কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি আপনাদের দোয়ায় মোটামুটি অনেক ভালো আছি। সকলকে শুভকামনা জানিয়ে শুরু করছি নতুন একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি সারা পিটা তৈরি করা নিয়ে। এই পিঠ অনেকেই চিতই পিঠা বলে চিনে থাকেন। তবে চলুন পিঠা তৈরি করে দেখায়।
| ক্রমিক নম্বর | উপাদান | পরিমান |
| ১. | ময়দা | এক কেজি |
| ২. | চিনি | এক কেজি |
| ৩. | নারিকেল ঝুরি | এক বাটি |
| ৪. | গরম মসলা | চার খন্ড |
| ৫. | মসলা বাকলা | ছয় খন্ড |
| ৭. | লবঙ্গ | ৬ পিচ |
| ৮. | লবণ | পরিমাণ মতো |
| ৯. | পানি | পরিমান মত |
ধাপ 1️⃣
প্রথমে একটি পাকা নারিকেল খুব ভালো করে ছুলে নেয়া হলো। তবে বেশ সাবধানতার সাথেই নারিকেলটা চলতে হলো কারণ তার গায়ের খোসা গুলো পেকে যাওয়ার সাথে সাথে খুব শক্ত করে লেগে যায়।

ধাপ 2️⃣
এবার নারিকেল টা খুব ভালোভাবে ভেঙে নেওয়া হলো দুই ভাগ করে।

ধাপ 3️⃣
এবার একটি কুর্নিশ দিয়ে নারকেলটা ভালো করে কুরে কুরে ঝুরি করে নেয়া হলো। তবে এই বিষয়ে বেশ সাবধানতার সাথেই কাজ করলাম যেন হাত কেটে না যায় পাশাপাশি নারকেল এর মালার অংশ এর সাথে লেগে না যায়।

ধাপ 4️⃣
এদিকে একটি চুলায় উপর একটি পাত্রের মধ্যে দুধ জ্বাল করতে দিলাম। দুধ গরম হয়ে যাওয়ার পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম।

ধাপ 5️⃣
এবার দুধের মধ্যে চিনি গুলো ঢেলে দিয়ে গুলাতে থাকলাম। ভালো করে যেন দুধ আর চিনি একসাথে মিশে যায় তাই অড়ং দিয়ে নাড়তে থাকলাম।

ধাপ 6️⃣
এবার দুধের মধ্যে নারিকেলের ঝুড়িগুলো সব দিয়ে দিলাম। এরপর মসলা জাতীয় উপাদান গুলো দিয়ে দিলাম। আর এভাবেই তৈরি হয়ে গেল দুধ নারিকেলের মিষ্টি খির।

ধাপ 7️⃣
এদিকে ময়দা পানি লবণের সমন্বয়ে ময়দার গুলা তৈরি করে নিলাম। তারপর চুলার উপর মাটির তাওয়া বসিয়ে সেখানে সারা পিঠা অর্থাৎ চিতই পিঠা তৈরি শুরু করে দিলাম।

ধাপ 8️⃣
পিঠাগুলো ঠিকভাবে সিদ্ধ হতে মেটে তাওয়ার উপর একটি মেটে সারা বসিয়ে দিলাম। আর এভাবে পিঠার পিঠা তৈরি হতে থাকলো।

ধাপ 9️⃣
মেটে ছাড়া আর তাওয়ার মাধ্যমে অনেকগুলো পিঠা তৈরি করে ফেললাম।

শেষ ধাপ
এবার সেই মিষ্টি দুধ নারিকেলের ক্ষীরের মধ্যে পিঠাগুলো দিয়ে হালকা গরম করলাম। গরম করা শেষে পিঠাগুলো চুলার উপর থেকে নামিয়ে ফেললাম। আর এভাবেই সম্পূর্ণ হলো আমার মিষ্টি চিতই পিঠা তৈরি।

এরপর পরিবারে আমার ছোট ভাই বোন সহ আব্বা আম্মার সাথে একত্রে এই পিঠা সবাই মিলে খেলাম। আর এভাবেই চিতই পিঠা পরিবেশন সম্পন্ন হল।
পোস্ট বিবরণ
| আমার পরিচিতি | কিছু বিশেষ তথ্য |
| আমার নাম | @simransumon |
| ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল |
| ব্লগিং মোবাইল | itel vision 1 |
| ক্যামেরা | 8mp |
| আমার বাসা | মেহেরপুর |
| আমার বয়স | ২০ বছর |
| আমার ইচ্ছে | আমার বাংলা ব্লগে ব্লগ করা |

