেন। তবে এই পার্টির গন্ধ কিন্তু আমার বেশ ভালো লাগে। কারণ পাটের পচা গন্ধের মাঝে লুকিয়ে আছে আমার গ্রামের প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্ন। যদিও গন্ধ তবে তার পরেও আমি এটি বেশ উপভোগ করি।
আসলে গ্রামে না থাকলে এই ধরনের প্রাকৃতিক দৃশ্য গুলো দেখার সুযোগ হয় না। ঢাকায় থাকার কারণে এই দৃশ্যটা আপনি ছয় বছর পরে দেখতে পারছেন এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। শুভ সকাল আসলে এই গ্রামে এই ধরনের দৃশ্য গুলো খুব বেশি পরিমাণে দেখতে পাওয়া যায়।
একদম ঠিক বলেছেন ভাই। গ্রামের বাড়িতে না থাকলে এমন মুহূর্তগুলো কখনোই উপভোগ করা যায় না। এবং আমি প্রায়ই ৬ বছর পর চমৎকার এই দৃশ্য দেখতে পেরে আনন্দিত।
গ্রামের বাড়িতে এসে গ্রামে পাট পচানোর অসম্ভব মুহূর্ত গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। দীর্ঘ ছয় বছর পরে আপনি বাড়িতে এসেছেন এই পাট পচানোর সময় তাই এটা আপনি দেখতে পারলেন। এগুলো দেখতে বেশ ভালো লাগে।
আমি আসলে মাঝে মাঝেই বাড়িতে আসি। তবে আমি বিশেষ করে শুধুমাত্র ঈদে বাড়িতে আসি এবং তখন এমন দৃশ্য চোখে পড়ে না। কারণ পাট শুধুমাত্র বর্ষাকালে চাষাবাদ করা হয়ে থাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনার মন্তব্যের জন্য।
কিছু কিছু দৃশ্য শুধু গ্রামীণ পরিবেশ এই দেখা সম্ভব। আপনি গ্রামে গিয়ে পাশের ছোট পুকুরে পাট পচানোর দৃশ্যটি উপভোগ করেছেন জেনে ভালো লাগলো। কিন্তু এর গন্ধটা বেশ উটকো।
আর শহরে থেকে গ্রামকে তো মিস করিই। তবে গ্রামে যাওয়া হয় মাঝে মাঝেই, তখন আমি গ্রামীণ দৃশ্য গুলো খুব উপভোগ করি।
যদিও গন্ধটা অসহনীয় তবে এটি আমার বেশ ভালো লাগে। তবে চাইলেও আপনিও গ্রাম ভ্রমণ করতে পারেন এবং চমৎকারী দৃশ্যগুলো উপভোগ করতে পারেন।
যেহেতু গ্রাম ছাড়া চমৎকার দৃশ্য গুলো উপভোগ করা অসম্ভব সে কারণে আমার মনে হয় গ্রাম ভ্রমণ করলে বিষয়গুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করা সম্ভব।
এই ধরনের গ্রামীণ দৃশ্য গুলো খুবই ভালো লাগে। আমাদের গ্রামেও এক সময় পাট পচানোর খুব সুন্দর সুন্দর দৃশ্য দেখতাম। তবে বর্তমান সময়ে আমাদের গ্রামে পাট চাষ একদম বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলা যায়। কিন্তু আপনাদের গ্রামের দৃশ্য দেখে বেশ ভালো লাগলো। গ্রামে যেয়ে সুন্দর মুহূর্ত দেখলেন সেই সাথে আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখে বেশ ভালো লাগলো।
আপনাদের অঞ্চলে বিলুপ্ত হলেও আমাদের দেশে প্রায়ই পুরো সিজন শুধুমাত্র পাট চাষ করা হয়ে থাকে। তবে একটি ভালো লাগার বিষয় যে এবার গ্রামের বাড়িতে এসে আমি দৃশ্যগুলো উপভোগ করতে পেরেছি।
ধন্যবাদ ফটোগ্রাফি গুলোর উপভোগ করার জন্য।
বর্তমান সারাদেশ জুড়ে কৃষকেরা আজ এই কৃষি কাজে নিয়োজিত। যেহেতু আমরা জানি পাটকে সোনালী ফসল বা বাংলাদেশের অর্থকারী ফসল বলা হয়ে থাকে। তবে বর্তমান পাটের মূল্য নেই যার জন্য কৃষকরা একটু হতাশ। খুব সুন্দর ভাবে আপনি অনেকগুলো ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দারুন বর্ণনার সাথে উপস্থাপন করেছেন এই পাটকে কেন্দ্র করে তাই অনেক অনেক ভালো লাগলো আমার।
একদম ভালো মন্তব্য করেছেন ভাই। কৃষকরা যতোটুকু ইনভেস্ট করে সেখান থেকে কোন লভ্যাংশ পায় না। কারণ প্রতিটি পণ্যের দাম উদগতি থাকলেও পাটের দাম একদম নেই বললে চলে
। কৃষকের খরচ ওঠে না প্রায় এ কারণে সবাই হতাশ।