মজাদার সরিষা পটল রেসিপি ।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা ভাল আছেন?
আজ বন্ধের দিনে সবাই বেশ আছেন আশা করি।আমিও ভাল।
বন্ধের দিনে সাবাই বাহিরে বেড়াতে যাবার প্ল্যান করেণ।কিন্তু বিকেলের বেরসিক বৃষ্টির কারণে বাইরে যাওয়া হচ্ছে না।
আমার বাংলা ব্লগে আমি নতুন তাই চেস্টা করছি সকলের পোস্ট পড়ে নিজেকে তৈরি করার।
আমি আজ কি পোস্ট নিয়ে এসেছি,তা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
এখন বাজারে প্রচুর পটল পাওয়া যাচ্ছে। পটল একটি পুষ্টকর সব্জি ।পটলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারি।
পটল বিভিন্ন ভাবে রান্না করা যায়।
আজ আমি নিয়ে এসেছি মজাদার সরিষা পটল।
আশা করছি আপনাদের ভাল লাগবে।
_
উপকরণঃ
পটলঃ৫টি
হলুদ গুড়াঃ১ চা চামচ
লবনঃপরিমাণ মত
সাদা সরিষাঃ১ চা চামচ
কাল সরিষাঃ১ চা চামচ
পোস্তঃ১ চা চামচ
কাচা মরিচঃ৫-৬টি
সরিষার তেলঃ২ টেঃ চামচ
চিনিঃ১ চা চমচ
হলুদ,কাল সরিষা,সাদা সরিষ,পোস্ত ও কাচা মরিচ।
সরিষার তেল ও লবন।
পদ্ধতিঃ
১ম ধাপঃ
প্রথমে পটলগুলোকে ভাল ভাবে ধুয়ে নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে।এরপর পটলগুলোকে নিচে ছবির মতো করে টুকরো করে নিতে হবে।
টুকরো করা পটল।
২য় ধাপঃ
এরপর সরিষা,কাচা মরিচ ও সামান্য লবন দিয়ে মিহি করে বেটে নিতে হবে।কাচা মরিচ ও লবন দিয়ে সরিষা বেটে নেওয়াতে তিতা লাগবে না।চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে দেই।কড়াই গরম হয়ে এলে সরিষার তেল দিয়ে দেই।তেল গরম হয়ে এলে তাতে পটলগুলো হাল্কা করে ভেজে নেই।'
কড়াইয়ে তেল দেয়া হচ্ছে।
পটল দেওয়া হচ্ছে।
হালকা করে পটল ভাজা হচ্ছে।
৩য় ধাপ
একটি পাত্রে বেটে নেয়া সরিষা ও পোস্ত সামান্য পানি দিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরই করে নেই।এরপর ভেজে নেয়া পটলে প্রথমে হলুদ ও কাচা মরিচ দিয়ে আর একটু ভেজে তাতে সরিষা ও পোস্তের মিশ্রণটি ঢেলে দেই।এখন পরিমাণ মত লবন দিয়ে ভালভাবে কষিয়ে নেই।
হলুদ গুড়া
কাচামরিচ
সরিষা ও পোস্ত মিশ্রণ
লবন
৪র্থ ধাপঃ
এরপর পারিমাণ মত চিনি ও সামান্য পানি দিতে হবে সিদ্ধ হওয়ার জন্য।
চিনি দেওয়া হচ্ছে।
৫ম ধাপঃ
যখন পানি শুকিয়ে মাখামাখা হয়ে আসবে তখন নামিয়ে নিলেই হয়ে গেল মজাদার সরিষা পটল।
মজাদার সরিষা পটল পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
আশাকরি পটলের এ সিজনে একবার রেসিপিটি তৈরি করবেন।
আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মোবাইল ফটোগ্রাফিঃ স্যামসাং এ ১০
বৃষ্টির দিন আমার কাছে খুবই ভালো লাগে যদি বাইরে কোন কাজ না থাকে। বাইরে যাওয়ার প্লান থাকলে বৃষ্টি হলে তখন খুবই খারাপ লাগে। আপনি এই বৃষ্টির দিনে খুবই মজাদার রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছেন। সরিষা এবং পোস্ত কি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিয়েছেন আপু। সরিষা এবং পোস্ত দিলে যে কোন খাবারের স্বাদ বেড়ে যায়। আপনার রেসিপিটি ইউনিক লেগেছে আমার কাছে । ধন্যবাদ আপু।
