ভিন্ন রকমের সুন্দর প্রকৃতির সাতটি আলোকচিত্র।
আমার বাংলা ব্লগ
পরিবারের সবাই কেমন আছেন?
ভারত-বাংলাদেশি ব্লগার ভাই বোনেরা আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি। ঈদের সময় থেকে একটু ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি সবদিক সামলিয়ে নিয়ে। তারপরেও বলবো আলহামদুলিল্লাহ সবকিছু ঠিকঠাক যাচ্ছে আল্লাহর রহমতের মাস বলে কথা। সারাদিন পরিবারের বিভিন্ন ধরনের কাজ ছিল সব কাজ করে যখন একটু ফ্রি মনে করেছি তখন পোস্ট লেখার জন্য উপস্থিত হয়েছি। প্রতিদিন যেহেতু ভিন্ন ধরনের কিছু লেখার চেষ্টা করি তাই আজ আমার ফটোগ্রাফি পোস্ট করার দিন। চিন্তা করলাম প্রতিদিন তো ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো আমি শেয়ার করি বিশেষ করে। তাই আজ শেয়ার করবো চির সবুজের এই বাংলার প্রকৃতির কিছু প্রাকৃতিক ছবি।
আমরা সবাই প্রকৃতিকে পছন্দ করি। আমরা প্রকৃতিতেই বড় হয়েছি প্রকৃতি হচ্ছে আমাদের সবকিছু। যখন আমরা সারাদিন কর্মরত অবস্থায় সময় পার করি তখন একটু প্রকৃতির মাঝে স্বস্তি পেতে চাই। একটানা অনেকদিন কাজ করার পরেই নিজেদের মধ্যে একঘেয়েমি ভাব চলে আসে। তাই আমরা সেই একঘেয়েমি কেটে যাওয়ার জন্য দূরে কোথাও ঘুরে আসি প্রকৃতির মাঝে। আমাদের যখন মন খারাপ থাকে তখন চির সবুজের বাংলার প্রকৃতির মাঝে আসলে মনটা অনেক ভালো হয়ে যায়। আজ তেমন প্রকৃতির ঘেরাও ভিন্ন কিছু প্রাকৃতিক ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আশা করি ভালো লাগবে।
আমার আজকের প্রকৃতির ফটোগ্রাফি গুলো।
সূর্যাস্তের মুহূর্ত
সূর্যাস্তের মুহূর্ত এবং সূর্যোদয়ের মুহূর্ত আমার দেখতে অনেক ভালো লাগে। যখন সূর্য অস্ত যায় তখন লাল বর্ণ ধারণ করে চারদিকে একটি লাল রশ্মি পড়ে যা কিছুর মধ্যে এই লাল রশ্মি টা পড়ে সব দিকে দেখতে অনেক লাগে। সূর্য যখন অস্ত যাচ্ছিল তখন পাশে অনেক গুলো লবণের মাঠ ছিল দেখতে বেশ ভাল দেখাচ্ছিল। আমার এমন দৃশ্য দেখতে অনেক ভালো লাগে।
Deviec-Wiko-T3
লোকেশন
বাংলাদেশ মিউজিয়াম
এই জায়গাটা দেখতে দারুণ ছিল। ঢাকার বুকে এমন সুন্দর জায়গা দেখতে সত্যি অনেক ভালো লাগছিল। চারদিকে তো যানজট এত ধুলাবালি তার মাঝেও যেন একটু স্বস্তি ফিরে পেয়েছিলাম এমন প্রকৃতির মাঝে। চারদিকে ফুলের বাগান বিভিন্ন ধরনের সবুজ গাছগাছালি যেন চির সবুজের সেই গ্রামবাংলা ফিরে পেয়েছিলাম। এমন সুন্দর দৃশ্যটি আমি নিয়েছিলাম বাংলাদেশের জাতীয় মিউজিয়ামের সামনের এরিয়া থেকে। অনেক সুন্দর একটি জায়গা। বিতরের পরিবেশ যেমন সুন্দর বাইরের পরিবেশও অসাধারণ ছিল আমার কাছে।
Deviec-Wiko-T3
লোকেশন
সাগরের দৃশ্য
এখন যেটি দেখতে পাচ্ছেন তা হচ্ছে বাঁকখালী নদীর একটি মুহনা। যা আমি মহেশখালী থেকে আমার মাকে দেখতে যাওয়ার সময় অন্য একটি ঘাট থেকে আসছিলাম। চলতি পথে বোট থেকে এই দৃশ্য ফটোগ্রাফি করেছি। দূর থেকে দেখতে অনেক সুন্দর দেখাচ্ছিলো। মাঝখানে সাগরের পানি এবং অনেক দূরে জঙ্গল দেখা যাচ্ছিল বেশ সুন্দর একটি মুহূর্ত ছিল তখন।
Deviec-Wiko-T3
লোকেশন
আদিনাথ মন্দিরের ব্রিজ
এখন যে দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে যে সবার প্রিয় আদিনাথ মন্দির ব্রিজের দৃশ্য অনেক দীর্ঘতম সেই ব্রিজে বিকেল বেলায় দেখতে অনেক ভালো লাগে। ঈদের দুই দিন পরে আদিনাথ মন্দিরের সেই ব্রিজের ঘুরতে গিয়েছিলাম অনেক লোকের সমাগম ছিল। এত মানুষের ভীড় ছিল বলার মত না। আমরা যখন যাই তখন প্রায় বিকেল হয়ে গেছিল। বিকেলের মুহূর্তে এই ফটোগ্রাফি টা আমি নিয়েছিলাম দেখতে অনেক ভালো দেখাচ্ছিল।
Deviec-Wiko-T3
লোকেশন
প্রাকৃতিক দৃশ্য
বিকেল বেলায় প্রাকৃতিক দৃশ্য গুলো দেখতে ভীষণ ভালো লাগে যদিও রোদের মধ্যে একটু সুন্দর দেখালেও কিন্তু বিকেল বেলায় ভিন্ন রকমের সুন্দর অনুভূতি কাজ করে। যখন বিকেল বেলা বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে ছিলাম তখন এমন সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্য দেখতে অনেক সুন্দর দেখাচ্ছিল। অনেক উঁচু উঁচু নারকেল গাছের ফাঁকে নীল বর্ণের আকাশ দেখতে দারুন ছিল।
Deviec-Wiko-T3
লোকেশন
ধান ক্ষেত
