লাইট হাউস ক্যাফেতে কিছু সময়
সন্ধ্যের ঠিক আগ মুহূর্তেই চলে গিয়েছিলাম লাইট হাউস ক্যাফেতে। এই ক্যাফেটা বিগত সময়ে ছিল অন্য জায়গাতে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের বিগত অবস্থান পরিবর্তন করে, আমরা যে জায়গাটা তে থাকি, তার খুব সন্নিকটেই তারা আবার নতুন করে ক্যাফেটা চালু করেছে।
মূলত আগে যেখানে তাদের লোকেশন ছিল, সেখানেও আমরা বিগত সময়ে গিয়েছিলাম, তবে ঐ জায়গাতে তাদের আসলে জায়গার সংকুলান হচ্ছিল না, এজন্যই তাদের এই নতুন অবস্থান।
চতুর্থ তলা একটা ভবনের একদম সর্বোচ্চ উপরের ফ্ল্যাটটা তারা ব্যবহার করেছে ক্যাফের জন্য। লোকজন যেন এই শহুরে পরিবেশে পুরো পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে বেশ ভালোভাবে আনন্দঘন সময় কাটাতে পারে, তার জন্যই তাদের এই আয়োজন।
আর মূলত আলোকসজ্জা ও দেয়াল পেইন্টিং করে তাদের পুরো রেস্টুরেন্টের ডেকোরেশন করা হয়েছে। রেস্টুরেন্টের নামের সঙ্গে ভিতরে পরিবেশের অনেকটাই সাদৃশ্য আছে। যেদিকেই চোখ যাবে শুধু রং বে রঙের আলোকসজ্জা।
আজ বাইরে বেশ গরম পড়েছিল, কোন রকমে যখন রেস্টুরেন্টে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলাম। তখনো আমাদের পেট ভরাই ছিল, আসলে বাবুর জন্যই যাওয়া। বুঝতে পেরেছিলাম ওর আসলে ক্ষুধা লেগেছে, দীর্ঘ সময় আমাদের সঙ্গে বাহিরে ঘোরাফেরা করে।
আমাদের নিজেদের জন্য খুবই হালকা জাতীয় খাবার অর্ডার করেছিলেন। তাছাড়া এদের খাবারের ভিন্নতা আহামরি তেমন কোন কিছু না, অন্যান্য রেস্টুরেন্টে যে খাবারগুলো পাওয়া যায়, এখানেও তার ব্যতিক্রম কিছু নয়। বাবুর জন্য লাচ্ছি আর সম্ভবত চিকেনের কোন এক আইটেম নিয়েছিলাম আর আমাদের জন্য ছিল লেমনেড।
যেহেতু অতিরিক্ত গরম লেগেছিল, তাই এসির ঠান্ডা হাওয়ায় বসে বেশ ভালই উপভোগ করছিলাম সন্ধ্যেকালীন সময়টা। ঘন্টাখানিক সময় এভাবেই কাটিয়ে দিয়েছিলাম সেখানে। বলা যায় অনেকটা সময় আলোকসজ্জার ভিন্নরকম রুপ দেখলাম সেখানে।
যাইহোক আমাদের এই ক্যাফেতে কাটানো মুহূর্তের উপর ভিত্তি করে, একটা ভিডিও বানানোর চেষ্টা করেছি,তা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম।
ধন্যবাদ সবাইকে
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1693204326595055939?t=E-hN4wKKsNv5vQhrZg1-ZQ&s=19
বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য এসব রেস্টুরেন্ট গুলোতে যাওয়া যা হয়ে থাকে । এসব জায়গায় গেলে ওরা কিছু খাক আর না থাক খুব খুশি হয় । আমার ছেলেও রেস্টুরেন্টের জন্য সবসময়ই বায়না ধরে । লেমনেড খেতে কিন্তু আমার কাছেও অনেক ভালো লাগে এই গরমের ভিতরে । চারদিক দিয়ে যে লাইটিং করা সেটা রেস্টুরেন্টের ভেতরের আলো টা দেখেই বোঝা যাচ্ছে ।পরিবার নিয়ে ঘুরতে গিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো ভাইয়া ।
এটা ঠিকই বলেছেন আপু, বাচ্চারা আসলেই খুব খুশি হয় এমন খোলামেলা পরিবেশে সময় কাটালে। আপনার বাচ্চাদের জন্য, শুভেচ্ছা রইল।
