ফুড ফটোগ্রাফিঃ-আমার প্রিয় কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি।
শুভ বিকেল সবাইকে,
প্রিয় কমিউনিটির সম্মানিত সকল ব্লগার ভাই ও বোনেরা আশা করি সকলে ভালো আছেন। আশা করি কর্মব্যস্ততা নিয়ে সবাই অনেক বেশি ভাল আছেন। আসলে ব্যস্ত থাকলেই অনেক ভালো কারণ ব্যস্ততার মধ্যে থাকলেই অনেক কিছু ভুলে থাকা যায়। যেটা আমার বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি কে স্বীকার করে বলতেছি। যেহেতু আমার মা চলে গেল আমাদেরকে ছেড়ে। কিন্তু আমি কিছুতেই একা থাকতে পারছি না নিজেকে নিয়ে। তো আমি চেষ্টা করতেছি নিজেকে একটু বিজি রাখার। যেহেতু বাচ্চারা আছে তাই আমাকে একটু শক্ত হতে হবে। তাই আমাকে ব্যস্ত রাখাটাই আমি বেটার মনে করি। কারণ মৃত্যু সবার জন্য অবধারিত। তাই এই চিরন্তন সত্যকে কেউ কখনো বদলাতে পারবে না। এটাকে আমাদেরকে মেনে নিতে হবে। কষ্ট হবে সেটা স্বাভাবিক কিন্তু এই চিরন্তন সত্যটা কেউ কখনো বদলাতে পারবে না। তো বন্ধুরা সব সময় চেষ্টা করতেছি বিভিন্ন ধরনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে। তাছাড়া পরিবারের সবার সাথে কথা হচ্ছে কিছুক্ষণ পর পর তারা কি না। যেহেতু বাচ্চার এক্সাম তাই চলে এসেছি আমি আবার যাবো বৃহস্পতিবার।
আজকে আমি আপনাদের সাথে খাবারের কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। আপনারা তো জানেন বাঙালি হিসেবে আমরা খাবার প্রিয় সবাই। আমরা খাদ্য প্রেমিক সবাই। বিশেষ করে আমরা যেহেতু বাঙালি বাঙালিয়ানা খাবার আমাদের কাছে খুবই প্রিয়। তো আমরা বিভিন্ন সময় চেষ্টা করি আমাদের পছন্দের খাবারের মেনু গুলো রাখতে। তবে ইদানিং বিদেশি স্টাইলের খাবার গুলো আমাদের দেশে বেশি প্রচলিত হয়ে গেছে। যাক শত খাবারের মাঝেও স্বদেশী খাবার গুলোর স্বাদ আমরা মিস করি না। যদিও আমরা বিদেশি খাবারের সাথে মিশে যাচ্ছি দিন দিন। কিন্তু তার ফাঁকে আমরা আমাদের ঐতিহ্য খাবার গুলো কখনো হাত ছাড়া করতে চাইনা। তো বন্ধুরা কিছু দেশি এবং বিদেশি খাবারের মিশ্রনের ফটোগ্রাফি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার আজকের শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগবে।
বিভিন্ন ধরণের পিঠা পুলি।
এই খাবারের প্লেটের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পিঠার আইটেম ছিল। এখানে ছিল নারকেল পুলি, ঝাল পুলি পিঠা। এছাড়াও ছিল চিকেন কাবাব। বিশেষ করে কলা পাতাই বিন্নি চাউলের পিঠা আমার খুব প্রিয়। আরো ছিল সুজির চিতই পিঠা। এই পিঠা বেশ মজার আইটেম ছিল। সত্যি বিভিন্ন পিঠা দিয়ে সাজানো এই প্লেটের পিঠা গুলো খুবই স্বাদের ছিল। প্রত্যেকটি পিঠা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে খেতে।
নুডুলস রোল।
এই আইটেম টা আমার কাছে নতুন লেগেছে। কারণ আমরা চিকেন রোল অথবা বিভিন্ন ধরনের সবজির রোল খেয়ে থাকি। কিন্তু রোলের ভিতর নুডুলস দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি। আমার কাছে যেমন নতুন লেগেছে খেতে তেমনি খেতে বেশ ভালই লেগেছে। আপনারা খেয়েছেন কিনা জানিনা। আমি প্রথম খেয়েছি আমার কাছে বেশ ভালই লাগছিল।
জর্দা ভাত।
আমরা যখন বিয়ে বাড়িতে যাই কিংবা বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠানে যাই। তখন খাওয়ার পরে আমরা মিষ্টান জাতীয় কিছু খেয়ে থাকি। তবে বাঙালিয়ানা খাবারের মধ্যে বিয়ে বাড়িতে জর্দা ভাতের কোন বিকল্প নেই। আমার কাছে তো বেশ ভালোই লাগে বিয়ে বাড়িতে জর্দা ভাত খেতে। তবে আমার বড় মেয়ের জন্মদিন পালন করার সময় আমি হুজুরকে খাওয়া-দাওয়ার শেষে জর্দা ভাত খেতে দিতাম। তৈরি করা হতো প্রায় সময়। দুই এক বছর ধরে তৈরি করা হয় না জর্দা ভাত। আমার কাছে বেশ ভালই লাগে জর্দা ভাত খেতে।
