অবস্থা জগাখিচুড়ি
স্থানীয় এলাকায় যে ডিগ্রি কলেজ আছে, সেটি কয়েক বছর আগে সরকারি হয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে আনন্দের সংবাদ। তবে দুঃখের বিষয় হলো—দীর্ঘদিন ধরে কলেজ সরকারি হওয়া সত্ত্বেও সেখানে এখনও শিক্ষা কার্যক্রম চলছে সেই পুরনো ডিগ্রি সিস্টেমে। নেই কোনো সরকারি শিক্ষক, নেই অনার্সের নতুন শিক্ষা কার্যক্রম।
তার থেকেও আরও ভয়াবহ অবস্থা হলো কলেজে যাওয়ার রাস্তা। এই রাস্তার বাস্তব চিত্র যদি স্বচক্ষে দেখতেন, তাহলে আপনার মনে হতো শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিদিন যুদ্ধ করে কলেজে যাতায়াত করে।
ক্ষমতা বদল হয়, জনপ্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত আশা–প্রত্যাশা দেন, কিন্তু বাস্তবে কাজের বাস্তবায়ন হয় না। এই প্রান্তিক অঞ্চলে যদি তরুণ প্রজন্ম বেশি শিক্ষিত হয়ে ওঠে, তাহলে তো জনপ্রতিনিধিদের পিছনে লোক কমে যাবে। আর জনপ্রতিনিধির পিছনে সাধারণত থাকে কলেজ কিংবা অনার্সপড়ুয়া ছাত্ররাই।
গতকাল অনেক দিন পর স্থানীয় সরকারি কলেজ এলাকায় গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে রাস্তার অবস্থা দেখে যেমন হতাশ হয়েছি, তার থেকেও বেশি ব্যথিত হয়েছি জেনে যে, কলেজে কোনো সরকারি শিক্ষক নেই।
মানেটা দাঁড়ায়—স্থানীয় এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা নাজুক ও তরুণ প্রজন্মকে অজ্ঞ রাখার জন্য যেটা করা দরকার, তা খুব সুকৌশলে প্রতিনিয়ত করা হচ্ছে। এটা হয়তো কারও নজরে পড়ছে, আবার কারও পড়ছে না।
তাছাড়া সবাই তো জনপ্রতিনিধিদের গুণগান করতেই ব্যস্ত। সব মিলিয়ে পুরো অবস্থা একদম জগাখিচুড়ি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
সরকারি কলেজে সরকারি শিক্ষক নেই এটা কেমন কথা। তাছাড়া কলেজের রাস্তা এতো খারাপ হওয়াটা একেবারেই কাম্য নয়। সবমিলিয়ে তো দেখছি আসলেই জগাখিচুড়ি অবস্থা। জনপ্রতিনিধিদের উচিত এসব ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
কলেজটা বিগত ৫ থেকে ৭ বছর হচ্ছে, সরকারি হয়েছে ভাই, তবে নোংরা সিস্টেমের কারণে এখনো পুরনো শিক্ষকরাই থেকে গিয়েছে।