ফটোগ্রাফি- আমার পছন্দের কিছু ফুড ফটোগ্রাফি।
আসসালামু আলাইকুম স্টিমিট বন্ধুরা!
দিনের শুরুতে সবাইকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়ে আমি আজকে আমার ব্লগিং শুরু করতেছি। আশা করি বৃষ্টির দিনে ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়াতে সবাই অনেক ভালো আছেন। তবে কিছু কিছু জায়গায় আমাদের এদিকে বেশ পানিতে তলিয়ে গেছে। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। আপনাদের সেখানে বৃষ্টির অবস্থা কি রকম সেটা তো জানিনা। যাক বৃষ্টির দিনে তো বৃষ্টি হবেই সেটা স্বাভাবিক। তো বন্ধুরা প্রতিদিনের মতো আজকেও নতুন একটি ব্লগিং নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কিছু শেয়ার করতে চেষ্টা করি আপনাদের সাথে। তাই আজকেও ভিন্ন একটি বিষয় নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। সপ্তাহে একটি করে ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করি। কারণ ফটোগ্রাফি করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। তাছাড়া সবার সাথে শেয়ার করে নিতে পারলে আরো বেশি ভালো লাগে।
আপনারা নিশ্চয়ই জানেন আমি প্রকৃতির এবং ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো বেশি শেয়ার করি আপনাদের সাথে। কিন্তু আজ ভিন্ন কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। আজকে আমি ফুড ফটোগ্রাফি নিয়ে একটি ব্লগিং করব আপনাদের সাথে। সবাই তো খাওয়া দাওয়া করতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। তবে এমন কিছু কিছু খাবার থাকে বেশ লোভনীয় দেখায়। এমন লোভনীয় খাবার খেতে যেমন ভালো লাগে তেমনি খুব সুন্দর করে ফোনের গ্যালারিতে ফটোগ্রাফি করে নিতেও ভালো লাগে।
আজকে এমন কিছু আমার প্রিয় খাবারের ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। তাহলে চলুন বন্ধুরা দেখে আসি
ফটোগ্রাফি-১
ফ্রেন্স ফ্রাই আমার মেয়েরা বেশি খেতে পছন্দ করে। তবে আমার ও অনেক ভালো লাগে। কিন্তু কম খাওয়ার চেষ্টা করি ফ্রাই জাতীয় খাবার। তবে বাচ্চাদেরকে তো আর সামলানো যায় না। বের হলেই চিকেন কিংবা ফ্রেন্স ফ্রাই খাওয়ার জন্য খুবই আবদার করে। তবে মাঝে মধ্যে ঘরেও তৈরি করে দেওয়া হয়। কেন জানি সব বাচ্চাদের একটি সমস্যা বাইরের খাবারের প্রতি লোভ বেশি। যখন খেয়েছি তখন বেশ ভালো লাগছিল। নতুন একটি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম শর্মা তে। সেখানকার ফ্রেন্স ফ্রাই টা অনেক ভালো লাগেছিল আমার কাছে খেতে। সাথে নিয়ে নিলাম সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি।
ফটোগ্রাফি-২
আমার সবাই ফ্রুটস কম বেশি সকলেই পছন্দ করি। যদি গরমের দিনে হয় এমন সুন্দর এবং মজাদার তরমুজ খেতে ভীষণ ভালো লাগে ঠান্ডা ঠান্ডা। যখন আমরা কোন রেস্টুরেন্টে বুফে খাওয়ার জন্য যায় তখন সেখানে অনেক আইটেম থাকে খাবারের। ইচ্ছে মত নিয়ে খাওয়া যায় যার যেমন ইচ্ছে। তেমনি একটি বুফে খাওয়ার সময় আমি সুন্দর একটি প্লেট সাজিয়ে নিয়েছিলাম এই ফুল মূলের। কারণ এই সিজনে তো আসলেই তরমুজ তেমন একটা মিলে না। সেখানে সুন্দর মজাদার তরমুজ ফ্রুটস দেখে খেতে ইচ্ছে করলো। দেখে ভীষণ লোভ লেগে গেছিল।
ফটোগ্রাফি-৩
আপনারা এখন যে ফটোগ্রাফি দেখতে পাচ্ছেন এটা হচ্ছে হোয়াইট কপির ফটোগ্রাফি। হোয়াইট কপি আমার খেতে ভীষণ ভালো লাগে। তাছাড়া হোয়াইট কপি শরীরের জন্য তেমন একটা ক্ষতিকর নয়। ব্ল্যাক কফি ও শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তবে যেটা মিক্স কপি আছে সেটা একটু ক্ষতিকর বলা যায়। তারপরেও যে কোন ধরনের কফি খেতে ভীষণ ভালো লাগে। এই হোয়াইট কপি টা অসাধারণ ছিল খেতে।
ফটোগ্রাফি-৪
মাঝে মাঝে মনে হয় আম যদি আমাদের জাতীয় ফল হতো তাহলে ভালো হতো। এত ভালো লাগে আমার আম খেতে আমের সিজন আসলেই শুধু আম খেতেই থাকি হা হা হা। তবে যে যাই বলুক না কেন আমি গ্রামের মেয়ে তাই আমার কেটে টুকরো টুকরো করে আম খেতে একদম ভালো লাগেনা। এভাবে আমের চামড়া ছাড়িয়ে নিয়ে পুরো আম যখন খাব তখন তৃপ্তি সহকারে খেতে পারি। তবে এটাই বলতে পারেন আমাদের বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম মানুষের আম খাওয়ার ধরন এমন। এভাবে খেলে ভীষণ মজার তাইনা বন্ধুরা?
