পরমাণু জীবন
দিন দিন পৃথিবীর মানুষের জীবনযাত্রা ভীষণ অণু থেকে আরও পরমাণু হয়ে যাচ্ছে। যৌথ পরিবারগুলো সেই কবেই ভেঙে একক পরিবারে রূপান্তরিত হয়েছে, তা বলার আর অপেক্ষা রাখে না।
তার থেকেও বড় অপ্রিয় সত্যটি হচ্ছে, একক পরিবারের মাঝেও ক্রমাগত ফাটল ধরছে। বলতে গেলে, বিচ্ছিন্ন সবাই— অনেকটা যে যার মতো করে থাকতে যেন সবাই বাধ্য হচ্ছে নতুবা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। এজন্যই হয়তো লেখার শুরুতে “পরমাণু” কথাটি লিখেছি।
পরিস্থিতি আসলে কখন, কোন দিকে, কিভাবে গড়াবে— তা বলা মুশকিল। কেউ কি আর ইচ্ছা করে বিচ্ছিন্ন হতে চায়? মোটেও না।
থাক সেসব কথা। বহুদিন হলো মায়ের সঙ্গে দেখা নেই। গত দুদিন ধরে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারছি না। বাস্তবতার নির্মম জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে, মায়ের সঙ্গে অনেকটাই দূরত্ব তৈরি হয়ে গিয়েছে।
যেহেতু অন্যত্র থাকি, তাই প্রতিনিয়ত মায়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয় না। তাছাড়া নিজেরও কর্মজীবন কিংবা পারিবারিক ব্যস্ততা তো আছেই। সব মিলিয়ে এক মিশ্র রকম পরিস্থিতি।
এই যে অনিদ্রা, অহেতুক চিন্তা কিংবা মনের মধ্যে খচখচ— তা হয়তো মায়ের সঙ্গে দেখা না হওয়ার কারণেই। যদিও মুঠোফোনে টুকটাক কথা হয়, তবে সেই কথায় কি আর মন ভরে? তাই হয়তো সব রকম পিছুটান, ব্যস্ততা বা দায়িত্বকে কিছুটা ছুটি দিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি।
জানি, এ যাত্রায় আমার পুরোপুরি মন ভরবে না। তারপরেও খানিকটা সময় মায়ের সঙ্গে দেখা করে যতটুকু প্রশান্তি পাওয়া যাবে— সেটাই বা কম কিসের !
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
কেউ আসলেই ইচ্ছে করে বিচ্ছিন্ন হতে চায় না। কিন্তু পরিস্থিতি আমাদেরকে বাধ্য করে বিচ্ছিন্ন হতে। তবে একসাথে সবাই মিলেমিশে থাকার মতো আনন্দ আর কিছুতেই নেই। যাইহোক আন্টির সাথে দেখা করতে গিয়েছেন,জেনে খুব ভালো লাগলো ভাই। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এখন যখন আপনার মন্তব্য পড়ছি, তখন আবারো ফিরে এসেছি মায়ের কাছ থেকে, যদিও স্বল্প সময় ছিলাম, তবে দারুণ কেটেছিল পুরো সময়টা।