ফিরে দেখা
ব্যানার ক্রেডিটঃ @hafizullah
জীবনের ফেলা আসা স্মৃতিগুলোকে যখন একটু নেড়েচেড়ে দেখার চেষ্টা করা যায়, তখন আসলে স্মৃতির পাতায় অনেক কিছুই ভেসে ওঠে আর সেই তালিকায় যদি পছন্দের কাজটির কথা নিয়ে আলোকপাত করা যায়, তাহলে হয়তো দুটো কথা একটু এমনিতেই বলতে ইচ্ছে করে।
পেশাদার সঞ্চালক আমি আগে কখনোই ছিলাম না। বলতে পারেন গুছিয়ে দুটো কথা বলতে পারার অভ্যাসটা অনেক আগে থেকেই ছিল। হয়তো সেটা ছাত্র জীবন থেকেই নতুবা পরবর্তীতে যে পেশায় যুক্ত ছিলাম, হয়তো সেখানে সরাসরি সবরকম মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হতো বিধায় দুটো কথা গুছিয়ে বলার প্রবণতাটা তৈরি হয়ে ছিল।
তবে কখনো ভাবি নি যে, এই প্রবণতা একটা সময় আমাকে নতুন একটা কর্মের দিকে ধাবিত করবে এবং যেটার মাধ্যমে আমার রুজি রোজগারের ব্যবস্থা হবে। সব মিলিয়ে এই ঊর্ধ্বগতির দ্রব্যমূল্যের বাজারে খেয়ে পড়ে বেঁচে আছি এটাই দিনশেষে মুখ্য ব্যাপার।
নিজে কেমন লিখি এ সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তবে যা মনে আসে তাই টুকটাক লিখে ফেলি। তা হয়তো কখনো কারো চিন্তার সঙ্গে মিলে যায় আবার কখনো মেলে না। লেখালেখির প্রতি আগ্রহটা বহু আগে থেকেই ছিল, তবে তা পেশা হিসেবে নেওয়ার মতো সুযোগ হয়তো নিজের কর্মফলের মাধ্যমেই এসেছে। তাই হয়তো পরবর্তীতে বিগত সময়ের পেশা থেকে নিজেকে মুক্তি দিয়ে, লেখালেখির সঙ্গেই নিজেকে বেশ ভালোভাবেই জড়িয়ে ফেলেছি।
সময় গড়িয়ে গিয়েছে সঙ্গে চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন এসেছে। আমার মত আরও বহু মানুষের সন্ধান পেয়েছি হয়তো লেখালেখির মাধ্যমেই। প্রতিনিয়ত যে মানুষগুলো লেখালেখি করে যাচ্ছে, তাদের সঙ্গে সপ্তাহ শেষে যখন কিছুটা সময় নিজের মতো করে কথা বলার সুযোগ হয়, তখন সেটা আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের জন্য আসলেই গর্বের ব্যাপার।
নিজের দেশের বাইরেও পুরো পৃথিবী জুড়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষ যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বা তারা প্রতিনিয়ত বাংলায় লেখালেখি করছে বা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষজনের যে বাংলা শেখার প্রতি আগ্রহ বা বাংলায় তাদের নিজেদের মতামত আমাদের সঙ্গে প্রকাশ করতে চায়, এটাও আমাকে বেশ আবেগতাড়িত করে তোলে।
মনেহচ্ছে এইতো সেদিন শুরু হলো, সেদিনই হয়তো হেডসেটটা কানে লাগিয়ে ক্রমাগত নিজের মতো করে সবার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলাম। কোথায় থেকে কোথায় যে ডুবে গেলাম তার কোন সঠিক গন্তব্য নেই। কিভাবে কিভাবে যে আজ শততম সাপ্তাহিক হ্যাংআউট পর্বে সঞ্চালনা করছি, তা যেন ভাবতেই অনেকটা নিজের থেকেই গুলিয়ে যাচ্ছি।
কত মতের মিল-অমিল,কত ঝড়-ঝাপটা, কত আবেগ-অনুভূতি, অভিমান-ভালোবাসা যে এখানে জড়িয়ে আছে, তা হয়তো মুখে বলে প্রকাশ করা বেশ কষ্টসাধ্য। তবে এই শততম পর্বে এতটুকুই বলতে চাই, এখানেই থেমে যেতে চাইনা, যেতে চাই আরও দূর থেকে বহুদূর।
ভালবাসি, আমার বাংলা ব্লগ
তোমার স্থান, বুকের বাম পাশে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1659136254007730178?t=YNgU8uGFGlLSXtXY7bVAZg&s=19
সত্যি ভাইয়া সময়ের সাথে সাথে সব কিছুই বদলে গেছে। তবে আপনি যে এতদিন ধরে এই হ্যাংআউট পরিচালনা করছেন এজন্য আপনার প্রতি আমরা সবাই কৃতজ্ঞ। আর আপনি আছেন বলেই সবকিছু সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে। ভাইয়া আপনার অনুভূতি জেনে সত্যিই ভালো লাগলো।
আপনাদের সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চাই আপু এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
হ্যাংআউটের শততম পর্ব নিয়ে প্রত্যেকের মাঝে হয়তো একটি উৎকণ্ঠে কাজ করছে। কি হবে আজ এক সপ্তম পর্বে? একটি কথা না বললেই নয় বেশ সুন্দর সঞ্চালনার মাধ্যমে আপনি হ্যাং আউটটা মাথায় রাখছেন। আমার তো মনে হয় আপনি আছেন বলে হ্যাংআউট এত সুন্দর হয়। আশা করি এভাবেই সারা জীবন থাকবেন। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর সঞ্চালনার জন্য।