পরিবার নিয়ে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন ভাইয়া। পরিবার নিয়ে এরকম সুন্দর জায়গায় সময় কাটাতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। বাবু অনেক খুশি হয়েছে। মাঝে মাঝে ভিন্ন কোন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সত্যিই ভালো লাগে ভাইয়া। আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
বাচ্চারা এ সব জায়গায় যেতে খুব পছন্দ করে। এবং অন্য রকম পরিবেশে গেলে বাচ্চারা কিছু হলেও
খাওয়া দাওয়া করে। বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন পরিবার নিয়ে লাইট হাউস ক্যাফেতে। এভাবে মাঝে মাঝেই বেড়িয়ে পরা দরকার সকলের। পোস্টটা পড়ে বেশ ভালো লাগলো ভাইয়া।
ধন্যবাদ আপু আমার অনুভূতি বুঝতে পারার জন্য।
লাইট হাউস ক্যাফে নামটি শুনতেই মনে হচ্ছে এই ক্যাফেতে বর্ণিল রঙের খেলা দেখতে পাওয়া যাবে। ঠিক তেমনটাই দেখলাম ভাইয়া আপনার পোস্টের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। আর এই রেস্টুরেন্টের ডেকোরেশনটাও খুব সুন্দর। একদম সাজানো গোছানো ও পরিষ্কার পরিপাটি। যেহেতু আপনারা এত সুন্দর একটি রেস্টুরেন্টে সময় কাটিয়েছেন সেহেতু আপনাদের সময়টা খুবই উপভোগ্য ছিল বেশ বুঝতে পারছি। ভাইয়া আপনি মাঝে মাঝেই পুরো পরিবার সহ বাইরে ঘুরতে যান এবং রেস্টুরেন্টে মুখরোচোক খাবার খেয়ে সুন্দর সময় অতিবাহিত করেন তা দেখে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনাদের কাটানো সুন্দর সময় টুকু আমাদের মাঝে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
কর্মব্যস্ত জীবনে, মাঝে মাঝে প্রশান্তি ফিরে নিয়ে আসার জন্যই, এমন আয়োজন করা ভাই।
বাহ্! রেস্টুরেন্টের নামের সাথে ভিতরের ডেকোরেশন এর বেশ মিল রয়েছে। ভিতরে পরিবেশটা একেবারে চাকচিক্যে ভরা। চতুর্দিকে শুধু লাইটিং আর লাইটিং। ভিডিওটা দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। শায়ান বাবু তো বেশ এক্সাইটেড লাচ্ছি খাওয়ার জন্য। এমন জায়গায় সময় কাটাতে সত্যিই দারুণ লাগে। সব মিলিয়ে পোস্টটি খুবই ভালো লাগলো ভাই। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এটা সত্য, বাবু খুবই খুশি ছিল সেই সময়। ধন্যবাদ ভাই, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
গোবিন্দগঞ্জে এত সুন্দর একটি রেস্টুরেন্ট আছে আপনার পোস্ট টি না পড়লে জানতেই পারতাম না। তাদের ইন্টেরিয়র টা খুবই ভাল লেগেছে আমার।আর এসব চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোর মেন্যু সাধারণত একই রকম হয়। ধন্যবাদ সুন্দর রেস্টুরেন্ট এর সুন্দর রিভিউ শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া রেস্টুরেন্টটা অনেক বড় আর সাজানো গুছানো। বাহিরে ঘুরা ফেরা করে হঠাৎ এসি রুমে প্রবেশ করলে মনে হয় জান্নাতে প্রবেশ করেছি। যেহেতো প্রচন্ড গরম ছিল তাই ঠান্ডা জাতীয় খাবার খাওয়াই ভালো। ধন্যবাদ।