ফুড কার্টের মজার কাবাব খাওয়া।
ঢাকা শহরের যে জিনিসটা আমার কাছে সবচাইতে ভালো লাগে সেটা হচ্ছে এখানকার বৈচিত্র্যময় খাবার। সেটা যে শুধু বিভিন্ন নামিদামি রেস্টুরেন্ট এর খাবার তা নয়। ঢাকার স্ট্রিট ফুড গুলোও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। নানা রকম স্ট্রিট ফুডের দোকানগুলি সারা ঢাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সেই দোকানগুলোতে আপনি বিভিন্ন রকমের খাবার দেখতে পাবেন। কোথাও আছে চটপটি ফুচকা হালিম।
কোথাও আছে বিভিন্ন ধরনের লোভনীয় কাবাব। আবার কোথাও আছে বিভিন্ন ধরনের ড্রিংকস। তবে এই খাবারগুলোর ভেতরে আমার কাছে সবচাইতে বেশি পছন্দের কাবাব এবং ফুচকা। গতকালকে বিকালে আমি বের হয়েছিলাম একটু হাঁটাহাঁটি করতে। কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটির পর অনুভব করলাম হালকা ক্ষুদা লেগেছে। তখন চিন্তা করতে লাগলাম যে কি খাওয়া যায়। পরে মনে পড়ল অনেকদিন হলো বনশ্রীর স্ট্রিট ফুড এর দোকান থেকে কাবাব খাওয়া হয় না। তাই আজকে কাবাব খেলে মন্দ হয় না।
আমি যখনই ঢাকায় আসি তখন বনশ্রীর এই দোকানগুলি থেকে কাবাব খাই। কারণ এখানকার কাবাব খেতে যেমন মজাদার তেমনি দাম ও তুলনামূলকভাবে কম। তাই হাঁটতে হাঁটতে চলে গেলাম বনশ্রীর ৫ নম্বর রোডে। সেখানে বেশ কয়েকটি ফুড কার্ট আছে। যেগুলিতে লোভনীয় সব কাবাব পাওয়া যায়। এই ফুড কার্ট গুলিতে বেশ কয়েক ধরনের কাবাব পাওয়া যায়। তবে সবই চিকেনের কাবাব।
যাই হোক আমি সেই ফুড কার্টের কাছে গিয়ে প্রথমে দেখলাম সেখানে কি কি কাবাব পাওয়া যাচ্ছে। সবদেখে আমি চিকেন চাপ এবং পরোটার অর্ডার করলাম। তবে খেয়াল করে দেখলাম সেখানে কিছু পরিবর্তন এসেছে। আগে পরোটা অর্ডার করলে তারা ভেজে দিতো। কিন্তু এখন খেয়াল করে দেখলাম তার আগে থেকেই পরোটা বানিয়ে নিয়ে এসেছে এবং সেটা হটপটে সংরক্ষণ করছে।
আমি চিকেন চাপ অর্ডার করে বসে অপেক্ষা করতে লাগলাম। দেখতে পেলাম আমার সামনেই তারা কাবাব ভাবতে শুরু করেছে। অল্প কিছুক্ষণের ভেতরেই আমার সামনে খাবার পরিবেশন করা হলো। খাবারটা দেখেই মনে হচ্ছিল খুবই লোভনীয়। খাবারটা মুখে দিয়ে বুঝতে পারলাম আমার ধারণাই সঠিক। খাবারটা খেতে বেশ মজার ছিলো। চিকেন চাপ এবং পরোটার সাথে ছিল দুই রকমের সস আর সালাদ। অল্পক্ষণের ভেতরেই আমি খাওয়া শেষ করলাম।
তারপর বিলমিটিয়ে সেখান থেকে চলে এলাম। এই ফুড কার্ট গুলি আমি অনেকদিন থেকেই দেখছি। তবে এদের মূল কাস্টমার আসা শুরু হয় সন্ধ্যার পর থেকে। ফুড কার্ট হলেও এদের বেচাকেনা অনেক রেস্টুরেন্ট এর থেকে বেশি। যাইহোক খাওয়া-দাওয়া শেষ করে চিন্তা করলাম এখন কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে কিছুটা ক্যালরি বার্ন করে তারপর বাসায় ফিরি। তাই কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলাম। যদিও বাসায় ফেরার আগে এক গ্লাস মিন্ট লেমনেড নিয়ে চুমুক দিতে দিতে ফিরেছিলাম। গরমের ভেতর ঠান্ডা ড্রিংসের গ্লাসে চুমুক দেয়ার মজাই আলাদা ।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | বনশ্রী |
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
রাস্তার পাশে গড়ে ওঠা ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলোতে সব সময় ভিড় লেগেই থাকে। আর মুখরোচক এসব খাবার গুলো খেতে অনেক ভালো লাগে। ভাইয়া আপনি ঢাকায় গিয়ে আপনার পছন্দের খাবারগুলো খেয়েছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। খাবারের ছবিগুলো খুবই লোভনীয় লাগছে দেখতে।
ভাইয়া, আপনার পোষ্টটি পড়ার সাথে সাথেই আমি বুঝতে পেরেছি বনশ্রীর দোকান থেকে চিকেন চাপ খুবই তৃপ্তি সহকারে খেয়েছেন। ভাইয়া শেষ পর্যন্ত চিকেন চাপ খাওয়ার পরে আপনার বিল কত হয়েছিল সেটা তো উল্লেখ করেন নাই। তবে ভাইয়া আর যাই হোক গরমের মধ্যে মিন্ট লেমনেড ড্রিংকস করার মজাই আলাদা।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া ঢাকা শহরের স্ট্রিট ফুড খাবার গুলো আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। নামিদামি রেস্টুরেন্টে চেয়ে এঁদের খাবার ও অনেক ভালো মানের পাওয়া যায়। মজাটাও আমার কাছে বেশি লাগে। চিকেন চাপ আমার অনেক পছন্দের। কিন্তু আমার কাছে লুসি দিয়ে খেতে বেশি ভালো লাগে । বনশ্রী তে গিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি। আমি এগুলো বেশিরভাগ তালতলা মার্কেট গিয়ে খেয়েছি। তালতলা মার্কেট এই ধরনের দোকান অনেক। সন্ধ্যা দিকে এই সমস্ত জায়গায় সিরিয়াল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় খাওয়ার জন্য। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে সুন্দর কিছু মূহূর্ত এবং খাওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য। শুভ কামনা এবং ভালোবাসা রইলো আপনার জন্য।
বনশ্রীর ওইদিকে বিশেষ করে বিকালের পারে মজাদার খাবার পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে আমিও গিয়েছিলাম এবং কাবাব খেয়েছি। আমার কাছে লুচি দিয়ে চিকেন চাপ ভালো লেগেছিল।প
ঢাকা শহরের ফুটপাতের সাইটে এ ধরনের অনেক সুন্দর সুন্দর খাবারের দোকান রয়েছে। তাদের মানও অনেক ভালো। একেবারে জাঁকজমক ডেকোরেশন না থাকলেও খাবারের মান উন্নত। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষগুলোই এ সমস্ত খাবারের দোকানে এই ভালো মানের খাবারটা খেয়ে থাকে। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল ভাই
ঢাকাতে আসার পরে বনশ্রীতে কখনো যায়নি। তবে আপনার পোস্টটি পড়ে এবং খাবারের সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মন চাইছে বনশ্রীর ৫ নম্বর রোডে যেতে। ধন্যবাদ আপনাকে।