ইকো পার্কে ঘোরাঘুরির কিছু সুন্দর মুহূর্তের প্রথম পর্ব।

in আমার বাংলা ব্লগlast year

হ্যালো বন্ধুরা,

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে ইকো পার্কে ভ্রমণের কিছু মুহূর্ত উপস্থাপন করছি। আশা করি, আপনাদের সবার ভালো লাগবে। তাই বিলম্ব না করে আমার পোষ্ট লেখাটি শুরু করছি।



অনেকদিন হয়ে গেছিল কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না। আগে মাঝেমধ্যে একটু গ্রামের দিকে যাওয়া হতো মনটা খুব ভালো থাকতো। কিন্তু বর্তমান ঘুরতে যাওয়াটা একটু কমে গিয়েছে।বাড়ি থেকে জিমে জিম থেকে বাড়ি বেশ কিছুদিন এমনটি হয়ে আসছে একঘেয়েমি চলে এসেছিল। তাই একদিন ডিপ্রো দাদাকে বললাম বাড়িতে বসে থাকতে থাকতে একঘেয়েমি চলে এসেছে চলো কোথাও যে ঘুরে আসি।ডিপ্রো দাদা ও খুব ভ্রমণ প্রিয় মানুষ তাই আমার এক কথাতেই দাদা রাজি হয়ে গেল। দুঃখের বিষয় ঘুরতে গেলে সবাই খাওয়া-দাওয়া করে কিন্তু আমরা পারবো না। কারণটা হলো বাংলা মাসের চৈত্র,বৈশাখ এই দু মাস আমি নিরামিষ খেয়ে থাকি কোন রকম আমিষ আর করি না। এর একটি কারণ আছে সেটি পরে একদিন বলব। আর যেহেতু চৈত্র মাস পরে গিয়েছে তাই আমি নিরামিষ আহার করছি যার কারণে বাইরে কোন খাবার আমি খাব না আর আমি যদি না খাই দাদা ও খেতে পারবে না।


যাই হোক, সেদিন ছিল শনিবার দুপুরে খাওয়া-দাওয়া করে একটু রেস্ট নিয়ে সাড়ে তিনটার দিকে আমরা রওনা করলাম ইকো পার্কে যাওয়ার জন্য। খুব পরিচিত একটি ইকোপার্ক আগে ও আমি এই পার্কের বিষয়ে পোস্ট করেছি। ২০০ বিঘা জমির উপর এই ইকো পার্কটি তৈরি করা হয়েছে। আজ পর্যন্ত অনেকবার গিয়েছি কিন্তু ইকো পার্কের প্রথম থেকে শেষ এখনো করতে পারেনি। কারণ অল্প সময়ে এই পার্ক ভ্রমণ করে শেষ করা সম্ভব নয়। হাতে অনেকটা সময় নিয়ে আসলে তবেই সম্ভব। যাইহোক, এই পার্কের চারটি গেট রয়েছে। আমরা বেশিরভাগ সময় চার নম্বর গেট থেকে প্রবেশ করি। কিন্তু সেদিন আমাদের ইচ্ছা ছিল দুই নম্বর গেট থেকে প্রবেশ করার।কারণ এখনও পর্যন্ত দুই নম্বর গেট থেকে প্রবেশ করা হয়নি আর ওই জায়গাটা আমরা এখনো ভ্রমণ করিনি।কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আমরা যখন বাইক নিয়ে দুই নম্বর গেটে প্রবেশ করতে যাই তখন আমাদের প্রবেশ করতে দিল না। এখানের গার্ড আমাদের জানালো এখানে বাইক পার্কিং করা যাবে না। আমাদের বাইক পার্কিং করতে হলে তিন নম্বর গেটে যেতে হবে।


যাই হোক, কি আর করার আমরা চলে গেলাম তিন নাম্বার গেটে। আমরা যেটি পরিকল্পনা করেছিলাম সেটি হলো না। তাই ভাবলাম একবার যখন এসেই পড়েছি ভিতরে প্রবেশ করি। বাইক পার্কিং করে ৩০ টাকার দুটো টিকিট কেটে আমরা ভেতরে প্রবেশ করলাম। একটি অবাক করা বিষয় হলো বর্তমান সব জিনিসের দাম বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই পার্কের টিকিটের দাম বাড়েনি। ভিতরে প্রবেশ করে হাঁটতে হাঁটতে চলে গেলাম মাক্স এর জায়গায়। বেশ জায়গা জুড়ে অসংখ্য মাক্সে এখানে রয়েছে এবং তার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফুল গাছ এখানে আছে। যার জন্য জায়গাটি অসম্ভব সুন্দর লাগছিল। ভেতরে প্রবেশ করে আমি কিছু মাক্স এর ছবি তুললাম।
IMG20250322170130.jpg

IMG20250322170627.jpg

IMG20250322170340.jpg

IMG20250322170200.jpg

IMG20250322170904.jpg

IMG20250322170804.jpg

IMG20250322170255.jpg
ক্যামেরার পরিচিতি : OPPO
ক্যামেরা মডেল : OPPO A79 5G
ক্যামেরা দৈর্ঘ্য :4.05mm
তারিখ :২২.০৩.২০২৫
সময় :০৫.০৬ মিনিট
স্থান : কলকাতা


অনেকটা সময় এর ভিতর ঘোরাঘুরি করলাম খুব ভালই লাগছিল।কারণ অনেকটা দিন পর ইট পাথরের দেয়াল থেকে বেরিয়ে মুক্ত আকাশের নিচে খোলা মেলা পরিবেশে হাঁটতে খুব ভালই লাগছিল।

আজ পরবর্তী এখানে শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই প্রার্থনা করি।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.098
BTC 64529.31
ETH 1873.71
USDT 1.00
SBD 0.38