আমার ছেলেবেলা -- 😍 "আকস্মিক দূর্ঘটনার স্বীকার হয়েছিলাম "

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago
আসসালামু আলাইকুম

প্রিয় আমার বাংলা ব্লগে সবাইকে স্বাগতম


হ্যালো বন্ধুরা,

মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয় "আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভাল আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে বেশ ভাল আছি।আর প্রতিনিয়ত ভালো থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশাকরি আপনারা ও এমনটাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন ভালো থাকার।

আমি @shimulakter,"আমার বাংলা ব্লগ"এর আমি একজন নিয়মিত ইউজার।আমি ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি। আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি নতুন নতুন পোস্ট শেয়ার করতে।প্রতিদিনের মত আমি আজও নতুন একটি ব্লগ নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি।আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি নতুন নতুন কিছু শেয়ার করতে তাইতো আজ ছেলেবেলার স্মৃতি নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম।

আকস্মিক দূর্ঘটনার স্বীকার হয়েছিলামঃ


house-644719_1280.jpg

সোর্স

5ZJ4Z52ZRyQfNkCWFfXsATSsPtfkBwT3a5k8RVinr673527MWFPCsxERaZquGbUkHMV9WZ5MJwmXkTuv41F5Tq4AiFtFdLYgppcpWVNLwb...45PzVWAMcnH3yQBxf5fXNb4aF4ANTTkpXKaNkmtZGTkGBuPWrd7E3SfVFzVaxiHJgeTsGASc2ZrWcbGiPkcj8D1MPwYnifrMpkxFpyc2eASgEzhaJ8suX7YJTg (1).png

প্রতিটি মানুষের জীবনে শৈশব হচ্ছে সোনালী অতীত।সেই অতীত কখনও সুখের। কখনও বা কষ্টের।তবে এখন সেই ছেলেবেলার স্মৃতিগুলো ভাবলে ভালো লাগাই কাজ করে।সেই দিন গুলো ছিল খুবই সুন্দর ও আনন্দমুখর।সেই ছেলেবেলার একটি আকস্মিক দূর্ঘটনা আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলে এসেছি।এই ঘটনাটি আসলে ভুলে যাবার নয়।কারন মানুষ আমরা আনন্দ আর কষ্টের স্মৃতিগুলো কখনও ভুলে যাই না।আমাদের মনের মাঝে সোনালী অতীত হয়েই মনের মাঝে বিচরন করে।

ছেলেবেলা আমরা যৌথ পরিবারে সবাই একসাথে ছিলাম।বড় চাচার মেয়ে তিনজন আর আমি। এছাড়া ও আমাদের ঐ বাসাতে ভাড়াটিয়া ছিল। সেই ভাড়াটিয়ার এক মেয়ে ছিল। সেও এই দূর্ঘটনার একজন। তবে আসল যে মানুষটি সে আর কেউ নয়, সে হচ্ছে আমাদের পরিবারের আমার আম্মু ও আম্মার হেল্পিং হ্যান্ড ১৪/১৫ বছরের সেই মেয়েটি।যদিও নামটি তার আমার মনে পরছে না।ধরে নেই তার নামটি নিলু।

আমার বেড়ে উঠা পুরোনো ঢাকাতে।তখন আমার বয়স কতো আর হবে ৬ কিংবা ৭ আর আমার বোনরা ও এক দু বছরের ছোট বড়।তাই সবাইকে সেইম বয়স ধরা যায়।শুধু নিলু ছিল আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বড়।আমাদের বাসা থেকে বেশকিছু দূরে নারিকেল তেলের একটি ছোট ফ্যাক্টরির মতো ছিল।যেখানে খাঁটি নারিকেল তেল পাওয়া যেতো। ওই মহিলা নিজের বাসায় নারিকেল দিয়ে নারিকেল তেল বানাতো।ওনার বাসার কাছে গেলে নারিকেল ভাজার এতো সুন্দর সুঘ্রাণ বের হতো।আজ ও মনে হয় নাকে সেই ঘ্রাণটা আমি পাই।ইচ্ছে করতো তেলটাই খেয়ে ফেলি।