চিতই পিঠা।
বাঙালির ঐতিহ্য পিঠা হিসেবে চিতই পিঠার কোন বিকল্প নেই। সারা বছর খাওয়া যায়। তবে শীতকাল আসলে একটু খেতে বেশি ভালো লাগে। কিন্তু প্রায় সময় তৈরি করি দুধ চিতই পিঠা। তবে এভাবে শীতকালে খেতে বেশ মজার হয়। এই পিঠা গুলো ভীষণ মজার ছিল খেতে।
কেক।
কেক আমরা সকলেই পছন্দ করি তাই না? বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা কেক পেলে খুব খুশি হয়। এই কেক যখন আমার ছোট মেয়ে দেখে তখন খাওয়ার জন্য খুব ইচ্ছে প্রকাশ করল আমার কাছে। বলে মা আমি কেক খাব। তো আমি সেখান থেকে এক পিস নিয়ে দিলাম। মেয়ে তো অনেক খুশি। তবে আমার খেতে খুব খুবই ভালো লাগে কেক। এই কেকের ফটোগ্রাফি আমি স্কুলের পিঠা উৎসব থেকে নিয়েছিলাম।
নুডুলস এবং ফিশ বল।
আমরা তো ঝাল খেতে সবাই পছন্দ করি। বিকেলের নাস্তা হিসেবে নুডুলসের কোন বিকল্প নেই। নুডুলস ঝাল ঝাল করে খেতে খুব ভালো লাগে। এই নুডুলস গুলোতে হালকা সবজি মিক্স করা ছিল। বিশেষ করে গাজর দিয়েছেন তাই কালারটা খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল। আর উপরে ছিল ফিশ বল। ফিশ বল বেশ ভালোই লাগে খেতে। দারুণ ছিল খাবারটি।
চিংড়ি ফ্রাই।
শীতকাল যখন আসে আমাদের কক্সবাজার শহরের সমুদ্র সৈকতের অলিতে গলিতে বিভিন্ন ধরনের ফিশ ফ্রাই দেখা যায়। বিশেষ করে চিকেন ফ্রাইটা খুব বেশি চোখে পড়ে। আমার কাছে অন্যান্য মাছ ফ্রাই খাওয়ার সবচেয়ে মজার হচ্ছে চিংড়ি ফ্রাই। তবে বেশির ভাগ দেখা যায় সবাইকে লোভেস্টার ফ্রাই খেতে। তবে আমরা লোভেস্টার খাই না। তবে চিংড়ি ফ্রাই আমার খেতে খুব বেশি ভালো লাগে।
আশা করি আমার আজকের শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের ভালো লেগেছে। আপনাদের কাছে আমার আজকের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগার মানে হচ্ছে আমার শেয়ার করার সার্থকতা। তো বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে। |
|---|
ক্যামেরার বিবরণ
| ডিভাইসের নাম | Wiko,T3 |
|---|---|
| মডেল | W-V770 |
| ফটোগ্রাফার | @samhunnahar |
| লোকেশন | কক্সবাজার |
| ক্যাটাগরি | ফুড ফটোগ্রাফি |
আমি সামশুন নাহার হিরা।আমার ইউজার আইডি@samhunnahar।আমি আমার বাংলা ব্লগে কাজ করছি বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে।
আমি বাংলা ভাষায় লিখতে-পড়তে ভালবাসি। আমি রান্না করতে পছন্দ করি।ভ্রমণ আমার প্রিয় একটি নেশা।
আমি বিভিন্ন ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি।তাই আমি আমার মনের ভাব বাংলায় প্রাকাশ করতে পেরে অনেক আনন্দিত।তার জন্য আমার প্রাণের কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"কে অনেক ভালবাসি।
কাল আপনার মায়ের মৃত্যুর খুবর পেয়ে খুব খারাপ লাগছিলো আপু। খারাপ লাগলেও এটা আমাদের সবাইকে মেনে নিতেই হবে। যাইহোক, আপনি নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করছেন এটা জেনে খুব ভালো লাগলো। মহান আল্লাহ আপনাকে এই শোক সামলে ওঠার ক্ষমতা দিক এই প্রার্থনা করি। খাবারের ফটোগ্রাফি গুলা অনেক সুন্দর হয়েছে আপু। ধন্যবাদ আমাদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপু আমার আম্মুর জন্য দোয়া করবেন একটু।
কাল রাতে যখন আপনার মায়ের মৃত্যুর খবর শুনেছিলাম তখন সত্যি অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম আপু। আসলে মায়ের মৃত্যু মেনে নেওয়া সত্যি অনেক কষ্টের। যাইহোক আপু আপনি নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেছেন দেখে ভালো লাগলো। ছবিগুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো।