ফটোগ্রাফি-৫
কয়েকদিন আগে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম হোটেল আল- গণিতে খেতে যাওয়ার মুহূর্ত। সেই দিন আমি অনেক মজার করে বিরিয়ানি খেয়েছিলাম। ভীষণ মজার ছিল বিরিয়ানি। তবে রাতে তেমন একটা ভাত খাওয়া হয় না আমার। কিন্তু সত্যি কথা বলতে সেদিন আমি অনেক গুলো খেয়েছিলাম খাবারের প্লেটের সাইজও অনেক বড় ছিল পরিমাণ ও অনেক বেশি ছিল। খেতে বসলে কিন্তু খেতে পারি তা মন্দ না তবে কম খাবার চেষ্টা করি। কিন্তু এমন মজার বিরিয়ানি হলে কি লোভ সামলানো যায়?
ফটোগ্রাফি-৬
এখন যে ফটোগ্রাফি দেখতে পাচ্ছেন যেটা হচ্ছে পাউরুটির ফটোগ্রাফি। আমরা সবাই জানি পাউরুটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সকালের কিংবা বিকেলের নাস্তা তৈরি করা যায়। তবে ওভেনে দিয়ে এভাবে পাউরুটি টোস্ট করে খেতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। যদি সকালে এভাবে পাউরুটির টোস্ট করে যদি মাখন কিংবা জেলি অথবা নুটেলা দিয়ে খেতে অনেক ভালো লাগে। তাছারা সবজি কিংবা মাংস দিয়ে খেলেও মন্দ না।
ফটোগ্রাফি-৭
বিকেলের কিংবা সকালের নাস্তায় ঝাল ঝাল কোন খাবারের সাথে যদি সস না থাকে তাহলে সেই খাবার তেমন একটা জমে উঠে না। আমরা কিন্তু যে কোন ঝাল জাতীয় নাস্তার মধ্যে সস খেয়ে থাকি। আমার আবার সাদা সস খুবই ভালো লাগে। আমার বাচ্চারা রেড চিলি সস বেশি পছন্দ করে। তবে আমি হোয়াইট সস অনেক বেশি পছন্দ করি। সেজন্য আমি একটা প্লেটের মধ্যে একদিকে রেড চিলি সস এবং অন্যদিকে হোয়াইট সস নিয়ে রাখলাম। চিকেন ফ্রাই কিংবা ফ্রেন্স ফ্রাই এর সাথে খেতে অনেক ভালো লাগে।
আশা করি আমার আজকের শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের ভালো লেগেছে। আপনাদের কাছে আমার আজকের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগার মানে হচ্ছে আমার শেয়ার করার সার্থকতা। তো বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে। |
|---|
ক্যামেরার বিবরণ
| ডিভাইসের নাম | Wiko,T3 |
|---|---|
| মডেল | W-V770 |
| ফটোগ্রাফার | @samhunnahar |
| লোকেশন | কক্সবাজার |
| ক্যাটাগরি | ফুড ফটোগ্রাফি |
আমি সামশুন নাহার হিরা।আমার ইউজার আইডি@samhunnahar।আমি আমার বাংলা ব্লগে কাজ করছি বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে।
আমি বাংলা ভাষায় লিখতে-পড়তে ভালবাসি। আমি রান্না করতে পছন্দ করি।ভ্রমণ আমার প্রিয় একটি নেশা।
আমি বিভিন্ন ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি।তাই আমি আমার মনের ভাব বাংলায় প্রাকাশ করতে পেরে অনেক আনন্দিত।তার জন্য আমার প্রাণের কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"কে অনেক ভালবাসি।
আপনার ফুড ফটোগ্রাফি গুলো খুব সুন্দর হয়েছে।ফুড খেতে সবই পছন্দ করে। আপনার ফুড ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে অনেক লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে আমাদের মাঝে এতো সুন্দর ফুড ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগার জন্য।
এত সুন্দর সুন্দর লোভনীয় খাবার গুলো খেয়েছেন ভালো কথা। এটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার কি আছে বলেন তো। এই খাবার গুলো দেখে আমার খিদে বেড়ে গেল। এখন আপনার ঐ খাবারগুলো তো খেতে ইচ্ছা করছে তাহলে এখন আমি কি করবো। খুবই চমৎকার এবং সুস্বাদু কিছু খাবারে ফটোগ্রাফি করেছেন। দেখে তো আমার জিভে জল চলে এসেছে।