যাই হোক এবার আসল কথায় আসি।যেই তেলের এতো প্রশংসা সেই তেল আমার আম্মা (চাচি) আর আম্মু ব্যবহার করতো।তাই সেই তেল নিলুকে দিয়েই মাঝে মধ্যে আনা হতো।যদি কেউ না থাকতো বাসায়।আমরা সেদিন বোনরা মিলে বাইরে খেলছিলাম।তখন দেখি নিলু নারিকেল তেল আনতে যাচ্ছে।বিকাল হয়ে গেছে।আমরা নিলুর সাথে যেতে চাইলাম পাঁচটি মেয়ে।নিলু বলল আমরা যেনো আম্মুকে বলে যাই।যাই হোক আমরা সবাই বলেই গেলাম।কিন্তু আমাদের সাথে সেই ভাড়াটিয়ার মেয়েটি ও ওর আম্মুর কাছে বলতে গেলো না।কারন ওর ধারনা ওর আম্মুকে বললে ওর আম্মু ওকে যেতে দেবে না।আর যেহেতু গিয়েই সাথে সাথে চলে আসব তাই ও ওর আম্মুকে বলতে গেলো না।

আমরা রওনা দেবো।কিন্তু ফ্যাক্টরিটা কিছুটা দূর।আসলে তখন তো ছোট তাই দূর মনে হয়েছে।এখন ভাবলে দূর নয়।নিলু বলল,রাস্তা তো অনেকটা। তাই রাস্তা দিয়ে না গিয়ে আমাদের বাসার দেয়াল টপকে পাশের বাসার টিনের ছাদ দিয়ে পার হলে খুব কাছেই হবে ফ্যাক্টরি।তাই আমরা রাস্তা দিয়ে না গিয়ে দেয়াল পার হয়ে পাশের বাসা দিয়ে বের হবো।আমরা সবাই ছোট।নিলু যা বলল আমরা তাতেই রাজি হয়ে গেলাম।

এরপর নিলু এক এক করে আমাদের দেয়াল পার করে পাশের বাসার টিনের ছাদে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছিল।ও আর একটা কথা পাশের বাসার ব্লিডিং এ আমার আব্বুর চাচাতো ভাইয়ের বাসা।আর টিন শেডটি তার ভাড়াটিয়া থাকে।তাই চাচার বাসার কেউ যেনো না দেখে সেই ভাবেই আমরা সাবধানে টিনের ছাদে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলাম।এমনিতেও আমরা খুব শান্ত স্বভাবেরই ছিলাম।

যাই হোক আমাদের সবাইকে তুলে যখন নিলু নিজে উঠে এসে আমাদের পাশে দাঁড়ালো তখনই দূর্ঘটনাটা ঘটে গেলো।আমার আর কিছু মনে নেই।বেশকিছু সময় পর শুনতে পেলাম চিৎকার চেচামেচির শব্দ। আমার আম্মু, আমার আম্মা,আমার চাচার বাসা সবাই, ভাড়াটিয়া সবাই বিকট শব্দে বেড়িয়ে এলো।এরপর আমাদের কে এক এক করে দেয়াল পার করে ওপাশে দিচ্ছে।সেদিন ভাড়াটিয়া মহিলা রান্না করছিল।চুলায় প্যানে তেল দিয়ে ঘরে গিয়েছিল কি যেনো আনতে। তার ভাগ্য ভালো তাই সে বেঁচে গেছে।আমি চুলার কিছু পাশে পরেছিলাম।আর আমাদের বাসার ভাড়াটিয়া মেয়েটি বটির পাশে পরেছিল।ওর পেটের কিছু অংশ কেটে গিয়েছিল।আর তেমন গুরুতর ক্ষতি কারো তেমন কিছু হয়নি। তবে ব্যথা পেয়েছিলাম সবাই।তার চাইতে ভয়টা বেশি পেয়েছিলাম।

