কয়েক বন্ধু মিলে আড্ডাবাজি, ঘোরাফেরা আরো অনেক কিছু ( দ্বিতীয় পর্ব)।
যার ফলে ৫ জন মিলে আড্ডা আরো জমে গেলো। সুজন মটরসাইকেলের ব্যাপারে দারুণ এক্সপার্ট। সে মাঝে মাঝেই তার মোটরসাইকেলের মডেল চেঞ্জ করে। এ কারণে ফেরদৌস তার সাথে মোটরসাইকেল নিয়ে নানা রকম বিষয় নিয়ে আলাপ করতে লাগলো। আমিও একসময় সুজনের কাছ থেকে মোটরসাইকেল সম্বন্ধে কিছু তথ্য নিলাম। আমাদের আড্ডার এক পর্যায়ে আমি সবাইকে প্রস্তাব দিলাম চলো কোথা থেকে হালকা কিছু খেয়ে আসি। পরবর্তীতে ঠিক করলাম কিছুদিন আগে আমরা রাফসানের সাথে একটি জায়গায় গিয়েছিলাম সিঙ্গারা খেতে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম সেখানেই যাবো সিঙ্গারা খাওয়ার জন্য। গ্রামের হাটের সিঙ্গারা আমাদের সবারই বেশ পছন্দ। পরিকল্পনাটা সবারই পছন্দ হওয়ায় আমরা আর দেরি না করে রওনা দিলাম সেই জায়গার উদ্দেশ্যে। জায়গাটা রাফসানের শোরুম থেকে খুব একটা বেশি দূরে না।
তবে সেখানে যাওয়ার রাস্তাটা প্রচন্ড ভাঙাচোরা হওয়ার কারণে। আমাদের সেখানে যেতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গেলো। যাই হোক সময় লাগলেও সেখানে গিয়েই আমরা প্রথমে বেশ কিছু সিঙ্গারা কিনলাম। ছোট সাইজের এই সিঙ্গারা গুলো খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। আমরা সর্বমোট পাঁচ জন মানুষ ছিলাম। আমরা টোটাল সিঙ্গারা কিনেছিলাম ২১ টা। পরিমাণ শুনে আপনাদের কাছে অনেক বেশি মনে হচ্ছে? আসলে এই সিঙ্গারা গুলো সাইজে খুবই ছোটো। যার ফলে একজন মানুষের পক্ষে পাঁচ-ছয়টা সিঙ্গারা খাওয়া কোন ব্যাপারই না। গরম গরম ধোঁয়া ওঠা সিঙ্গারা খেতে দারুন লাগছিলো। তাই অতি অল্প সময়ে আমাদের আনা ২১টা সিঙ্গারা শেষ হয়ে গেলো। পরবর্তীতে রাফসান সুজন নামের ছেলেটিকে পাঠালো আরো কিছু সিঙ্গারা আনতে। তবে আমরা সিঙ্গারা খাওয়ার ফাঁকে সেখানে রাফসানের পরিচিত একটা ছেলে এসে উপস্থিত হোলো। যার বাড়ি সেই এলাকাতেই।
সে আমাদের সিঙ্গারা খাওয়া দেখে আরো কিছু সিঙ্গারা নিয়ে এলো। আমরা তাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলাম আমরা প্রচুর সিঙ্গারা খেয়েছি। কিন্তু সে কোনো কথাই শুনলো না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তার ওখান থেকেও আমাদেরকে কিছু খেতে হোলো। সিঙ্গারা খাওয়া শেষ হলে সেখানে রাফসানের আরো এক পরিচিত ছেলে এসে হাজির হোলো। সে এসে আমাদেরকে চা খাওয়ালো। সবকিছু খেতে খেতে আর আড্ডা দিতে দিতে কখন যে মাগরিবের সময় হয়ে গিয়েছে টেরই পায়নি। আমরা তখন কেবল সেখান থেকে রাফসানের শোরুমে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তবে মাগরিবের আজান হয়ে যাওয়াতে আমি তখন সবাইকে বললাম আমরা এখান থেকে নামাজ আদায় করে তারপর রওনা দেই। আমার প্রস্তাবে ওরা সবাই রাজি হোলো। তারপর আমি আর ফেরদৌস গেলাম মাগরিবের নামাজ আদায় করতে। (চলবে)
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ফরিদপুর |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
কয়েকজন বন্ধু বান্ধব মিলে এভাবে আড্ডা দিতে ভীষণ ভালো লাগে। তাছাড়া আড্ডা দিতে দিতে ভাজাপোড়া খাওয়ার মজাই আলাদা। গরম গরম সিঙ্গারা খেতে খেতে বেশ ভালোই আড্ডা দিয়েছেন আপনারা। যাইহোক বেশ ভালো লাগলো পোস্টটি পড়ে। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ভাই।
বন্ধুদের সঙ্গে এমন একটা আড্ডা সব কাজের মধ্যে যেন একটু বিশুদ্ধ হাওয়া বয়ে নিয়ে আসে। দারুন সময় কাটিয়েছেন বন্ধুদের সাথে। একুশ টি সিঙাড়া কিনেছেন শুনে আমিও একটু অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু পরে যখন শুনলাম ছোট ছোট সাইজের, তখন বুঝতে পারলাম। আড্ডার বর্ণনা এমন ভাবে দিলেন যেন মনে হল আমরাও আড্ডায় অংশ নিয়েছিলাম। অনেক শুভেচ্ছা।