কি আর করার এত লোভ যদি লেগে যায় তাহলে চলে আসেন আপনাকে দাওয়াত দিলাম।
স্টিমিট এর সমস্যার কারণে খাবার গুলোর ছবি দেখতে পারলাম না। তবে বর্ণনা পরে ভালো লাগলো। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমারো খুব পছন্দের খাবার। একটু ক্রিস্পি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই গুলো বেশি ভালো লাগে। সাথে সস হলে তো কথাই নাই। শুভেচ্ছা রইলো।
একদম ঠিক বলছেন ভাইয়া ফ্রিপসি ফ্রেন্স ফ্রাই গুলো খেতে ভীষণ ভালো লাগে আমার কাছেও।
ঠিক বলেছেন আপু ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়ায় সবাই অনেক ভালো আছে। তবে লোভনীয় সব খাবার গুলো দেখে কিন্তু খেতে ইচ্ছে করছে আপু। আপনি অনেক সুন্দর করে এই ফটোগ্রাফি গুলো করেছেন এবং আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বৃষ্টির দিনে ফ্রাই খাবার গুলো অনেক ভালো লাগে আপু।
এত লোভনীয় খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে তো খাওয়ার জন্য লোভ লেগে যায়। প্রতিটি ফটোগ্রাফি লোভনীয় ছিল। সবগুলো ফটোগ্রাফির সাথে খুব সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন। এত লোভনীয় খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু আমার ফুড ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগার জন্য।
আপনি খুব চমৎকার লোভনীয় কিছু ফুড ফটোগ্রাফি করেছেন । সবাই খাওয়া দাওয়ার উপর বেশি নজর থাকে মানুষের। এই কারণে বাসায় এবং বাহিরে মজার মজার খাবার গুলো খেয়ে থাকে। শুনে খুব ভালো লাগলো প্রতি সপ্তাহে আপনি একটি করে ফটোগ্রাফি পোস্ট করেন। আপনার সবগুলো ফুড ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে। অনেক সুন্দর করে ফটোগ্রাফি গুলো বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলেই বাঙালি বলে কথা বাঙালিরা একটু ভোজন বিলাসী বেশি তাই খাবারের প্রতি লোভও বেশি।
বাহ আপু আপনার বিভিন্ন ধরনের ফুড ফটোগ্রাফি দেখে আমার তো লোভ লেগে গেল। এখনই মনে হচ্ছে খেয়ে নেই ।দারুন সব খাবারের ফটোগ্রাফি নিয়ে আপনি আমাদের মাঝে হাজির হয়েছেন যা দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে ।ধন্যবাদ আপনাকে।
চলে আসেন আপু আপনাকে নিয়ে আবার বাইরে খেতে যাব।
https://steemit.com/hive-129948/@samhunnahar/34ef9e
অনেক সুন্দর সুন্দর খাবার খেয়ে তার স্বাদ উপভোগ করেছেন।পোস্টটি যেভাবে শেয়ার করেছেন ঠিক সেভাবে যদি খাবারগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করতেন তাহলে আরো ভালো হতো। একটু দুষ্টামি করলাম আপু আপনার পছন্দের খাবারগুলো ক্যামেরা বন্দি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
হা হা হা ঠিক বলছেন এভাবে খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে সত্যি খেতে ইচ্ছে করে।
বেশ মজাদার কিছু খাবারের সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপু। খাবারগুলোর ছবি দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। বেশ সুন্দর হয়েছে ফটোগ্রাফিগুলো। আমার বেশ সুন্দর লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ আপু।
খাবার গুলো বেশ লোভনীয় আপু তাছাড়া প্রতিটি খাবার আমার অনেক পছন্দের ছিল।