আজকের প্রাতঃভ্রমন।
আমি সাধারণত ভোরে হাটাহাটি করতে ভালোবাসি। আর এই বর্ষা মৌসুমে আমি সুযোগ পেলেই পদ্মার পাড়ে চলে যাই। ওখানে গিয়ে কিছুটা সময় কাটিয়ে আসি। এই সময়টা আমি পুরোপুরি উপভোগ করি। সকালবেলার কোলাহলমুক্ত নদীর পাড়ে ভরা নদীর সৌন্দর্য দুচোখ ভরে উপভোগ করি। আজ সকালেও গিয়েছিলাম পদ্মার পাড়ে। উদ্দেশ্য ছিল দুটো। ঘোরাফেরা করা আর যদি পছন্দ হয় তাহলে নদীর তাজা মাছ কেনা। আজকে সকালের ভ্রমণের কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
প্রথম ছবি
স্থানলিংক
সকাল বেলার ফাঁকা নদীর ঘাট। একজন মানুষ নৌকার দিকে যাচ্ছেন। তিনি সম্ভবত কোন একটা নৌকার মাঝি। এই নৌকাগুলো মানুষদেরকে নদীর এপার থেকে ওপারে পারাপারের কাজে নিয়োজিত। নদীর এই ঘাট ইজারাদার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
দ্বিতীয় ছবি
স্থানলিংক
ছোট একটা জাহাজ ঘাটে ভিড়ে আছে। এই জাহাজ গুলো সাধারণত ভারী মালামাল অনেক দূর থেকে আনা-নেওয়া করে। বিশেষ করে সিলেট চিটাগাং থেকে সিমেন্ট রড বালু এগুলো আনার কাজে নিয়োজিত থাকে বর্ষা কালে।
তৃতীয় ছবি
স্থানলিংক
এগুলো সব মাছ ধরার জেলেদের নৌকা। সারারাত জেলেরা নদীতে মাছ ধরে তারপর ভোরে ঘাটে নিয়ে আসে মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে। সেখানে নিলামের মাধ্যমে মাছ বিক্রি হয়। এখান থেকে মাছ কিনলে একদম নদীর টাটকা মাছ পাওয়া যায়।
চতুর্থ ছবি
স্থানলিংক
এগুলো কিছুক্ষণ আগে ধরে আনা নদীর তাজা মাছ। এই মাছের স্বাদই আলাদা। বাজারে চাষের অনেক মাছ পাওয়া যায়। কিন্তু সে মাছের থেকে এই মাছের স্বাদ অনেক বেশি। নদীর এই মাছের অবশ্য দাম অনেকটা বেশি। ছবিতে নিলামে মাছ বিক্রির দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে পরবর্তীতে আপনার সাথে দেখা হবে অন্য কোন লেখা নিচ্ছে সে পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র | হুয়াই নোভা ২আই |
|---|
Cc- @rme
🇧🇩🇧🇩ধন্যবাদ🇧🇩🇧🇩
আমি রুপক। আমি বাংলাদেশী।আমি বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতে ভালোবাসি। আর বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য আমি আমার বাংলা ব্লগ কে ধন্যবাদ জানাই।