অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি
কয়েকদিনের গরমে একদম বিরক্তিকর অবস্থার ভিতরে পড়তে হয়েছিল। আমি মনেকরি এমন অবস্থাতে এখন কম বেশি সবাই ভুগছে। আর তার মধ্যেও সব থেকে বড় যে ব্যাপার তা হচ্ছে ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকে না। এই বিষয় নিয়ে আসলে নতুন করে কিছু বলার নেই।
কয়েকদিনের টানা গরমে একদম জীবন নাজেহাল হয়ে গিয়েছিল, এখনো যে গরম চলে গিয়েছে তা আমি বলবো না, তবে আবহাওয়া কিছুটা আজ অনুকূলে আছে।
বিশেষ করে গত সপ্তাহের হ্যাংআউটের পরের দিন সকালেই আমি গ্রামে চলে গিয়েছিলাম। কারণ এই গরম তখন অনেকটাই সহ্য সীমার বাহিরে চলে গিয়েছিল। মোটামুটি কয়েকদিন গ্রামে ছিলাম, তখন বেশ ভালোই সময় কেটেছিল, তাছাড়া সেখানে প্রচুর গাছপালা থাকার কারণে সেভাবে গরম অনুভব হয়নি। গ্রামে কয়দিন থাকার পরে আবারো নিজের পুরনো গন্তব্যে এসে হাজির হয়েছি। তবে শহরে আসার পর থেকে গরমে যেন কোন ভাবেই নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিলাম না।
এই কয়েকদিন এতটাই গরম ছিল যে, প্রতিনিয়ত মেঝেতে গড়াগড়ি করতে হয়েছে। দিনে যে কয়বার করে গোসল করেছি আর কত লিটার করে যে পানি খেয়েছি, তা হিসেবের বাইরে। আজকে সকাল থেকেও আবহাওয়া বেশ ভালই উত্তপ্ত ছিল। যেহেতু প্রতিনিয়ত ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে, তাই বিদ্যুৎ থাকলেই চেষ্টা করি, যখনই সময় পাই তখনই চার্জার ফ্যানটাতে চার্জ করে নেওয়ার জন্য। খুব একটা প্রয়োজন না পড়লে, বাসার বাহিরে বের হই না বললেই চলে।
যেহেতু বাইরের তাপমাত্রা সকাল থেকে বেশ ভালই বেশি ছিল আর সঙ্গে বিদ্যুৎ প্রচুর বিরক্ত করছিল, তাই বিছানার উপর থাকাটা প্রায় দুরূহ হয়ে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল যেন বিছানা দিয়েও তাপ ছড়াচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে মেঝেটা আবারো ভালো ভাবে হালকা পানি দিয়ে মুছে ফেললাম এবং মেঝেতে বালিশ রেখে বালিশের পাশেই ছোট চার্জার ফ্যানটা সেট করলাম,অতঃপর পুরো দিনের বেলার সময়টা মেঝেতে শুয়ে শুয়েই কাটিয়ে দিলাম।
বিকেলের দিকে যখন ঘরের বাইরে অল্প সময়ের জন্য বেরিয়েছিলাম, তখন হঠাৎই দমকা হাওয়া যেন মুখে এসে লাগলো। একটা ভিন্ন রকম শীতলতা কাজ করছিল নিজের মাঝে। ভালোভাবে আকাশের দিকে তাকানোর চেষ্টা করলাম। মুহূর্তেই পুরো আকাশ যেন কালো মেঘে ঢেকে গিয়েছে। বারবার দমকা হওয়া যেন বইতে শুরু করেছে। এই লক্ষণ, এমন পরিস্থিতিতে আসলেই ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বুঝে ওঠার আগেই ছিটেফোঁটা বৃষ্টির পানি শরীরে স্পর্শ করল। অনেকটাই ভিতর থেকে শীতলতা বোধ করলাম। মুহূর্তেই যেন পরিবেশ ঠান্ডা হয়ে যেতে লাগলো। অদ্ভুত রকম প্রশান্তি নিজের ভিতরে কাজ করছিল। আহা পুরো উত্তপ্ত শহরটা যেন ঠান্ডা হয়ে যেতে লাগলো। ক্রমেই বৃষ্টির পরিমাণ বেড়ে যেতে লাগলো, এটার খুবই দরকার ছিল। হয়তো কত যে আকুল প্রাণ এই বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করছিল, তার আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আজ হয়তো রাতে বিদ্যুৎ গেলেও খুব একটা অসুবিধা হবে না, কারণ আবহাওয়া অনুকূলে আছে। অন্তত রাতের বেলা ঘুমিয়ে কিছুটা হলেও আরাম পাওয়া যাবে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1699694130304372829?t=9iQzAt2SnfhTVZ1pwV0b2g&s=19
ঠিক বলছেন ভাইয়া গরমে আমাদের দিকেও সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। তবে গ্রামে আছি বলে রক্ষা পাচ্ছি অনেকটাই। শহরে তো দম ফালানোর সুযোগ নেই। কারেন্ট চলে গেলেই যেন বিপদ! তবে ব্যাকআপ হিসেবে চার্জার ফ্যান রেখে ভাল করেছেন ভাইয়া। আবহাওয়া এখন অনেকটাই অনুকূলে। দেখা যাক কয়দিনই বা থাকে।
আমিও চাচ্ছি ভাই, এই আবহাওয়া কিছুটা দিন অন্তত অনুকূলে থাকুক।
আসলেই ভাই বেশ কয়েকদিন প্রচুর গরম পড়েছিল। রোদের জন্য তো বাহিরে যেতেই ভয় লাগতো। এই গরমে জনজীবন একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে বৃষ্টির দেখা পেয়ে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো। আমার মনে হয় প্রতিদিন অল্প কিছুক্ষণের জন্য বৃষ্টি হলেও বেশ ভালো হতো। তাহলে স্বস্তিতে দিন কাটানো যেত। আশা করি এমন আবহাওয়া বেশ কয়েকদিন থাকবে। যাইহোক পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
এমনটা প্রত্যাশা আমিও করছি ভাই, এমন আবহাওয়া আরও কিছু দিন থাকুক।
গত কয়েকদিন যাবত প্রচুর পরিমাণে গরম পড়ছিল আর তার সাথে বিদ্যুৎ তো থাক ছিলই না। অবশেষে বৃষ্টি যেন আমাদের সকলের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসলো। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি ঠান্ডার দিনে বিদ্যুৎ সংযোগ খুব ভালো থাকে।
এটা কিছুটা হলেও যৌক্তিক বলেছেন, ঠান্ডার দিনে আসলেই বিদ্যুৎ তুলনামূলক বেশি থাকে।