শৈশব এখন পুরনো স্মৃতি।
আসসালামু আলাইকুম
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ। আশা করছি সকলে ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি
। আবারো আজকে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়ে গেলাম শৈশবের অসাধারণ খেলা কিছু কাহিনী কিংবা গল্প শেয়ার করার জন্য।
শৈশবকাল মানেই আনন্দ খেলাধুলা এবং খাওয়া-দাওয়া এবং সন্ধ্যা লাগার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ার একটা অসাধারণ মুহূর্ত। তবে তবে সময়ের বিবর্তনে এবং এখন আমরা শৈশব কালকে হারিয়ে ফেলেছি এবং জীবনের প্রতিটি লক্ষ্য এখন ধীরে ধীরে টের পাই।
একদম ছোটবেলা ্্। আমার এখনো মনে আছে।
। সকাল বেলা ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করা এবং সকালের নাস্তা করা ছাড়াই বন্ধুদের সঙ্গে চলে যেতাম মার্বেল খেলার জন্য। কোনদিন ফুটবল খেলার জন্য ব্যাকুল হয়ে যেতাম পাড়ার ছেলেমেয়েগুলো।
। যদি বৃষ্টি আসে তাহলে জ্বর কিংবা ঠান্ডা লাগার ভয় ছিল না মনের ভেতরে বিন্দুমাত্র। বৃষ্টি এলেই বন্ধুরা সকলে মিলে এলাকার কাদাযুক্ত রাস্তার ভিতরে নাচানাচি করতাম এবং কাঁদার ভিতর পিসির পিচ্ছিল খেলতাম।
এদিকে মা সকালের নাস্তা করার জন্য খোঁজাখুঁজি করছিল সে বিষয়ে বিন্দুমাত্র লক্ষ্য ছিল না।
। সকাল দশটার দিকে হয়তো বাসায় এসে কোনরকম নাস্তা করে আবার চলে যেতাম রোদের ভেতরে খেলতে।
। গ্রামের মানুষগুলো কত বলতো?!! এদের কি শরীরে অলসতা নাই। ও অমুকের মা() ছদ্মনামে মাকে ডেকে আবার আমার নামে নালিশ করা হতো( মা,।।
কত চমৎকার ছিল শৈশবের দিনগুলো।
। এদিকে মার্বেল কিংবা সাইকেলের টায়ার খেলতে খেলতে কখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে বলতে পারিনা।
। ওদিকে বাড়ি থেকে ছাত্ররা এসে হাতে লাঠি নিয়ে মারার জন্য দৌড়ানি দিত। তখন মার্বেল গুলো হাতে নিয়ে দৌড় দিতাম বাড়ির দিকে কিংবা মাঠের দিকে। তখন বলতো আই মারব না খুব দ্রুত বাসায় যায় এবং পড়তে বয়।।
কিসের পড়া চিন্তা কিংবা কিসের ভয়। খুব দ্রুত কোনরকম হাত-পা ধুয়ে সোজা ইংরেজি বইটা হাতে নিয়ে জোরে জোরে উচ্চস্বরে এ,বি,সি,ডি বর্ণমালা পড়ে পড়ে বাবা মায়েদের সোনার দাম এবং কিছুক্ষণ বলতাম ঘুমে ধরেছে। তখন বাবা মা রাতে খাবার দিত এবং খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম।
দিনগুলোতে ছিল না কোন চাওয়া পাওয়ার বিষয়। ছিলনা কারো প্রতি বিন্দুমাত্র হিংসা কিংবা কারো প্রতি অনুরাগ। ছিল না পৃথিবীর প্রতি মায়া কিংবা ছিল না কারো প্রতি অভিযোগ। ছেলেবেলার সেই দিনগুলো এখন শুধু স্মৃতির পাতায় দোলনায় দুলছে প্রতিনিয়ত।
তবে এখনো যদিও আগের মত সকালের তাড়াহুড়ো করে খেলতে যাওয়া দিনগুলো নেই তবে মাঝে মাঝে বন্ধুদের সঙ্গে সময় পেলে যে কোন খেলাধুলায় লেগে পড়ি। এখন আর হয়তো আগের মতো শরীরে এমন একটা শক্তি নাই দৌড়াদৌড়ি করার। তবে সময় পেলেই বন্ধুদের সঙ্গে একসঙ্গে লুডু কিংবা মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন রকমের গেমস খেলে আনন্দ করতে পারি।
অথবা অবসর সময়ে বিকেলবেলা চায়ের আড্ডা দিতে বেশ ভালোই লাগে এখন। শৈশব কাল হারিয়ে গেলে কি হয়েছে। শৈশবকালের যে বন্ধুগুলো রয়েছে তারা এখনো সেই বন্ধুসুলভ আচরণ করে। ছোটবেলায় যেমন তাদের সঙ্গে মারামারি করতাম ঠিক এখন বড় হয়ে তাদের সঙ্গে একই রকম ভালোবাসায় সম্পৃক্ততা জড়িয়ে থাকি।
মারামারি তো দূরের কথা এখন মুখ থেকে কঠিন কোনো শব্দ বের হয় না। তবে ছোটবেলার সেই কথাগুলো মনে পড়লে এখনো বন্ধুরা মিলে হাসাহাসি করি।
মাঝে মাঝে যখন কয়েকজন বন্ধু এক জায়গায় বসে থাকি তখন সেই ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়। সামান্য একটি মার্বেল খেলা নিয়ে কত মারামারি করেছি। কে আগে দৌড়ে গিয়ে উপরে লাফ দিয়ে কত দূরে যেতে পারে সেই প্রতিযোগিতা এখন আর হয় না। তবে সেই ছোটবেলাকে মনে করে অনেক হাসাহাসি এবং আনন্দ করা হয় এখনো।
মানুষের বয়স স্থির নয়। সালমান এই বয়সে শৈশব থেকে যৌবন যৌবন থেকে বৃদ্ধ এই তিনটি পর্যায়ে মানুষের জীবনের সমাপ্তি ঘটে। তবে এর মধ্যে সবথেকে শৈশবকালে আনন্দ এবং স্মৃতি বিজড়িত দিনগুলো মনে পড়ে সব থেকে বেশি। কেননা শৈশবকালে থাকে না কোন রাগ অহংকার কিংবা মিথ্যা ভালোবাসা কারো প্রতি। সব সময় খেলাধুলা নিয়ে বিজি থাকাটাই এর মধ্যেই ছিল বেশ আনন্দ। তবে দিনগুলো এখন শুধুমাত্র স্মৃতির পাতায় দোলা লাগে। এবং সেই শৈশবের দিনগুলো মনে করিয়ে এখন শুধু বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা এবং হাসাহাসি করাটাই সাজে।
কেননা শৈশবে যে ফিরে যাওয়া কখনোই সম্ভব না!!! 😭
| Photography | original | |
|---|---|---|
| Device | mobile | Samsung galaxy f22 |
| Edit | no | |
| Location | gazipur bangladesh | |
| W3W location | ||
| https://w3w.co/ladder.showdown.elect |
To build the future, we need the memory of the past. Thank you for that ;-))
@weisser-rabe
ধন্যবাদ