সবাইকে ঈদ মোবারক ও ঈদের শুভেচ্ছা!
ঈদ মোবারক!
Image source
সবাই কেমন আছেন? আশা করি ঈদের দিনে সবাই অনেক ব্যস্ত আছেন। ত্রিশটি রোজা হঠাৎ করে আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিল বুঝতে ও পারিনাই কখন যে বিদায় নিল। রোজার শেষে ঈদ উৎসবে আমরা অনেক আনন্দে মাতোয়ারা। ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনেক আনন্দময় মুহুর্ত এবং সুস্থতার মধ্যে দিয়ে যেন ঈদের ছুটি কাটাতে পারেন সেই কামনা করছি। সবার ঈদ কেমন কাটলো শেয়ার করলে অনেক ভালো লাগবে? আমিও চলে এসেছি আমার আজকের ঈদ উৎসব কিভাবে কাটালাম সেই বিষয়গুলো নিয়ে।
তাহলে শুরু করা যাক আমার ঈদের দিন সকাল কিভাবে কাটলো। গতকাল রাত নয়টায় কক্সবাজার থেকে মহেশখালীতে আসি ঈদ উৎসব পালন করার জন্য। বাচ্চারা অনেক বিরক্ত করছিল গ্রামে আসার জন্য। আসলেই গ্রামে না আসলে ঈদের মজাটা বুঝা যায় না। ছোট মেয়ে অসুস্থ থাকার সত্বেও বড় মেয়ের কান্না কাটির জন্য থাকতে পারি নাই শহরে। তো মহেশখালীতে গ্রামে রাতে পৌঁছেছি রাত ৯ টায়। বাড়িতে ঢুকে পুরো ঘর পরিষ্কার করে নিলাম যেহেতু জার্নি করে এসেছি এবং ঘরের কিছু কাজকর্ম করেছি অনেক ক্লান্ত ছিলাম। বাকি অন্যান্য কাজ সেরে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। কারেন্টের বিরক্তের কারণে কি আর ঘুম যাব হঠাৎ আসে হঠাৎ যায় বিদ্যুৎ এই অবস্থা। সকাল সাতটায় ঘুম থেকে উঠে খুব তাড়াহুড়া করে ফ্রেশ হয়ে নিয়ে নাস্তা তৈরি করা শুরু করে দিলাম।
তেমন কিছু করি নাই কারণ প্রচুর গরম। তাই গরমের দিনে তেমন খাওয়া দাওয়া করতে চাইবে না সেই হিসাব করে বেশি আইটেম করিনি আমি। দুই আইটেম মাংস রান্না করেছি সাথে বিরিয়ানি করেছি, জর্দা সেমাই রান্না করেছি, পাস্তা রান্না করেছি সাথে বিভিন্ন ফ্রুটসের আইটেম ছিল। সাহেবকে সকালে মিষ্টি খাবার দিলাম জর্দা সেমাই হালকা খেয়ে মসজিদে চলে যায়। এরপরে বাচ্চাদেরকে রেডি করে দিই। বাচ্চাদেরকে ফ্রি করে দিয়ে ওরা বের হয়ে যায়। এরপরে আমার কাজকর্মগুলো শুরু করি। কাজ শেষ করার পরে মেহমান আসছে তাদের আপ্যায়ন করালাম। সে ফাঁকে যখন একটু ফ্রি হলাম লেখাটা হুট করে লিখে দিলাম আপনাদের সাথে।
মাঝে মাঝে বাচ্চারা এসেও বিরক্ত করে। বাচ্চারা কিন্তু অনেক খুশি চারদিকে ছুটাছুটি করতেছে। গ্রামে না আসলে বোঝা যায় না ঈদের আনন্দটা কেমন। সবাই মিলে ঈদে পালন করা অনেক ভালো লাগে। সেজন্য তো সবাই ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্য আপনজনদের সাথে অনেক দুর থেকে দুরান্তরে ছুটে যায়। আমি এই প্রত্যাশা করি যে সবার ঈদ উৎসব যেন খুব আনন্দময় হয়। ঈদ উৎসব যেন খুব সুস্থভাবে পালন করে সবাই আবার নিজ কর্মস্থলে ফিরে আসেন।
সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন এবং ঈদকে খুব সুন্দর করে আপনজনদের সাথে কাটান এবং পরিবারের সকলের প্রতি যত্ন রাখুন এই গরমের দিনে।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ সময় দিয়ে আমার ব্লগটি ভিজিট করার জন্য।
🥀আল্লাহ হাফেজ সবাইকে🥀
আমি সামশুন নাহার হিরা। আমার ইউজার আইডি @samhunnahar। আমি আমার বাংলা ব্লগে কাজ করছি বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে। আমি বাংলা ভাষায় লিখতে-পড়তে অনেক ভালবাসি। রান্না করতে আমি অনেক পছন্দ করি। তাছাড়া সময় পেলে ভ্রমণ করি আর প্রকৃতিকে অনুভব করি। ফটোগ্রাফি করতে আমার ভীষণ ভাল লাগে। আমি মাঝে মাঝে মনের আবেগ দিয়ে কবিতা লেখার চেষ্টা করি। আমার প্রিয় শখের মধ্যে তো গান গাওয়া অন্যতম। আমার মনের ভাব বাংলায় প্রাকাশ করতে পেরে অনেক আনন্দিত। তার জন্য আমার প্রাণের/ভালবাসার কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"কে অনেক ভালবাসি।
আপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা রইল।
ঈদ মানে খুশি ঈদ মানে আনন্দ ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে।
বুঝতেই পারছি সকাল থেকে অনেক ঝামেলার মধ্যে দিয়ে সময়টা অতিবাহিত করেছেন।
আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন।।
জি ভাইয়া সকালে অনেক ব্যস্ত ছিলাম তবে বিকেল টাইমে একটু ফ্রি হয়ে অনেক ভালো লাগলো।
আপনার জন্যও রইল ঈদের শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। তবে ছোট ভাগ্নী অসুস্থ শুনে খারাপ লাগল।আশা করি জলদি সুস্থ হয়ে উঠবে। আসলেই গ্রামে না আসলে ঈদের মজা বোঝা যায়না,কেননা গ্রামে সবাই মিলে উদযাপনের ফলে আনন্দ বেশি হয়৷ ধন্যবাদ আপু ঈদ কেন্দ্রিক সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ছোট মেয়ে অসুস্থ হওয়ার সত্বে ও বড়টার কান্নাকাটি জন্য থাকতে পারিনাই ভাইয়া চলে আসতে হয়ছে গ্রামে।
আপনাকে ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ঈদ মানে খুশি। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি ঘরে ঘরে। আসলে ঈদের আনন্দ গ্রামে না আসলে বুঝা যায় না। যারা শহরে থাকে তাদের কাছে আরও বেশি আক্ষেপ লাগে। আপনার বাচ্চারা অনেক বেশি আনন্দিত জেনে আরও বেশি ভালো লাগছে।
https://steemit.com/hive-129948/@samhunnahar/xwhkq#comments
আপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা আপু। আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো। চমৎকার লিখেছেন ভালো লাগলো। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাকে ও অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মতামত দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য।
আপু অবশেষে ঈদ পালন করতে গ্রামে গেছেন। সত্যি বলছেন গ্রামে না গেলে ঈদের আনন্দ বুঝা যায় না। আপনাকেও জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ধন্যবাদ আপু।
গ্রামে না আসলে ঈদের আমেজ বুঝা যায় না অনেক ভালো লাগে গ্রামে ঈদ করতে।
হুম আপু এটা আমিও মনে করি যে শহরের চেয়ে গ্রামের ঈদ উদযাপন অনেক ভালো লাগে ৷ আপনি যে বেশ ক্লান্তি নিয়ে কাজ করছেন সেটা বেশ বুঝতে পারছি ৷ ভালো লাগলো ঈদের দিন ব্যাস্ততার মূহুর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য ৷
জি ভাইয়া আমাদের মেয়েদের অনেক ব্যস্ত থাকতে হয় ঈদের দিনে।
আপু শহর থেকে গ্রামের ঈদ করার মজাই আলাদা। বাচ্চারা জন্য গ্রামে ঈদ করলে তারা অনেক খুশি হয়। আমার মনে হয় গ্রামে ঈদ করতে পেরে আপনি নিজেও অনেক খুশি হয়েছেন। যদিও রাত ৯টা বাজে এসে বাসার কাম কাজ গুলো করে শুয়ে গেলেন। সকালবেলা বিরিয়ানি এবং অন্যান্য নাস্তা বানিয়েছেন শুনে খুশি হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। এবং আপু আপনাকে ঈদ মোবারক জানাই।
বাচ্চাদের জন্য ঈদ করতে আসছি গ্রামে ওরা আসলে অনেক বেশি খুশি হয় তাই।
ঈদ মোবারক আপু। আপনার বাচ্চারা গ্রামে ঈদ করার জন্য কান্নাকাটি করতে লাগলো। তবে আপু গ্রামে ঈদ করতে মজাই আলাদা। তবে আপনি জার্নি করে গ্রামের বাড়িতে গেলেন তারপর বাসার কাজগুলো করলেন। তবে ঈদের দিন ভোরবেলা উঠতে হয় কারণ বিভিন্ন ধরনের নাস্তা এবং প্রিয় খাবারগুলো তৈরি করতে হয়। আমার মনে হয় আপু খুব চমৎকার বিরিয়ানি বানিয়েছেন। অনেক সুন্দর করে ঈদের অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করা যায়। আপু আপনার ছোট বাচ্চাটির জন্য দোয়া রইল যেন সে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায়।
হ্যাঁ ভাইয়া সেদিন অনেক কষ্ট হয়েছে অনেক জার্নি করে এসে পর আবার গুছিয়ে তারপর সকালে ঈদের রান্নাবান্না বেশ ঝেমেলা গেল।