ব্লগটি ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।

আমি মোছাঃ সিমরান জারা। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সদস্য সুমন জিরো নাইন এর পরিবার। আমার বাসা গাংনী মেহেরপুর। আমি একজন গৃহিণী। আমি ফটোগ্রাফি এবং রেসিপি করতে বেশি পছন্দ করে থাকি। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করতে ভালো লাগে। আমি এসএসসি পাশ করেছি। গাংনী ডিগ্রী কলেজে অধ্যায়ণরত রয়েছি।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
শীতের সময় চিতই পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা। আর নারকেল দুধ দিয়ে এভাবে রান্না করলে তো কথাই নেই। আপনার রেসিপিটি দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। তৈরি করার ধাপ গুলো খুব সুন্দর ও সহজ ভাবে আমাদের মাঝে দেখিয়েছেন। মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাদের এমন সুন্দর মন্তব্য আমাকে উৎসাহ প্রদান করে
শীতের মৌসুমে পিঠাপুলি খাওয়ার মজাই আলাদা। চিতই পিঠা তৈরির প্রক্রিয়াটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে চিতই পিঠা তৈরিতে নারিকেলের ঝুরি দেওয়াটা আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে। চমৎকার একটি পিঠার রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে খুবই সুন্দর এবং লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। এই তো কিছুদিন আগে আমিও এই রেসিপি শেয়ার করেছিলাম আপনার স্মৃতি দেখেও আবার লোভ হচ্ছে এই চিতই পিঠা খাওয়ার। ধাপে ধাপে এত সুন্দর করে এমন লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপু।
আবার তৈরি করে ফেলেন
শীতকাল মানেই পিঠাপুলির আয়োজন। আর এই পিঠাপুলির আয়োজনে আজ আপনি খুবই সুস্বাদু ও মজাদার দুধ নারিকেলের সমন্বয়ে চিতই পিঠা রেসিপি তৈরি করেছেন। তবে আপু আমরা তো জানি, শুধুমাত্র চালের গুড়া দিয়ে চিতই পিঠা তৈরি করা যায়। ময়দা দিয়েও যে চিতই পিঠা তৈরি করা যায় তা তো জানা ছিল না। যাইহোক আপু, আপনার তৈরি চিতই পিঠার রেসিপিটি দেখি বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই মজার হয়েছে, শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
একদম ঠিক কথা বলেছেন
কি যে লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু মনে হচ্ছে খেয়ে নেই তুলে।অসাধারণ সুন্দর হয়েছে পিঠা গুলো।শীত মানেই পিঠাপুলি আর এরকম পিঠে যদি সামনে বার বার আসে তাহলে তো লোভ ধরে রাখা মুসকিল হয়ে যায়।ধন্যবাদ লোভনীয় রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
এই সমস্ত পিঠাগুলো সত্যি খুব লোভনীয় হয় আপু
শীতকালে চিতই পিঠা খেতে খুবই ভালো লাগে। আমি বাজারে গেলে প্রতি দিন চিতই পিঠা খাবো।তবে বাসার তৈরি করা চিতই পিঠা খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনি নারিকেল দিয়ে খুবই সুন্দর ভাবে চিতই পিঠার রেসিপি শেয়ার করেছেন।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দুধ এবং নারকেলের সমন্বয় তৈরি মিষ্টি চিতই পিঠার রেসিপি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদও ছিল এ ধরনের রেসিপি শীতের মৌসুমে খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। তাছাড়া বেশ কয়েকদিন ধরেই দেখছি কমিউনিটিতে অনেক সদস্য এরকম মজাদার মজাদার রেসিপি শেয়ার করছে, আপনার এই রেসিপি দেখেও বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি লোভনীয় ছিল, শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এখন শীতের সময় এই জন্য দেখতে পাচ্ছেন
দুধ চিতই আমার পছন্দের একটি পিঠ। এটা খেতে আমার খুব ভালো লাগে। আপনার রেসিপি টা দেখে একটু টেস্ট করতে ইচ্ছা করছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
সেই সময় চিতই পিঠা খুব ভালো লাগে আপু