আপু একটু বিজি থাকার চেষ্টা করতেছি না হয় অনেক অসুস্থ হয়ে যাব।
লোভনীয় কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। চিংড়ি ফ্রাই এবং চিতই পিঠার ফটোগ্রাফি দেখে আমি কোন ভাবে লোভ সামলাতে পারছিনা। এই দুইটা জিনিস খেতে আমার খুবই ভালো লাগে।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
বিভিন্ন পর্যায়ের লোভনীয় খাবার নিয়ে আজকে আপনি আমাদের মাঝে দারুন একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপু। আপনার এই পোস্ট আমার কাছে এতটাই লোভনীয় লেগেছে যেখানে খাবার গুলো দেখে যেন চোখ সামলানো বড়ই কঠিন। ঠিক এমনই ভালো লাগার মত বিভিন্ন খাবারের ফটো সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন ব্লগের মাঝে।
আমার খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ।
লোভনীয় ও মজাদার কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপনি আমাদের মাঝে। খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে বেশ লোভ হয় খাওয়ার জন্য। সবগুলো খাবারের ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। তবে বিশেষ করে আমার কাছে ভর্তা দিয়ে চিতই পিঠা খেতে এবং চিংড়ির ফ্রাই বেশ পছন্দের। এতসব মজাদার খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সময় দিয়ে আমার ফুড ফটোগ্রাফি গুলো দেখার জন্য।
আপু আপনার মা মারা গিয়েছে জেনে সত্যি ভীষণ খারাপ লাগলো। তবে আপনি এরকম পরিস্থিতিতেও পোস্ট লিখছেন আর নিজেকে ব্যস্ত রাখছেন সত্যি এটা বেশ কঠিন। যাই হোক আপনার খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো কিন্তু খুবই চমৎকার ছিল ।দেখে ভীষণ ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনাকে।
তাই আপু চেষ্টা করতেছি নিজেকে বিজি রাখার।
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে তার মজা পেয়ে আবার ফটোগ্রাফি করে আমাদেরকে লোভে ফেলে দিলেন।
সবগুলো খাবারের ফটোগ্রাফি অত্যন্ত লোভনীয়।
বিশেষ করে চিতুই পিঠা এবং বিভিন্ন ধরনের ভর্তা সেইসাথে চিংড়ি এবং কেক সব থেকে বেশি লোভনীয় দেখাচ্ছে।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আমার আজকের শেয়ার করা ফুড ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগার জন্য।
একদম ঠিক বলেছেন আপু, প্রত্যেক প্রাণীকেই আসলে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। দুনিয়াতে যারা এসেছে একদিন ঠিকই চলে যাবে। এই স্বাভাবিক বিষয়টা আমাদের মানতে কষ্ট হলেও মেনে নিতে হবে। আপনাদের সন্তানদের দিকে চেয়ে হলেও মানিয়ে নিতে হবে। যাক, মজাদার সব খাবারের ফটোগ্রাফি করলেন আপু
জি ভাইয়া তা চেষ্টা করতেছি আমিও।
নুডুলস রোল কখনো খাওয়া হয়নি আমার, চিতই পিঠা ছবিটা কিন্তু বেশ দারুন লাগছে, শীত আসলে পিঠার একটা অন্যরকম ডিমান্ড তৈরি হয়, প্রত্যেকটা খাবার ছবি দুর্দান্ত ছিল।
হুম খুব মজার ছিল ভাইয়া পিঠা।
আপু জন্ম যখন হয়েছে মৃত্যু তো হবেই। আপনার মা মারা যাওয়ার খবর শুনে খুব খারাপ লেগেছিল। আপনার বাচ্চাদের জন্য সত্যি আপনাকে শক্ত থাকতে হবে। হ্যাঁ আপু কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন দেখেন ভালো লাগবে। আপনার মায়ের জন্য দোয়া রইল। যাই হোক এত সমস্যার মধ্যেও আপনি খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। প্রতিটা খাবার খুবই লোভনীয় ছিল আর সবগুলো খাবার আমার খুব পছন্দের। ফটোগ্রাফির পাশাপাশি আপনি খুব সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন। ধন্যবাদ এত মজাদার ফুড ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
দোয়া করবেন আপু যেন নিজেকে শক্ত রাখতে পারি এই খারাপ সময়ে।