আমরা যেহেতু বাঙালি স্বাধীন দেশের মানুষ আমরা সবুজ শ্যামল ছায়াতে বড় হয়েছি। ধান ক্ষেত আমাদের ভালো লাগে এছাড়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে আমাদের ভালো লাগে। সব চেয়ে আমাদের মনকে বেশি আকর্ষণ করে প্রাকৃতির ভিতরে থাকতে কারণ আমাদের এই চির সবুজের বাংলাদেশের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এমন সুন্দর ধান ক্ষেত আর বিভিন্ন রং বেরংয়ের ক্ষেতের বাহার বেশ ভালই লাগে।
Deviec-Wiko-T3
লোকেশন
পেঁপে গাছের দৃশ্য
একটি পেঁপে গাছের দৃশ্য অনেক ভালো লাগে। গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে অন্য কোন ফলের গাছ না থাকলেও কিন্তু খুব সহজে পেঁপে গাছগুলো দেখা যায়। খুব কম সময়ে অল্প যত্ন করে কিন্তু পেঁপে গাছ থেকে পেঁপে খাওয়া যায়। এই গাছ টি আমাদের বাড়ির সামনে দেওয়ালের পাশ দিয়ে বড় হচ্ছে। যদিও গাছটি লাগানো হয়নি। দেখতে বেশ সুন্দর দেখাচ্ছিল। পেঁপে খেয়ে বিচি গুলো ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে সেখান থেকে গাছটি বড় হলো।
Deviec-Wiko-T3
লোকেশন
আজ এই পর্যন্ত বন্ধুরা আশাকরি আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের ভালো লাগবে। আপনাদের কাছে আমার ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করতে পেরে আমার ভাল লাগতেছে। |
|---|
ক্যামেরার বিবরণ
| ডিভাইসের নাম | Wiko,T3 |
|---|---|
| মডেল | W-V770 |
| ফটোগ্রাফার | @samhunnahar |
| ক্যাটাগরি | ফটোগ্রাফি |
আমি সামশুন নাহার হিরা।আমার ইউজার আইডি@samhunnahar।আমি আমার বাংলা ব্লগে কাজ করছি বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে।
আমি বাংলা ভাষায় লিখতে-পড়তে ভালবাসি। আমি রান্না করতে পছন্দ করি।ভ্রমণ আমার প্রিয় একটি নেশা।
আমি বিভিন্ন ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি।তাই আমি আমার মনের ভাব বাংলায় প্রাকাশ করতে পেরে অনেক আনন্দিত।তার জন্য আমার প্রাণের কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"কে অনেক ভালবাসি।
https://steemit.com/hive-129948/@samhunnahar/6sceis
প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় অতিবাহিত করতে ঘুরে ঘুরে প্রকৃতির সৌন্দর্যটা নয়ন ভরে দেখতে এবং উপভোগ করতে কার না ভালো লাগে।।
আপনি অনেক সুন্দর ভাবে আজকের ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর আলোচনার সাথে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।। বিশেষ করে প্রথম ফটোটা এক কথায় অসাধারণ।।
ভাইয়া প্রকৃতির মাঝে ঘোরাফেরা করতে অনেক ভালো লাগে অনেক সুন্দর প্রকৃতি দেখতে।
দারুন ফটোগ্রাফি করেছেন আপু।
সূর্য অস্ত যাওয়ার ফটোগ্রাফি আর সমুদ্রের ফটোগ্রাফি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সূর্যাস্তের এবং সাগরের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগার জন্য।
আপনার সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন বিশেষ করে সূর্য অস্ত্রের ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে।
জি ভাইয়া সূর্য অস্তের ফটোগ্রাফিটা অসাধারণ ছিল আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
প্রকৃতির মাঝে ঘুরাঘুরি করতে কম বেশি সবাই পছন্দ করে। আপনি খুব সুন্দর করে প্রকৃতির কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। যেগুলো দেখতে দারুন লাগছে। আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে সূর্যাস্তের ফটোগ্রাফি।
অনেক ভালো লাগে ভাইয়া একটু ফ্রি হলেই ঘোরাঘুরি করতে বেশি মন চায়।
প্রকৃতিতে তার নিজস্ব রূপে অনেক সুন্দর তাকে নতুন করে সাজাতে হয় না এবং আমরা প্রতিনিয়ত প্রকৃতির রূপে মুগ্ধ। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো তারই প্রমাণ। অনেক সুন্দর হয়েছে আপু প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি। অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলছেন আপু প্রকৃতির নিজস্ব রূপের গুণে সুসজ্জিত তাই তো সবাইকে অনেক বেশি আকর্ষিত করে প্রকৃতি তার নিজের রূপের গুণে।