আপনাদের মত শ্রোতা পেয়ে আমি নিজেই অনেকটা কৃতজ্ঞ।
আপনি যে শুধু গুছিয়ে কথা বলেন এটাই নয়, অনেক আদর্শের সাথে পুরো হ্যাংআউট পরিচালনা করে আসছেন। সেই প্রথম দিন থেকে দেখছি হ্যাংআউটের পুরো এতটা সময় ধরে আমাদের সাথে আছেন। আসলে এই কাজটা সবার পক্ষে করা সম্ভব নয়, আর তাই জন্য আমরা সবাই আপনার প্রতি অনেক অনেক বেশি কৃতজ্ঞ। এতগুলো হ্যাংআউট পার করে আজকে শততম হ্যাংআউট এনজয় করতে পারব শুধুমাত্র আপনার জন্য। কারণ প্রত্যেকটা হ্যাংআউট আপনি আমাদের সাথে আছেন। আর আজকের অনুভূতিটা একদম ভিন্ন রকম। অনেক অপেক্ষা করে বসে আছি আজকের হ্যাংআউট এনজয় করার জন্য।
আসলে সত্যিই আজকের ব্যাপারটা অনেকটাই আবেগপ্রবণ, আশা করি ভালো কিছু হবে।
মনে হচ্ছে এই তো সেদিন আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ করতে এসেছি। দেখতে দেখতে কখন যে এতগুলো দিন পার হয়ে গেল তা বুঝে উঠতে পারলাম না। আর তাই দেখতে দেখতে প্রিয় কমিউনিটিতে ১০০ তম হ্যাংআউট চলে এসেছে। আর এই হ্যাংআউট আপনার দরাজ কন্ঠ দিয়ে সবসময় মাতিয়ে রাখেন। আপনার উপস্থাপনা এবং আপনার সাবলীল ভাষার প্রশংসা করলেও কম হয়ে যাবে। ভাইয়া আমি তো প্রতিটি হ্যাংআউট সাউন্ড বক্সে করে জোরে সাউন্ড দিয়ে শুনি। আমার কাছে এই হ্যাংআউট এতটাই আনন্দময় যা হয়তো কখনো ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। আর হ্যাঁ ভাইয়া, আপনার লেখালেখি নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছুই নেই, কেননা আমরা আপনার লেখাগুলো দেখে প্রতিনিয়ত উৎসাহিত হই।
আপনাদের ভালোবাসায় সত্যিই আমি সিক্ত ভাই, আপনাদের মাঝেই থাকতে চাই। 🙏❤️
শুভ ভাই আপনার কথা গুলোর সাথে আমি একমত ৷ আসলেই আমার বাংলা ব্লগ বুকের বা পাশে ৷ যাকে ছাড়া প্রতিটি দিন কাটে না ৷ এই যে এতো মানুষের সাথে পথচলা ৷ এই তো কদিন হলো দেখতে দেখতে আজ একশতম হ্যাংআউট ৷ আসলে সময় বড় অদ্ভুত ৷
সর্বোপরি আমার বাংলা ব্লগের সাথে বাকি জীবন পার করতে চাই ৷ এমনটাই প্রতার্শা ব্যক্ত করছি ৷
আপনার মত আমারও ঠিক একই রকম প্রত্যাশা, আরো যেতে চাই বহুদূর।
দেখতে দেখতে আগস্ট মাস এলে আমারই এক বছর হয়ে যাবে আমার বাংলা ব্লগে। মাঝে যদিও একটা মাস কাজ করিনি। কিন্তু সেই টানে ফিরে এসেছি। সত্যি বলতে লেখালেখি করতে বা সৃজনশীল কাজে কর্ম করতে যারা পছন্দ করেন, তারা কেউই এই প্লাটফর্ম ছেড়ে চলে যেতে পারবেন না। তার উপর নিজের মাতৃভাষায় কাজ করার সুযোগ পেলে কে ছাড়তে চায়? আর আপনার ব্যাপারে আলাদা করে কিছু বলার নেই দাদা। আপনার এনার্জির কাছে সবাই হার মানবে।বৃহস্পতিবার হ্যাংআউটের পরে রবিবারের আড্ডাও আপনি যেভাবে মাতিয়ে রাখেন সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি আগেও বলেছি, আবারো বললাম।
আপনার সাবলীল মন্তব্যের কাছে, আমি সত্যিই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয় গতিপথ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয় পরিবেশ-পরিস্থিতির। প্রথম যেদিন আপনার হ্যাংআউট শুনছিলাম সেদিন থেকে আজ অবধি আপনাদের সাথে লেগে আছে এবং আপনার সঞ্চালনা নিয়ে আমি বহু কথা বলেছি বহু মন্তব্য করেছিলাম।আমি নিজেও সঞ্চালনা করি মঞ্চ প্রোগ্রাম এর যেভাবে সঞ্চালনা করে সকলের মন জয় করতে পারি আমার বাংলা ব্লগে হয়তো সেরকম টা পাচ্ছি না।তারপরেও এক থেকে শততম হ্যাংআউট আপনাকে শুনছি। হয়ত আরও এরকম হাজার হ্যাংআউট আমরা শুনব।
এই প্লাটফর্মে মাধ্যমে আপনার রুটি-রুজির ব্যবস্থা হয়েছে জেনে ভাল লাগলো। তবে পাশাপাশি অন্য কিছু একটা করা দরকার বলে আমি মনে করি। শুভর জন্য অন্তহীন শুভেচ্ছা আজীবন♥♥
পাশাপাশি আসলেই কিছু দরকার, এইটা একদম সত্যি কথা আপু। তবে আপনি নিজেও বেশ ভালোই সঞ্চালনা করেন। আমি কৃতজ্ঞ আপনার সঙ্গে সঞ্চালনা করতে পারে। 🙏
ধন্যবাদ ভাইয়া♥♥