বাহ্ জীবন বাহ্ , তুমি এতো সুন্দর কেনো ?
হঠাৎ সকালবেলা যখন মোবাইলে এলার্মটা বাজছিল। মনে হচ্ছিল যেন ঘুম থেকে উঠে, মোবাইলটা আছাড় মেরে ভাঙ্গি। কারণ মাঝে মাঝে মেজাজ খুব একদম গরম হয়ে যায়। একটু শান্তিতে ঘুমাচ্ছিলাম হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেল।অতপর নিজের মনকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম , কারণ আমাকে যেতে হবে কর্মস্থলে ।এখন ঘড়িতে বাজে আটটা, দশটার মধ্যে আমাকে শহরের কর্মস্থলটা খুলতে হবে। তাই আমাকে দেরি করলে চলবে না।কোন মত সবকিছু সামলিয়ে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেলাম।
বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত শহরের চেম্বারে কমবেশি রুগীকে সার্ভিস দিয়ে, অবশেষে 5 টার ভিতরে আবার গ্রামের চেম্বারে চলে আসলাম। কারণ এখানেও কিছু রুগীর সিরিয়াল নেওয়া আছে। যাইহোক নিজেকে আবারও মানসিকভাবে প্রস্তুত করে ফেললাম। এমনিতেই সারাদিন শহরের চেম্বারে প্রচুর পরিশ্রম গিয়েছে যার কারণে ভাবছিলাম যে গ্রামের চেম্বারে গিয়ে বিশ্রাম নেব কিন্তু তা আর হয়ে উঠলো না।গ্রামের চেম্বারে যখন আমি শেষ রুগীটা দেখলাম, তখন মোটামুটি ঘড়িতে রাত্রি সাড়ে আটটার বেশি সময় হয়ে গিয়েছে।ঘড়ির দিকে তাকাতেই মনে পড়ে গেল, সাড়ে নয়টায় আমার মিটিং আছে। অবশেষে তার তড়িঘড়ি করে কোনোমতে রুগীটাকে সার্ভিস দিয়ে বিদায় করার পরে । সবকিছু পরিষ্কার করে গুছিয়ে নিতে নিতে 9 টা বেজে গেছে। অতঃপর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম, ড্রাইভারকে বললাম যত তাড়াতাড়ি পারো , গাড়িটা চালিয়ে যাও।
ব্যাগ থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজারটা বের করে, মোটামুটি কমবেশি সব জায়গাগুলোতে স্যানিটাইজ করে বাড়িতে ঢুকে পড়লাম এবং তারপরে কাপড়চোপড় খোলার সময় নেই । অতঃপর শখের নতুন হেডফোনটা বের করে মাথায় লাগিয়ে বসে পড়লাম জায়গামতো। তারপর একটানা দু'ঘণ্টার বেশি সময় চললো সাপ্তাহিক হ্যাঙ্গআউট। বাহ্ জীবন বাহ্ , তুমি সত্যিই অনেক সুন্দর। বি:দ্র: এমনটা কমবেশি প্রতি বৃহস্পতিবার রাতেই হয় । ধন্যবাদ।
দাদা হেডফোনে আপনাকে দারুণ মানিয়েছে।ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
গতকাল এতো ব্যস্ততার মধ্যেও আপনি হাংআউটে আমাদের সময় দিয়েছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
দারুন আনন্দঘন মুহূত ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ ভাই এতো সুন্দর পোস্ট তুলে ধরার জন্য।
ভাই তো দেখি একদম তামিল হিরো। গোঁফ টা কিন্তু দারুন হয়েছে। হাসিটাও মারাত্মক
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।