কিছু কিছু শখ দেখলে ভালোই লাগে
আজকের ঘটনাটি গতকাল যখন শহরের অফিস থেকে ফিরছিলাম গ্রামের চেম্বারে ঠিক সেই সময়কার। আসলে শহরের অফিস থেকে ফেরার সময়, আমি মূলত সিএনজিতে গ্রামের চেম্বারের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এবং সেই যাত্রাপথে প্রতিদিন অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হয় এবং বিভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতা হয়। যেটা আমি অধিকাংশ সময় আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করি।তবে গতকালকের অভিজ্ঞতাটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন, আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
যাইহোক গতকাল যখন সিএনজিতে আমি উঠলাম। দেখা গেল একটু পর একসঙ্গে অনেকগুলো লোক চলে এসেছে এবং তাদের ভিতর একটা ছোট বাচ্চা ছিল এবং তার হাতে একটি আমি কবুতর দেখতে পেলাম । আসলে প্রথম আগ্রহ কবুতরকে দেখে আমার হয়েছে।আমি বিগত সময়ে বলেছি যে, আমি প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ এবং প্রকৃতির জীববৈচিত্রের প্রতি আমার একটা আলাদা আগ্রহ কাজ করে প্রতিনিয়ত। তাই সেই আগ্রহের জায়গা থেকে আমি চেষ্টা করেছি,সেই বাচ্চা ছেলের সঙ্গে অনেকটা কথা বলার জন্য এবং কথা বলার পর যেটা জানতে পেরেছি, সেটা শুনে আমি মোটামুটি বিস্মিত হয়ে গিয়েছে।
শুনে খুব ভালো লাগলো যে, সেই বাচ্চা ছেলে নাকি ছোটবেলা থেকেই কবুতর পোষার প্রতি তার আগ্রহ কাজ করে। এবং তার বাড়িতে অনেকগুলো কবুতর আছে । আসলে তার নতুন একটা মেয়ে কবুতরের জন্য একটা ছেলে কবুতরের দরকার। এজন্য সে আজকে এই লকডাউনের ভিতরেও বাজারে এসেছে এবং বাজার থেকে অবশেষে কবুতর কিনে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।যদিও আমার একটা সময় কবুতর পোষার প্রতি খুব আগ্রহ ছিল কিন্তু বাস্তবতার কারণে সেই গুলো আর কি পূরণ হয়ে ওঠেনি। যাইহোক তবে মানুষের এরকম শখ দেখলে আমার ভালই লাগে ।
কবুতর খুব পোষ মানা একটি অতিথি পাখি।আমারও খুব ভালো লাগে প্রকৃতির কোনো জীব পুষতে।কিন্তু যদি কোনো কারণে এইসব নির্বাক জীবটি মারা যায় তখন মৃত্যুর চেয়ে বোধ হয় বেশি যন্ত্রণাদায়ক মনে হয়।ধন্যবাদ ভাইয়া।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
কবুতর খুব সহজেই পোষ মানে এবং এটি অনেক সহজেই লালন-পালন করা যায়। আমারও ছোটবেলা সখ ছিল কিন্তু কখনো কবুতর কিভাবে পালন করা হয়নি।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।