পুকুরে বের জাল পেতে মাছ ধরা
হ্যালো বন্ধুরা,
আমরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি,আপনারা সবাই ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আজ আমি পুকুরে বের জাল পেতে মাছ ধরার মজার মুহূর্তটা আমাদের সবার মাঝে উপস্থাপন করছি ।আশা করি,আপনাদের সবার ভালো লাগবে তাই বিলম্ব না করে আমার পোস্ট লেখাটি শুরু করছি।
আমার মামা আমাকে হঠাৎ একদিন ফোন দিয়ে বলে পুকুরে মাছ ধরতে হবে তুমি কাল সকালে চলে আসো। আমিও মামার কথা ফেলতে পারলাম না তাই আমিও সাথে সাথে হ্যাঁ বলে দিলাম। সেদিন রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমি তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লাম কারণ সকাল সকাল মামার বাড়ি যেতে হবে কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছে না। শুধু মনে মনে ভাবতে লাগলাম কতদিন মামা বাড়ি যায় না মামীর হাতের সেই সুস্বাদু খাবার কতদিন খাই না আমি। এই ভাবছি আর ঘড়ির দিকে থাকি সময় দেখছি কখন সকাল হবে কখন যাব মামার বাড়ি। আমার মামা আমাকে খুবই ভালবাসে আমি যেটা আমার মার কাছে চেয়ে পাইনি সেটা মামার কাছে চেয়ে পেয়েছি। আমি মামার কাছ থেকে অনেক কিছু শিক্ষা পেয়েছি জ্ঞান অর্জন করেছি যাই হোক সেসব কথা পরে একদিন বলব।
যাই হোক এই ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম আমি নিজেই জানিনা সকাল হতেই আমার ফোনের অ্যালার্মটা বেজে উঠল। আমি সাথে সাথে অ্যালার্মটা বন্ধ করে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে বাইকে নিয়ে রওনা হলাম মামা বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে। আমি ৪৫ মিনিটের মতন গাড়ি চালানোর পর পৌঁছে গেলাম মামার বাড়ি। মামার বাড়িতে যেয়ে মামিকে ডাক দিতেই মামীর ঘর থেকে বেরিয়ে এলো। আমাকে দেখে খুব আনন্দিত হয়ে বল কেমন আছো তুমি বাবু? মামি আমাকে বাবু বলে ডেকে থাকে। আমি মামীর প্রশ্নের উত্তর দিলাম। আমি সবার খোঁজ খবর নেওয়ার পর মামীকে বললাম আমার খুব ক্ষুধা লেগেছে। মামি সঙ্গে সঙ্গে রান্না ঘরে যে আমার জন্য খাবার প্রস্তুত করলো। আমি যে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে নিলাম খাওয়ার মাঝেই মামা এসে আমাকে বলল বাজান তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও মাছ ধরার মানুষ চলে আসছে। আমি আবার খাওয়ার সময় কথা বলি না তাই মামাকে মাথা নেড়ে বললাম।
যাই হোক খাওয়া দাওয়া শেষ করে চলে গেলাম পুকুরে মাছ ধরার জন্য। পুকুরের কাছে যেতেই দেখতে পেলাম একটি বের জাল এটি দিয়েই মাছ ধরা হবে। জালটি দুপাশে মেলে পুকুরের পাশ দিয়ে আস্তে আস্তে জালটি মেলে দেওয়া হলো যাতে কোন ভাবে মাছ জলের বাইরে না যেতে পারে। এরপর পুকুরের চারপাশে জাল নিয়ে আস্তে আস্তে টেনে সম্পূর্ণ পুকুরটি ঘিরে ফেলা হলো। এই বের জালটি টানতে অনেক লোকের প্রয়োজন হল কারণ এত বড় জাল এক দুজনের পক্ষে এটি আয়ত্ত করা সম্ভব নয়। যাই হোক সম্পূর্ণ পুকুরটি জাল দিয়ে ঘেরার পর খুব সাবধানে জালগুলো একত্রিত করে ফেলা হলো। একটা কথা বলতে ভুলে গেছি আমিও কিন্তু তাদের সাথে মাছ ধরার জন্য পুকুরে নেমেছিলাম।
তারিখ :০৪.০৫.২০২৩
সময় :১১.১৪মিনিট
স্থান: দিয়াপাড়া
জলগুলো যখন একত্রিত করে ফেলা হলো তখন যেন মাছ গুলো ছটফট করতে শুরু করল। আমার খুবই ভয় করছিল কারণ এত মাছ আমি এভাবে এমন ভাবে কোনদিনই দেখিনি। জালটি যখন জলের একটু উপরে তুলে আনা হলো তখন দেখতে পেলাম অনেক প্রকারের মাছ যেমন রই,কাতলা, মির্গে, তেলাপিয়া, টেংরা, ভেটকি, চিংড়ি ইত্যাদি আমরা সবাই মাছগুলো ধরে একটি পাত্রে রাখতে শুরু করলাম।
ক্যামেরা পরিচিতি:oppo
ক্যামেরা মডেল :oppo A53s 5G
ক্যামেরার দৈর্ঘ্য :3.37mm
তারিখ :০৪.০৫.২০২৩
সময় :১২.০৪মিনিট
স্থান: দিয়াপাড়া
একে একে সবগুলো মাছ জাল থেকে পাত্রে রাখা হয়ে গেল। মাছ ভরা পত্রটি জল থেকে উপরে উঠিয়ে মাছগুলো পরিষ্কার পানিতে ভালো করে পরিষ্কার করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করলাম। এর মাঝে মামি দুইটি ভেটকি নিয়ে আমাদের সবার জন্য সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করল। আমরা সবাই স্নান করে পরিষ্কার হয়ে একসাথে বসে মামীর এই সুন্দর রেসিপিটি খেলাম। আমার এই প্রথম ছিল এমন ভাবে মাছ ধরা সত্যি এমন ভাবে মাছ ধরে আমার খুবই মজা লেগেছে।
পুকুরের এভাবে মাছ ধরার দৃশ্য আপনি খুবই সুন্দরভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। আসলে মাছ ধরার দৃশ্য গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। অসাধারণ কিছু মুহুর্ত শেয়ার করেছেন।
মাছ শিকার করতে আমার খুবই ভালো লাগে এর মধ্যে অন্যরকম একটি মজার এবং আনন্দ নিহিত রয়েছে।।
মামা ভাগ্নে একসাথে মাছ ধরতে গিয়ে নিশ্চয়ই অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন আপনার ছবিগুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো অনেকদিন হলো এরকম ভাবে মাছ ধরা হয় না।।
ছোট্টবেলা পুকুরে খুব সকালে এইভাবে বেড় জাল ফেলে মাছ ধরা হতো সেই মুহূর্তে উপস্থিত থাকতে না পারলে এতটাই কষ্ট পেতাম সেটা বলে বোঝানো যাবে না । যেটা আপনার শেয়ার করা গল্প এবং মাছের দৃশ্যগুলো দেখে মনে পড়ে গেল। মাছ মারা ধরা দুটোই আনন্দের কাজ অনেক ভালো লাগে আমার কাছে।
ধন্যবাদ আপনাকে সময় করে আমার পোস্ট করার জন্য
মাছ ধরতে আমার বেশ ভালো লাগে। তবে এই পদ্ধতিতে আমি শুধু একবারই মাছ ধরেছিলাম। আরে হ্যাঁ সকালে যদি নিজের জন্য ইন্টারেস্টিং কিছু অপেক্ষা করে তাহলে রাতে ঘুম আসতেই চায়না। যাইহোক আপনার পোস্টটি পড়ে বুঝতে পারলাম আপনার মামা-মামী মনে হচ্ছে আপনাকে বেশ ভালোবাসে। যাই হোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এই সুন্দর পোস্টে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আমার মামা-মামী আমাকে খুবই ভালোবাসে আর আপনাকেও ধন্যবাদ
আপনি প্রথম বার এভাবে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা খুব সুন্দর ভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। পুকুরে জাল ফেলে মাছ ধরার দৃশ্য দেখে খুব ভালো লাগলো। এই অভিজ্ঞতা আমার না থাকলেও দেখার অভিজ্ঞতা ভালোই আছে। আমি যখন শ্বশুর বাড়ি যাই তখন হাসবেন্ড মাছ ধরলে আমি বালতি নিয়ে তার পিছন পিছন ঘুরতে থাকি। যখন জালের মধ্যে মাছগুলো ছটফট করতে থাকে তখন আমার কাছে অনেক ভালো লাগে।
ধন্যবাদ আপু সময় করে আমার পোস্টটি দেখার জন্য
পুকুরে এভাবে বের জাল দিয়ে মাছ ধরা দৃশ্য দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। যখন ছোট ছিলাম নানুর বাড়িতে গেলে এরকম মাছ ধরার দৃশ্য গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগতো । আপনার পোস্টে ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মনে পড়ে গেল। সাথে আপনার মামীর হাতের মজার রান্নাও খেয়ে আসলেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
পুকুরে জাল দিয়ে মাছ ধরার খুবই সুন্দর মুহূর্তের কথাগুলো আপনি দারুন ভাবে উপস্থাপন করেছেন। আসলে আমাদের গ্রাম অঞ্চলে এভাবে জাল দিয়ে পুকুর থেকে মাছ সংগ্রহ করা হয়। জেলেরা জাল দিয়ে এভাবে পুকুর থেকে প্রায় সব ধরনের মাছ ধরতে সক্ষম হয়। পুকুর থেকে মাছগুলো ধরার পরে এই মাছগুলো পরিষ্কার করে বিক্রয় করা হয়। মাছ ধরা মুহূর্ত টা দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে।
মাছ শিকার করতে সবারই কম বেশি ভালো লাগে ধন্যবাদ আপনার এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।