বিআরটিসিতে নবীন বরণ 🚗
আসসালামু আলাইকুম
আমি @sajjadsohan from 🇧🇩.
১৯ আগস্ট, শনিবার।
আ মার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভাল আছি, আজকে নিজের কিছু মনের কথায় লিখে দেয়ার চেষ্টা করব, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার চেষ্টা করব।
কতসংখ্যক মানুষ ফরম জমা দিয়েছে জানিনা তবে প্রথম পরীক্ষায় যে মার্ক দেওয়া হয়েছে সেখানে আমি 79/150 তম হয়েছি। যাইহোক মোটামুটি বুঝতে পারছি যে টিকে যাব, আজকে আমাদের প্রথম দিন ছিল যদিও আজকে ক্লাস হবে না কিন্তু নবীন বরণ টাইপের একটা অনুষ্ঠান করার চেষ্টা করেছিল।
সকাল আটটার সময় যেতে বলেছিল আমি জানি এটা সরকারি অফিস তাই নয়টার সময় গিয়েছিলাম। যাওয়ার সময় এখানকার যত পরিচিত বন্ধুবান্ধব ছিল তাদের সাথে আগে দেখা করলাম এবং একসাথে আমরা অফিসে ঢুকলাম, ওই একটা স্বভাব নতুন হয়েও আমি টিচারদের সাথে ঘোরাঘুরি করছি। যেখানে আমিও নবীন এবং আমাকে বরণ করা হবে সেখানে নবীন বরণে কি কি থাকবে সেই প্লানিং এ আমি রয়েছি। যদি এটা সম্ভব হয়েছে সিনিয়র যারা ছিল তারা আমার বন্ধু তাই।
সবার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা ফুল কিনা সবাইকে সময় মত ম্যানেজ করা ইত্যাদি কাজের মধ্যে আমরা চার পাঁচ জন ছিলাম, এতটাই ব্যস্ত ছিলাম যে আমরা আমাদের কাজের ছবিগুলো তুলতে পারিনি, প্রথম দিন হিসেবে অনেক পরামর্শ দেয়া হলো যেগুলো মাথায় রাখা ভালো তবে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না। মোটকথা ছিল রেগুলার ক্লাস করতে হবে কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না।
আমার খুব খারাপ লাগলে একটা বিষয়ে সেটা হচ্ছে কোন এক বড় কর্মকর্তা আসবেন অফিসে, আমরা তার জন্য উপস্থিত সকাল আটটা থেকে এবং তার আসার কথা ছিল ১১ টায়। সে কর্মকর্তা দুপুর ১:৩০ টা বেজে যায় তাও সে আসতে পারে নাই, ২০০ জন মানুষের মধ্যে অনেক মানুষই বিরক্ত হয়ে চলে যাচ্ছিল, আমি শুধুমাত্র বন্ধুত্বের খাতিরে এত সময় পর্যন্ত ছিলাম। সুযোগ পেলাম ফটোগ্রাফি করার যদিও ইচ্ছে ছিল না, যাইহোক কর্মকর্তার এসেছিল কিনা তা আমার জানা নেই, ১:৩০ টা সময় আমরা সবাই অফিস থেকে বিদায় নিলাম কারণ আর থাকা সম্ভব হচ্ছিল না। স্যাররাও কিছু বললেন না কারণ তারাও বুঝতে পারছিল এত সময় স্টুডেন্টদেরকে ধরে রাখা সম্ভব না।
অভিজ্ঞতাটা খুব একটা ভালো না হলেও, খুব আগ্রহী পরবর্তী দিনগুলো কিরকম হবে। বাসা থেকে এখনো চায় না আমি ড্রাইভিং শিখি। এটা আমার ইচ্ছা ড্রাইভিং করি বা না করি লাইসেন্স তৈরি করে রাখবো। এখন যেহেতু ভার্সিটি শেষের একটা সময় আর মাত্র কয়েক মাস এবং জব থেকেও বিরতিতে আছি এই সময়টা কাজে লাগাচ্ছি। ইউনিভার্সিটি জীবন শেষ হয়ে গেলে হয়তো এরকম আর এই সময় পাবো না।
আমি সাজ্জাদ সোহান
আমি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একজন শিক্ষার্থী। আমি ঢাকাতে বসবাস করি। আমি ট্রাভেল করতে অনেক ভালোবাসি, এছাড়া অবসর সময়ে মুভি দেখি, ফটোগ্রাফি করি, গান করি। আমি একটু চাপা স্বভাবের তাই কম কথা বলি কিন্তু আমি একজন ভালো শ্রোতা। ভালোবাসি নতুন জিনিস শিখতে, মানুষকে ভালবাসি তাই মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসি।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR

পরীক্ষার টিকে গিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। আপনাকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তারপরে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে অনেক ব্যস্তময় মুহূর্ত পার করেছেন। অনেক ছবি শেয়ার করতে পারতেন কিন্তু ব্যস্ততার কারণে তা হয়ে ওঠেনি ভালো লাগলো অনেক সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন।
এখনো এখান থেকে অনেক মানুষকে বাদ দেয়া হবে, ওয়েটিং লিস্টে এখনও বেশ অনেকগুলো মানুষ হয়েছে। সকালে ক্লাস করতে হয় এটাই একটা মুশকিল, শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
তাহলে তো খুবই ভালো বিষয় দেখছি ভাইয়া সিনিয়াররা আপনার বন্ধু হবার কারণে অনেক ভালো হয়েছে আপনার। নবীন হওয়া সত্বেও আপনি নবীন বরণের প্লানিং এর জন্য কাজ করছেন। আসলে সরকারি অফিসগুলো এমনই হয় সময়ের কোনো ঠিক থাকে না সেখানে।
হ্যাঁ একদিকে যেমন বিষয়টা খুব মজার দিকে কিন্তু ঝামেলার ও , কারণ আপনি ওই ভাবে ক্লাস করতে পারবেন না পুরনো যারা তারা সব সময় ভাবে আরে বাদ দে আমরা তো আছি, এছাড়া যে কোনো ঝামেলার মধ্যেই আপনাকে থাকতে হবে একটু অতিরিক্ত সময় দিতে হবে, যদিও এখানে বেনিফিটটাই বেশি হাহাহা।
স্টুডেন্টদেরকে আটটার সময় আসার কথা বলে ১.৩০ টার সময় স্যার আসে না। কি অবস্থা। যায়হোক তাও সবাই অনেকক্ষন বসে ধৈর্যের পরিক্ষা দিয়েছে। আপনার পরিচিত মানুষ থাকায় ভালই হয়েছে। সব কিছু সহজ হবে। ধন্যবাদ।
সরকারি অফিসার তো তাদের নানান ধরনের কাজ, যাইহোক অপেক্ষা করতে করতে তারপর সবাই বের হয়ে গেল, সরকারি কাজের একটু ধৈর্য নিয়েই করতে হয়।