রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট।
গত কয়েকদিন ধরে দুই বন্ধু মিলে ভালোই ঘুরে ফিরে বেরিয়েছি। শহরের বিভিন্ন আনাচে-কানাচে তে আমাদের যাতায়াত ছিলো। তবে সবসময় চেষ্টা করেছি শহর থেকে কিছুটা দূরে যেতে। বিশেষ করে গ্রামের দিকে। এইভাবে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাফেরা আমরা দুজনেই বেশ পছন্দ করি। এই জন্য সময় পেলেই দুজনে ঘুরতে বেরিয়ে পড়ি। ঘোরাফেরার পাশাপাশি চলতে থাকে ছবি তোলা। আজকে সেই ছবিগুলোর ভেতর থেকে কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
এই ছবিটি তুলেছিলাম সকালে হাঁটতে বেরিয়ে। আমি চেষ্টা করি সকালে হাটাহাটি করার জন্য। মূল উদ্দেশ্য স্বাস্থ্য ভালো রাখা। তবে সেই হাঁটাহাঁটির সময় কোন দৃশ্য চোখে লেগে গেলে সেটার ছবি তুলতে ভুলিনা। একদম সকালে শহরের নির্জন রাস্তায় হাঁটতে বেশ ভালোই লাগছিল। রাস্তাঘাটে তখনও মানুষজন তেমন একটা বের হয়নি। তখনই এই ছবিটি তুলেছিলাম।
এই ছবিটি ফরিদপুর সার্কিট হাউজের। যদিও ছবিতে সার্কিট হাউজের পুরো অংশটা দেখা যাচ্ছে না। তবে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন ব্রিটিশ আমলে তৈরি সার্কিট হাউজের লালরঙা বিল্ডিংটি দেখা যাচ্ছে। পুরাতন এই ধরনের স্থাপনা দেখতে আমার কাছে বেশ ভালই লাগে। একটা সময় ছিল যখন ইচ্ছা করলেই সার্কিট হাউজে ঢুকে যাওয়া যেত। তবে এখন নিরাপত্তার কারণে সহজে সার্কিট হাউজে ঢোকা যায় না। সকালে হাঁটার সময় ছবিটি তুলেছিলাম।
সেদিন একটু রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম হালকা কিছু খাওয়ার জন্য। রেস্টুরেন্টে বসে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করে রেস্টুরেন্টের দেওয়ালে চোখ আটকে গেল। দেয়ালে চমৎকার একটি ছবি আঁকা ছিল। ছবিটা আমার কাছে কিছুটা ব্যতিক্রমধর্মী মনে হচ্ছিল এবং দেখতে অনেক সুন্দর লাগছিল। তখনই চট করে ছবিটা তুলেছিলাম।
কয়েকদিন আগে আমি আর বন্ধু ফেরদৌস গিয়েছিলাম একটি নদীর পাড়ে ঘুরতে। সেখানেই সরিষা খেত দেখতে পেয়েছিলাম। বিকালের সোনারাঙ্গা রোদ যখন সরিষা ক্ষেতের উপর পড়ে তখন এক মোহনীয় পরিবেশ তৈরি হয়। এমন দৃশ্য দেখলে যে কারোরই ছবি তুলতে ইচ্ছা করবে। তাই আমিও জলদি করে একটি ছবি তুলে নিয়েছিলাম।
কিছুদিন আগে ফরিদপুর শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে সদরপুর নামে একটি স্থানের জমিদার বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে জমিদার বাড়ির পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করে এই দৃশ্যটির দিকে চোখ চলে গেল। পুকুরের জলে গাছের প্রতিবিম্ব ফুটে উঠেছে। দৃশ্যটা দেখে এত ভালো লেগেছিল যে সাথে সাথে কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম।
সেই প্রাচীন জমিদার বাড়ি থেকে একটু দূরেই এই স্থাপনাটি দেখতে পেলাম। জায়গাটি বিভিন্ন রকম জংলা গাছে ভরে গিয়েছে। তবে এটি কি কোন মন্দির নাকি মঠ সেটা বুঝতে পারিনি। হিন্দু ধর্মাবলম্বী যারা আছেন তারা ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। তবে যেটাই হোক এই ধরনের প্রাচীন স্থাপনা দেখতে আমার বরাবরই ভালো লাগে। তাই সেটারও একটি ছবি তুলেছিলাম।
এই ছবিটি তোলা একেবারে সকালে একটি ফসলের ক্ষেত থেকে। কিছুদিন আগে একটি জরুরী কাজে নানি বাড়ি গিয়েছিলাম। সেখানে হঠাৎ করেই দৃশ্যটি চোখে পড়ে যাওয়ায় ছবি তুলে নিলাম। সকালের কুয়াশামাখা ফসলের ক্ষেত দেখতেই দারুন লাগছিল। দৃশ্যটি দেখে ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে গেল। যখন কোন ছুটিতে দাদা বাড়ি বা নানা বাড়িতে বেড়াতে আসতাম শীতের সময়। তখন এই ধরনের দৃশ্য দেখতে পেতাম।
চমৎকার একটি ফুল বাগান। নানা রকমের নানা রঙের ফুল ফুটে রয়েছে বাগানটিতে। সেদিন সকালে হাঁটার সময় এই দৃশ্যটি দেখেছিলাম। দেখার সাথেই মনে হল একটি ছবি তুলে নেই।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | সদরপুর, ফরিদপুর |
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ভাই তো দেখি প্রকৃতির রুপ সৌন্দর্য তুলে ধরেছে৷ প্রতিটি দৃশ্য ফটোগ্রাফ অনেক মনোমুগ্ধকর লাগছিল ৷ এই ছবি গুলো দেখে বলা যায় ৷ যে প্রকৃতি সুন্দর আর প্রকৃতির রুপ সৌন্দর্য শেষ নেই ৷ অনেক ধন্যবাদ ভাই এতো সুন্দর আর চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ৷
বন্ধুর সাথে খুব ঘোরাফেরা করে দারুন কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর ফটোগ্রাফি দেখে খুব ভাল লাগলো ভাইয়া। সকালের ফটোগ্রাফিটা খুব ভাল লেগেছে। সরিষা ক্ষেতের আর রেস্টুরেন্টের ফটোগ্রাফি ও দারুন লাগলো। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।