সবাইকে শুভেচ্ছা।
প্রিয় আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা,আশাকরি সবাই ভালো আছেন? আমিও ভালো আছি।আজ ২৮ শ্রাবণ, বর্ষাকাল,১৪৩০ বঙ্গাব্দ। ১২আগস্ট,২০২৩ খ্রীস্টাব্দ।আমার বাংলা ব্লগে আমার নিয়মিত ব্লগিং এ আজ নিয়ে এসেছি একটি অরিগ্যামি পোস্ট। আজ আমি রঙ্গিন কাগজ দিয়ে একটি ময়ূরের অরিগ্যামি উপস্থাপন করবো । আপনারা জানেন, অরিগ্যামি হল কাগজকে নানা ভাবে ভাঁজে ফেলে একটি সুন্দর অবয়ব তৈরি করা। এক কথায় অরিগ্যামি হল কাগজের ভাঁজের খেলা। তাই বানানোর কৌশল বর্ণনা করা বেশ কঠিন। ভাঁজ দেখেই বুঝে নিতে হয়। তাও আমি সহজ করে বর্ণনা করার চেস্টা করেছি। আজ আমি ময়ূরের অরিগ্যামি তৈরিতে রঙ্গিন কাগজ ও গাম সহ আরও কিছু উপকরণ ব্যবহার করেছি। তাহলে বন্ধুরা, আসুন ধাপে ধাপে দেখে নেই,কিভাবে তৈরি হলো আজকের ময়ূরের অরিগ্যামি। আশাকরি, আজকের ময়ূরের অরিগ্যামি ভাল লাগবে আপনাদের।

উপকরণ

১।কমলা রং এর কাগজ
২।কালো রং এর সাইন পেন
৩।গাম
তৈরির পদ্ধতি
ধাপ-১

প্রথমে ১০সেঃ মিঃX১০সেঃমিঃ সাইজের এক টুকরো কমলা রং এর কাগজ নিয়েছি ময়ুরের শরীর বানানোর জন্য।
ধাপ-২



এরপর কাগজটিকে কোনাকুনি ভেবে ভাঁজ করে নিয়েছি। এবং ছবির মতো করে উভয় দিকে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৩


এবার ভাঁজ করা কাগজটির অপর পার্শ্ব ছবি মতো করে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৪


এবার যে পাশে কাগজটি ভাঁজ করেছি অন্য পাশে ছবির মতো করে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৫

।
কাগজটিকে ছবির মত ভাঁজ করে নিয়েছি ময়ূরের ঠোঁট বানাতে।
ধাপ-৬


সরু করে ভাঁজ করা কাগজটি আবার ভাঁজ করে ময়ূরের ঠোঁট বানিয়ে নিয়েছি। এবং কালো রং এর সাইন পেন দিয়ে চোখ একে নিয়েছি।
ধাপ-৭


এবার ২৮সেঃ মিঃX২০মিঃ সাইজের আরেক টুকরো কমলা রং এর কাগজ নিয়েছি ময়ূরের পেখম তৈরি করার জন্য। কাগজটিকে ছবির মতো করে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৮



কাগজটিকে মাঝ বরাবর ভাঁজ করে নিয়েছি । এবং গাম দিয়ে লাগিয়ে নিয়েছি। যা দেখতে পাখার মতো হয়েছে।
ধাপ-৯

এবার তৈরি করা পাখার মাঝখানে আগে থেকে বানিয়ে রাখা ময়ূরের শরীরটি ঢুকিয়ে দিয়েছি। আর এভাবেই বানিয়ে নিলাম একটি পেখম তোলা ময়ূরের অরিগ্যামি।
উপস্থাপনা


আশাকরি, আজকের রঙ্গিন কাগজ দিয়ে ময়ূরের তৈরি অরিগ্যামি আপনাদের ভাল লেগেছে। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে, আজ আমার অরিগ্যামি পোস্ট এখানেই শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে। নিজে সুস্থ্য থাকুন ও পরিবারের সকলকে সুস্থ্য রাখুন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | অরিগ্যামি |
| ক্যামেরা | Redmi Note A5 |
| পোস্ট তৈরি | @selina75 |
| তারিখ | ১২ আগস্ট,২০২৩ |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি।স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পাড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা।এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
খুবই অসাধারণ হয়েছে ময়ূর। চমৎকার কিভাবে কাগজ ভাঁজ করে করে একটা পাখি তৈরি হয়ে গেল। কাগজের তৈরি জিনিস গুলো আমার খুব ভালো লাগে।
ঠিক তাই ভাইয়া। ভাঁজে ভাঁজে কত কিছুই না বানানো যায়।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
কাগজ দিয়ে চমৎকার একটি ময়ূর তৈরি করেছেন। যা দেখতে খুবই সুন্দর হয়েছে। দক্ষতার সাথে কাগজ দিয়ে ময়ূর তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপনি একদম চমৎকার একটি কথা বলেছেন রঙিন কাগজ দিয়ে কোন কিছু তৈরি করে সেটা বর্ণনা করাটা অনেকটাই কঠিন একটি কাজ। খুবই চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে রঙিন কাগজ ব্যবহার করে ময়ূর তৈরি করে শেয়ার করেছেন দেখি আমি সত্যিই মুগ্ধ। দারুন ভাবে এটি আপনি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি ময়ূর তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অরিগ্যামি যেহেতু কাগজকে বিভিন্নভাবে ভাঁজ করে বানাতে হয়।তাই বর্ণনা করা বেশ কঠিন।অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
রঙিন কাগজের ময়ূরটি অসম্ভব সুন্দর হয়েছে আপু।আপনি খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে তুলে ধরেছেন। আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। রঙিন কাগজ দিয়ে বানানো সবকিছুই ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি ডাই পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
জি আপু রঙ্গিন কাগজ দিয়ে কোন কিছু বানালে দেখতে বেশ লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপু।
রঙিন কাগজ দিয়ে কোন কিছু তৈরি করতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। কিছুদিন আগে এরকম ময়ূরের অরিগামি আমিও তৈরি করেছিলাম। তৈরি করার ধাপ গুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তৈরি করা ময়ূরটি দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। এত সুন্দর একটি ডাই আমাদের কে উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
আমারও বেশ ভালো লাগে রঙ্গিন কাগজ দিয়ে কোন কিছু বানাতে। অনেক ধন্যবাদ আপু।
রঙিন কাগজ দিয়ে ময়ূরের দারুন একটা অরিগমি তৈরি করে আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এতটাই সুন্দর ভাবে আপনি এটা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন যা দেখে মনে হচ্ছে যেন এটা সত্যিকারের ময়ূর।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
রঙিন কাগজ দিয়ে আপনি দারুন একটি ময়ূর তৈরি করেছেন। ময়ূরের লেজ আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লাগছে। দেখেই বুঝা যাচ্ছে আপনি অনেক দক্ষ কারিগর এসব তৈরির করার। সব মিলিয়ে অসাধারণ।
আমি চেস্টা করি সুন্দর করে বানাতে। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
https://twitter.com/selina_akh/status/1690402773366644736
রঙ্গিন কাগজ দিয়ে বেশ দুর্দান্ত ময়ুর তৈরি করেছেন। রঙিন কাগজের তৈরি ময়ুর দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। আসলে কাগজ দিয়ে যে কোন জিনিস তৈরি করলে দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। আপনার ময়ুর তৈরি করার দক্ষতা বেশ অসাধারণ। চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন। এত চমৎকার ডাই পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।