দুরকম সরিষা একটা কাচা মরিচ ও সামান্য লবন দিয়ে পাটায় বেটে নিয়েছি।পোস্ট আলাদা করে বেটে নিয়েছি।পরে পোস্ত ও সরিষা বাটা একসাথে করে সামান্য পানি দিয়ে একটা বেটার তৈরি করে নিয়েছি।ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য।
একদম ঠিক বলেছেন আপু, এখন বাজারে প্রচুর পরিমাণে পটল পাওয়া যাচ্ছে। আর পটল সবজি হিসেবে খুবই পুষ্টিকর, তাই আমাদের সকলেরই এই সবজিটি বেশি করে খাওয়া উচিত। যাইহোক আপু, আপনার তৈরি মজাদার সরিষা পটল রেসিপিটি দেখে ভীষণ খাওয়ার লোভ হচ্ছে। কেননা এই রেসিপি আমি আগে কখনো খাইনি। আর তাই চেষ্টা করব এই পটলের সিজনেই মজাদার সরিষা পটল রেসিপি তৈরি করে খাওয়ার জন্য। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।ট্রাই করবেন আশা করি ভাল লাগবে।
সত্যি আপু এখন বাজারে প্রচুর পটল পাওয়া যায় আর পটলে রয়েছে অনেক পুষ্টি গুণ। আপনি বৃষ্টির জন্য বাইরে না গিয়ে ইউনিক একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। সরিষা ও পোস্ত দিয়ে রান্না করেছেন একারণে মনে হচ্ছে স্বাদ আরো বেড়ে গেছে। আসলে পটলের এই রেসিপি আমি আগো কখনো খায়নি।রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে।ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
পটলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এবং আন্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।
পটল সরিষা তে দুই ধরনের সরিষা ব্যবহার করেছেন। এবং একেবারে ইউনিক ছিল রেসিপি টা এর আগে পটল সরিষা রেসিপি টা কখনো দেখিনি। ভালো তৈরি করেছেন।। আপনার পোস্ট বেশ ভালো। তবে কিছু বানান ভুল ছিল সেগুলো ঠিক করে নিবেন। ধন্যবাদ।।
আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।চেস্টা করবো নিজেকে ডেভেলাপ করার।
আমার বাড়িতে বানানো হয় এটা।অনেক সুস্বাদু হয় আপু।ধন্যবাদ আপু রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য।
আসলেই খুব মজা এ খাবারটি।ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য।
ঠিকই বলেছেন আপনি পটল পুষ্টিকর সবজি যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। সরিষা পটল কখনো খাওয়া হয়নি। বাসায় একদিন ট্রাই করে দেখব। রান্না ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। রেসিপিটি দেখে লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন আপু খাবারটি খেতে খুব মজা।ট্রাই করবেন আশা করি।ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।
আপনার আজকের রেসিপিটা আমার কাছে নতুন মনে হল। পূর্বে কখনো এভাবে রেসিপি প্রস্তুত বাড়িতে করি নাই আবার কোনদিন খাওয়া হয়নি। তাই নিজের কাছে কিছু লোভনীয় মনে হল আপনার রেসিপিটা দেখে। আশা করি কোন একদিন বাড়িতে এভাবে রেসিপি করব।
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।একদিন ট্রাই করবেন আশা করি ভাল লাগবে।
আরে বাহ্ কই সুন্দর ছোট কিন্তু সুস্বাদু রেসিপি! এটা একদিন করতেই হবে। এটা ভাত দিয়ে মাখিয়ে খেলে আর কিছুই লাগবে না নিরামিষের দিনে। আর টাইম বাঁচানোর সবচাইতে সহজ একটা রেসিপি।
জি আপু খুব কম উপকরণ দিয়ে মজাদার একটি খাবার।আশা করি ট্রাই করবেন।ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।