পরে শুনেছি ওই টিনের ছাদ কিছুটা নাজুক ছিল।চাচা চেঞ্জ করে দেবে বলে ঠিক করেছিল।মিস্ত্রি এলেই ঠিক করবে।কিন্তু এমন ঘটনা ঘটবে কেউ বুঝতে পারেনি।সবাই নিলুকে বকা দিচ্ছিলো। বলছিল,আমাদের নিয়েছে ঠিক আছে, রাস্তা দিয়ে কেন নেয়নি।সেদিনের এই আকস্মিক দূর্ঘটনা আজো আমার মনের মাঝে গেঁথে আছে।আমার মনে হয় শুধু আমার না আমার কাজিনদের ও মনে আছে।আজ আপনাদের মাঝে ছেলেবেলার এই ঘটনাটি শেয়ার করে নিজের ছেলেবেলার স্মৃতি স্মরন করলাম।আশাকরি আপনারা ও উপভোগ করেছেন। আপনাদের মূল্যবান মন্তব্য চাইলে শেয়ার করতে পারেন।

পোস্ট বিবরন


শ্রেণীআমার ছেলেবেলা
ক্যামেরাSamsungA20
পোস্ট তৈরি@shimulakter
লোকেশনঢাকা,বাংলাদেশ



আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।আমার ছেলেবেলার আকস্মিক দূর্ঘটনার গল্পটি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ সবাইকে

@shimulakter

5ZJ4Z52ZRyQfNkCWFfXsATSsPtfkBwT3a5k8RVinr673527MWFPCsxERaZquGbUkHMV9WZ5MJwmXkTuv41F5Tq4AiFtFdLYgppcpWVNLwb...45PzVWAMcnH3yQBxf5fXNb4aF4ANTTkpXKaNkmtZGTkGBuPWrd7E3SfVFzVaxiHJgeTsGASc2ZrWcbGiPkcj8D1MPwYnifrMpkxFpyc2eASgEzhaJ8suX7YJTg (1).png

আমার পরিচয়


আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আমি আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি ( জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। ভালোবাসি বই পড়তে, নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।

3YjRMKgsieLsXiWgm2BURfogkWe5CerTXVyUc6H4gicdRQ1VkjUz8HgY93iu9LmdTomBnX3wHwivw1EntvGjs3kaesGG5gEQD45h4WqnW4...YCceN9hPx1HGSFzgd87BrYLWAMowRtRsrESPuLkeoC5hJeWGU8G6ppscSR47a2NvmgZtobfAUrmRUjmiYuLHg9ktTNxnfHtLvg1JqdLPhqQL3dBv8ExEN11EHL (4).png

3YjRMKgsieLsXiWgm2BURfogkWe5CerTXVyUc6H4gicdRQ2cJZBsiyuMbbQNbt2XY3bPDP3soCEvgarH2Jwxn58HCSwZqnJoPtfVfPHher...L51ShPbXUyMiTXT3tDf3jd36e1oyureok5qocyzKHSidMgUpznogi1YgeDQn9kxwHxHcLCNVrCUPS92mfcVj4rqE78g9woM5dVv58iyG8FjAahC1hTRRJGeVmf (2).gif

P1nnPUkSmoNUKb4TPeqQKoypeKJsLYTRBqQF72wfANTunXhPv1UpB1UMW6PYxw3YuVwQH6PQmEKkjaKG4t2f8sNUPPD98hT2495CWbTxvN...fdfnSn7Nd828LpS4ek76WMdpf7QHTSRGfen1dmFnPpPcYQH5hb2HH1TPrd5CTtaXavr8FHsBiDVuccDjKf1CccK8y6R2NssGp5sx3zxD4FcVy1zjx9cwFrSfnd.gif

Sort:  
 3 years ago 

খুব ভয়ঙ্কর সৃতিচারণ আপু।ভাগ্যিস বড়ো ধরনের কিছু হয়নি আপনাদের। অনেক বড়ো রকমের দূর্ঘটনা হতে পারতো।আসলে আপনারা সবাই ছোট তাই ওই নীলু যা বলেছে আপনারা সরল বিশ্বাসে তাই করেছেন।ভয়ংকর একটি ঘটনা শরীরে কাটা দিয়ে উঠলো আমার পোস্ট টি পড়ে।ধন্যবাদ আপু পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 

