নারী উদ্যোক্তা মেলায় ঘুরার অভিজ্ঞতা।
সবাইকে শুভেচ্ছা।
প্রিয় আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা,আশাকরি সবাই কুশলে আছেন।আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি হাজির হয়েছি অনলাইন বা ফেসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে পেইজ খুলে ব্যবসা করছেন, সেইসব নবীন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এক মেলায় উপস্থিতির অভিজ্ঞতার ব্লগ নিয়ে। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের।
বেশ কয়েক দিন আগে আমি একটী মেল্যয় ঘুরতে গিয়েছিলাম,মাইডাস সেন্টার,ধানমন্ডি-২৭ এ। ঘুরতে বলা ভুল হবে। আসলে গিয়েছিলাম একজনের আমন্ত্রনে। আমার এক আত্মিয় সেই মেলায় স্টল দিয়েছিলেন,মূলতঃ তার আমন্ত্রনে গিয়েছিলাম। মেলার আয়োজন করেছিল একটি অন লাইন পেইজ জলরঙ। তাই মেলার নাম ছিল জলরঙ মেলা। এই মেলায় যারা অংশগ্রহন করেছিলেন ,তারা বিভিন্ন পণ্যের অনলাইন বিজনেস করেন। যার অধিকাংশেই ছিল নারী উদ্যোক্তা।
দুই দিন ব্যাপি এ মেলায় স্পন্সর করেছিল আইপিডিসি ফাইন্যান্স।
প্রিয় আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা, আমি আজ মেলায় অংশ গ্রহণকারি নবীন ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা ও তাদের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এই ব্লগে আলোকপাত করার চেষ্টা করবো।
আমার আত্মিয় রাহা। একজন নবীন ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা। নারীদের ব্যবহার সামগ্রী গয়না ও শাড়ী নিয়ে কাজ করে থাকেন।দোকান নেই, অনলাইনেই ভরসা। রাহার মত এই মেলায় অংশ গ্রহনকারি সকল উদ্যোক্তার ভরসা অনলাইন বা ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় পেইজ খুলে পণ্য বিক্রি। বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে তারা এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই এগিয়ে যাওয়ার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ,জানালেন রাহা। আরো জানালেন পণ্য তৈরি ও মার্কেটিং এর জন্য যে অর্থের যোগান দরকার তা আমাদের নবীন উদ্যোক্তাদের অধিকাংশের নেই। তাই এই ধরণের মেলা আমাদের সাহস যোগায় । বিভিন্ন অর্থ লগ্নকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে লিংকেজ ঘটিয়ে দেয়। পণ্যের প্রচার ও প্রসারেও ভূমিকা রাখে।
রাহা জানালেন জলরঙ মেলার স্পনসর আইপিডিসি ফাইন্যান্স এর শাখা জয়ী। জয়ীর টীম মেলার অংশগ্রহণকারি উদ্যোক্তাদের সরেজমিনে সক্ষমতা যাচাই করছেন,সেমিনারের আয়োজন,উপহার ও সনদ প্রদান এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ি সহজ শর্তে আর্থিক লোনের ব্যবস্থা করছেন। জয়ী আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসার বয়স তিন বছর হলে দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদী জামানত বিহীন লোন দিয়ে থাকেন। তবে শর্ত হচ্ছে ব্যবসার শতভাগ নারীর মালিকানা এবং ব্যবস্থাপনা নারীর অধীনে থাকতে হবে । অংশীদার ও কোম্পানীর ব্যবসার ক্ষেত্রে অন্তত ৫১% থাকতে হবে নারীর মালিকানা।
প্রিয় বন্ধুরা মাইডাস সেন্টারে রাহার আমন্ত্রনে মেলায় উপস্থিত থাকতে পেরে এবং নবীন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা দেখে আমি মুগ্ধ। আমাদের নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে ঘরে ও বাইবে। আগে নারীরা ঘরের কাজের পাশাপাশি খুব বেশি হলে চাকুরি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতো । কিন্তু এখন দিন বদলেছে। নারীরা নিজের পায়ে দাড়াতে-স্বাবলম্বি হতে অনেক বাধা পেরিয়ে ব্যবসায় এগিয়ে আসছে।
সফল হোক আমাদের নারীরা।
সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজ আমি আমার ব্লগ এখানেই শেষ করছি।
আপু আপনি আপনার এক আত্মীয়ের আমন্ত্রণে মেলায় ঘুরতে গিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো। বর্তমানে নারীরা অনেক এগিয়ে গেছে। বিভিন্নভাবে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। আসলে নারী উদ্যোক্তাদের দেখলে সত্যি অনেক ভালো লাগে। তারা নিজেদের মতো করে সফলতা অর্জনের চেষ্টা করছে। আসলে এরা আমাদের অনুপ্রেরণা। আপু আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
জি আপু নারীরা এগিয়ে যাওয়া মানেই দেশ এগিয়ে যাওয়া। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
বেশ ভালোই একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন দেখছি। আমার কাছে কিন্তু আপনার কাটানো মুহূর্ত পড়ে বেশ ভালোই লাগলো। আপনার আত্মীয়ের আমন্ত্রণে দেখছি বেশ ভালোই একটি জায়গায় গিয়েছেন। নারী উদ্যোক্তা দেখলে বেশ ভালোই লাগে। এখন তো নারীরা অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। সবাই নিজেদের মত সফলতার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। আপনার পোস্ট পড়ে কিন্তু বেশ ভালই লেগেছে আমার কাছে।
ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য।
বর্তমান সমাজে নারীরা অনেক এগিয়ে যাচ্ছেন দেখে অনেক ভালো লাগে।ফেসবুকে বলেন কিন্তু সরাসরি বলেন নারীরা মার্কেটিংয়ে অনেক কাজ করতেছে। কিন্তু আপনি নারী উদ্যোক্তা মেলায় গিয়ে অনেক এনজয় করেছেন।আপনার আত্নীয় রাহা আপুর জন্য অনেক শুভকামনা রইল যাতে খুব ভালোভাবে এগিয়ে যেতে পারেন।
ধন্যবাদ আপু।
নারীদের হাতের কাজের জিনিস গুলো দেখে সত্যি খুব ভালো লাগলো। নারী উদ্যোক্তা মেলায় অনেক সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য ক্ষুদ্র হস্তা কুটির শিল্প খাত রয়েছে। যার মাধ্যমে দেশীয় পণ্য ব্যবহার করে খুব সুন্দর জিনিসপত্র তৈরি করে থাকে। মেলাতে কাপড়ের তৈরি অনেক জিনিসপত্র উঠেছে। এত সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ ভাইয়ার আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপনার আত্মীয়ের আমন্ত্রণে আপনি নারী উদ্যোক্তা মেলায় গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে খুবই চমৎকার একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করার পাশাপাশি আপনার আত্মীয়ের কাছ থেকে এই নারী উদ্যোক্তা মেলা সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনেছেন। আসলেই বর্তমান সময়ের নারীরা অনেক বেশি স্বাবলম্বী এখন তারা ঘরের কাজের পাশাপাশি সব জায়গাতেই নিজেদের অবদান রাখছে এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। আপনার এই সুন্দর মুহূর্তটা আমাদের সকলের মাঝে চমৎকারভাবে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
মেলার নামটি কিন্তু খুবই সুন্দর "জলরঙ মেলা"।তাছাড়া আপনার আত্মীয় এই মেলার সঙ্গে যুক্ত আছে জেনে ভালো লাগলো।অনলাইন এখন বড় প্লাটফর্ম যেখানে নারীরা নিজেও স্বনির্ভর হয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ পাচ্ছে।ভালো লাগলো দেখে, ধন্যবাদ আপু।
ধন্যবাদ দিদি আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনি আপনার আত্মীয়ের আমন্ত্রণে মেলায় ঘুরতে গেলেন।আজকাল নারীরা অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদেরকে এগিয়ে নিচ্ছে। আপনি মেলায় খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন জেনে ভাল লাগলো। রাহা আপুর জন্য রইলো অনেক শুভকামনা। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু।