মজাদার সবজি খিচুড়ির রেসিপি।
মৌর্য যুগের চন্দ্রগুপ্তের শাসনামলে চাল ডালের সংমিশ্রণে তৈরি এই খিচুড়ির উল্লেখ পাওয়া যায় চাণক্যের লেখায়। আবার সপ্তদশ শতকের ফরাসি পরিব্রাজক তাভেরনিয়ের লিখেছিলেন। সেই সময়ে ভারতের প্রায় সব বাড়িতেই খিচুড়ি খাওয়ার রেওয়াজ ছিলো। আবার খাওয়া-দাওয়ার দিক থেকে মোঘলরা ছিল এক কাঠি সরেশ। তারা এই খিচুড়ির বিভিন্ন রকম নতুন রেসিপি তৈরি করেছিলেন। তবে তাদের সেই খিচুড়ি কোন সাধারণ খিচুড়ি ছিল না। একেবারে শাহী খিচুড়ি সেই খিচুড়ির ভেতর কখনো তারা ব্যবহার করতেন মাংস বা মাংসের কিমা। আবার কখনো ব্যবহার করতেন বিভিন্ন রকমের বাদাম কিসমিস এই ধরনের জিনিস।
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| চাল | ১/২ কেজি |
| মসুর ডাল | ১৫০ গ্রাম |
| আদাবাটা | ১ টেবিল চামচ |
| রসুন বাটা | ১ চা চামচ |
| পেঁয়াজ বাটা | ১ টেবিল চামচ |
| কাচামরিচ | ৭ টা |
| হলুদ গুড়া | ১ টেবিল চামচ |
| মরিচ গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| জিরা গুড়া | ১ চা চামচ |
| ধনিয়া গুড়া | ১ চা চামচ |
| লবন | সাদ মতো |
| সবজি | ফুলকপি, আলু, পেয়াজের ফুল |
প্রথমে একটি কড়াইতে তেল নিয়ে কিছুক্ষণ গরম করি। তারপর তার ভেতরে কেটে রাখা পেঁয়াজগুলি দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নেই।
তারপর কড়াইয়ের ভেতর বাটা মশলাগুলো যোগ করি। বাটা মশলাগুলো দেয়া হলে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করি।
এখন কড়াইয়ের ভেতর সমস্ত গুড়া মসলা যোগ করি। সমস্ত মসলা দেয়ার পর কিছুক্ষণ মসলাগুলো কষিয়ে নেই।
এখন কড়াইয়ের ভেতর চাল ডাল দিয়ে দেই।
এখন ধনিয়া গুড়া, জিরা গুড়া এবং কেটে রাখা কাঁচা মরিচ গুলো কড়াইয়ের ভেতর দিয়ে চাল ডাল ভালোমতো ভুনে নেই। এই অংশটা বেশ সময় নিয়ে করতে হবে। আবার খেয়াল রাখতে হবে যাতে নিচে পুড়ে না যায়। এই ভুনা যত ভালো হবে আপনার খিচুড়ির টেস্ট তত ভালো হবে।
এখন রাইস কুকারের ভেতর পরিমাণ মত পানি দিয়ে কিছুক্ষণ গরম করে নেই।
এখন ভুনে রাখা চাল ডালের মিশ্রণটা রাইস কুকারের ভেতর দিয়ে দেই।
এখন কেটে রাখা সবজিগুলো রাইস কুকারের ভেতর দিয়ে দেই।
মাঝে মাঝে রাইস কুকারের ঢাকনা খুলে দেখতে হবে রান্না কতদূর হলো। আর একটু নেড়েচেড়ে দিতে হবে।
ব্যাস তৈরি হয়ে গেল অত্যন্ত মজাদার এবং পুষ্টিকর সবজি খিচুড়ি। আমরা অবশ্য এই খিচুড়ির সাথে ডিম ভুনা, আলু ভর্তা, মরিচ পেঁয়াজ ভর্তা এবং আচার নিয়েছিলাম। সবকিছু প্লেটে নেয়ার পর দেখেই খেতে ইচ্ছে করছিলো। আপনারা চাইলে এই খিচুড়িটা যে কোন কিছুর সাথে খেতে পারেন। আশা করি ভালই লাগবে।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপনার এই পোস্ট করেই বুঝতে পারলাম যে আপনি খিচুড়ি অনেক বেশি পছন্দ করেন যেহেতু আপনি এক বেলা করে খিচুড়ি খেতে পারবেন। তবে এটা জেনে আরো বেশি ভালো লাগলো যে ইলিশ মাছ ভাজি দিয়ে খিচুড়ি খেতে আপনার অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। আপনার মত আমিও খিচুড়ি অনেক বেশি পছন্দ করি, আপনার এই মজাদার সবজি খিচুড়ির রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু এবং গোপনীয় ছিল। আসলে এরকম খিচুড়ি দেখলে লোভ সামলানো মুশকিল হয়ে পড়ে।
মানে রেসিপি তো একদম উৎকৃষ্ট ছিলই তার ভেতর খিঁচুড়ি সম্পর্কিত তথ্য থাকায় পুরো পোস্টটা একদম মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো হয়েছে।ভীষন ভালো লাগলো নতুন কিছু জেনে।
খিঁচুড়ি আমার কাছে বরাবরই ফেভারিট। সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন, শুভ কামনা জানাই।
খিচুড়ি এই ইতিহাসে তো আগে জানতাম না,তবে মাংস দিয়ে খিচুড়ি খেতে আমার খুব ভালোই লাগে,তাছাড়া ডিম ভাজি কিংবা ইলিশ ভাজি দিয়ে দারুণ লাগে।যদিও সবজি খিচুড়ি টা আমার কেমন জানি লাগে,তবে আপনার খিচুড়ি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ ভালো হয়েছে।ফুলকপি আলু ও পেঁয়াজফুলের সমন্বয়ে দারুন খিচুড়ি হয়েছে। প্রতিটি ধাপ আপনি খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ
ভাইয়া আপনি তো চাল ডাল দিয়ে খুব চমৎকার সবজি খিচুড়ি তৈরি করলেন। এটি ঠিক বলেছেন যে প্রত্যেকটি বাঙালির খিচুড়ি খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আমারও সবজি খিচুড়ি আর ইলিশ মাছের খিচুড়ি খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আপনার তৈরি করা খিচুড়ি দেখেই খুবই লোভ হচ্ছে। দু-তিন দিন আগে আমার শ্বশুর বাড়িতে গিয়েছিলাম যখন তখন তারাও খিচুড়ি তৈরি করেছিল। আজকে আপনার তৈরি করা খিচুড়ি দেখে আবার অনেক ভালো লাগলো। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য।
খিচুড়ির রেসিপি দেখতে এসে ইতিহাসও জেনে নিলাম। যাইহোক শীতকালে সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না আসলেই ভালো। কারণ সকল মৌসুমে তো আর সবরকম সবজি পাওয়া যায় না। সত্যি বলতে এভাবে সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করিনি। আপনার রেসিপিটি দেখে তৈরি করব ভাইয়া।
প্রথমে বলে রাখি ভাইয়া খিচুড়ি কিন্তু আমার খুবই প্রিয় একটি খাবার। আর তাই আপনার রেসিপিটি দেখে আমার কিন্তু অনেক লোভ লেগে গেছে ভাই। তবে ভাইয়ার স্বাভাবিক খিচুড়ির থেকে সবজির খিচুড়ি খেতে কিন্তু অনেক স্বাদ হয়। আপনি খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে আমাদেরকে দেখিয়েছেন কিভাবে আপনি খিচুড়ি রান্না করেছেন এবং খুব সুন্দর বর্ণনাও করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাইয়া শীতকালে আপনার খিচুড়ি খাওয়ার ধরনটা তো দেখছি একটু ভিন্ন রকমের। আর সাথে ইলিশ মাছ দিয়ে খিচুড়ি খেতে আমার অনেক ভালো লাগে।কিন্তু সবজি দিয়ে কখনোই খাওয়া হয়নি। খিচুড়ির এই স্পেশাল রেসিপিটি আমার অনেক পছন্দ হয়েছে ।আমি এইভাবে ফুলকপি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খাব। কারণ নতুন রেসিপি আমার কাছে বেশি ইন্টারেস্টিং লাগে।
আমারও শীতকালে সবজি খিচুড়ি খেতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে😊। তবে এই সবজি খিচুড়ি রেসিপিটি দেখতে খুব সুস্বাদু ও মজাদার লাগছে। আমার কাছে সবজি খিচুড়ির রেসিপিটি খুব ভালো লেগেছে🥰। এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
সবজি খিচুড়ি আমার কাছে খেতে খুবই ভালো লাগে। কিন্তু শীতের সময় একটু বেশি ভালো লাগে সবজি খিচুড়ি। কারণ শীতের সময় বিভিন্ন রকম সবজি পাওয়া যায় যা দিয়ে খিচুড়ি রান্না করলে খেতে খুবই মজা লাগে। প্রায় সময় এভাবে খিচুড়ি তৈরি করে খাওয়া হয়। আপনার রেসিপিটি দেখে লোভনীয় লাগছে। এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
শীতের সময় আমার কাছে সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খেতে অনেক ভালো লাগে ভাইয়া। তাই আজ আমি বাসায় খিচুড়ি রান্না করেছি। আমার কাছে শুধু ইলিশ মাছ ভাজি নয় যেকোনো মাছ ভাজি দিয়ে খিচুড়ি খেতে অনেক ভালো লাগে। সত্যিই অনেক ভালো লাগলো আজকে আপনার খিচুড়ি রান্নার পদ্ধতি দেখে। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার জন্য শুভকামনা রইল।