হে দিদি অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারতো।আল্লাহ সহায় ছিলেন।ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 
 3 years ago 

ভাড়াটিয়া মেয়েটি সাথে তো খুব খারাপ কিছুও ঘটতে পারতো আপু! বটির পাশে পড়ে বেশি কিছু হয় নি, এটাই ভালো ব্যাপার। 😳 যাক তাও ভালো পেটে সামান্য একটু কেটে যাওয়ার উপর দিয়ে গেছিলো ব্যাপারটা। নীলুর কথা শুনে শর্টকাট ভাবে না গেলে হয়তো এমন কিছু হতো না । যাইহোক আপু, শৈশবে এমন অনেক ভুলের গল্প আমাদেরও আছে ।

 3 years ago 

মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

 3 years ago 

প্রতিটা মানুষের জীবনের শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত অনেক কাহিনী থাকে যেগুলো দুষ্টামি হোক আবার আনন্দের মুহূর্ত হোক সত্যিই সেই সোনালী অতীত সবাই মিস করে। যে বয়সটা ছুটে চলার সকল ধরনের সাহসিকতা দেখানোর সময়। যাইহোক, সবাই যেকোন পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন এরকম আমার জীবনে অনেক ঘটনা রয়েছে শেয়ার করব।

Posted using SteemPro Mobile

 3 years ago 

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

শৈশব জীবনে আমাদের অনেক রকম ঘটনা ঘটে থাকে যেগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত হয়ে যায়। ঠিকে তেমনি একটি ঘটনা আজকে আমি আপনার পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। যাহোক ঘটনাটা যথেষ্ট ভয়ানক হয়ে উঠতে পারতো যদি সৃষ্টিকর্তার সহায়তা না থাকতো তবুও অল্পের মধ্যে দিয়ে রক্ষা পাওয়া গেছে।

 3 years ago 

মন্তব্য শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

 3 years ago 

আপনারা কিন্তু সকলেই বেশ লাকি ছিলেন সেদিন মানতেই হবে আপু। একজন বটির পাশে বসে পড়েছিলেন, একজন চুলার পাশে পড়েছিলেন, একটু এদিক-ওদিক হলেই চরম দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। কপাল ভালো ছিল, তাই অল্পের উপর দিয়ে গিয়েছে। আর জীবনের এমন ঘটনা আসলেই ভোলার মত নয়।

Posted using SteemPro Mobile

 3 years ago 

সত্যিই সেদিন অনেক কিছুই ঘটতে পারতো। আল্লাহর অশেষ রহমত ছিল।শুকরিয়া করি আল্লাহর।ধন্যবাদ দিদি মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।

 3 years ago 

আপু বিশ্বাস করেন কিছু সময় হাসলাম। আর হাসবো নাই বা কেন এমন কথা পড়লে কি আর না হেসে থাকা যায়? যাই হোক এটা সত্য যে আপনি বেশ শান্ত এখনও আছেন। তবে সেদিন কিন্তু বড় বাচাঁ বেচেঁ গেছেন আপনারা সবাই। তানা হলে যে কি হত ভাবতেই গায়ে কাটা দেয়।

 3 years ago 

ধন্যবাদ আপু মন্তব্য শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 

আসলে ছোটবেলার কিছু ঘটনা থাকে যেগুলো সহজে ভুলা যায় না। যাইহোক আজকে আপনার এই ঘটনাটা জেনে বেশ খারাপ লাগলো আবার ভালো লাগলো। খারাপ লাগলো যে আপনারা দুর্ঘটনা কবলে পড়েছিলেন আর ভালো লাগলো যে আপনাদের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। আসলে শর্টকাট দিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা অনেক সময় এরকম ভুল করে ফেলি। অর্থাৎ সেই রাস্তাটা আমাদের জন্য সেভ কিনা সেটা না দেখেই সটকাট দিয়ে যাওয়ার জন্য চলে যায়। যাইহোক ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 

মন্তব্য শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.097
BTC 62876.37
ETH 1829.96
USDT 1.00
SBD 0.39