রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট।
এই ছবিটি তুলেছিলাম ঢাকায় আসার দু একদিন পরেই। ছবিটি আমার প্রিয় একটি জায়গা হাতিরঝিল থেকে তোলা। গোধূলি লগ্নে এমনিতেই চারপাশে এক মায়াবী পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তখন আলো আঁধারের চমৎকার খেলা চলতে থাকে চারপাশে। সেই সময়ই এই ছবিটি তোলা।
এই ছবিটি ও হাতিরঝিল থেকে তোলা। তবে অন্য আর একদিন এই ছবিটি যখন তোলা হয়েছে। তখন অবশ্য দিনের আলো ছিলো। সেদিন এমনিতেই হাঁটাহাঁটি করতে গিয়েছিলাম হাতিরঝিলে। তার ফাঁকে কয়েকটি ছবি ও তুলেছিলাম। সেই ছবিগুলোর ভিতরে একটি হচ্ছে এই ছবিটি।
কিছুদিন আগে ঘুরতে গিয়েছিলাম জিন্দা পার্ক নামক একটি জায়গায়। জায়গাটি আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছিল। সেই জায়গায় ঢোকার সময় এই বিল্ডিংটি দেখা যায়। এটি এই গ্রামের বাচ্চাদের স্কুলের বিল্ডিং। এমন অজপাড়া গায়ে এই ধরনের চমৎকার একটি ভবন দেখে আমি আসলেই অবাক হয়েছিলাম। অবশ্য পুরো প্রজেক্টটা ঘুরে দেখার পর আমার সেই অবাক হওয়াটা আর ছিল না। চমৎকার একটি স্কুলের বিল্ডিং তার সামনে বেশ বড় একটি মাঠ। দেখতে বেশ লাগছে।
শাপলা আর পদ্মফুলকে আমি প্রায়ই গুলিয়ে ফেলি। যেমন এই ফুলটাকেও আমি এখন মনে করতে পারছি না এটি কি শাপলা ফুল না পদ্মফুল। তবে একটি ভিন্নধর্মী কালার হওয়ায় এই ফুলটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল। এই ফুলের আকার ছিল অন্য ফুলগুলি থেকে কিছুটা ছোট। কিন্তু দেখতে ছিল চমৎকার। সেদিন যখন পদ্ম বিলে ঘুরতে গিয়েছিলাম তখনই এই ফুলের ছবিটি তোলা।
এই ছবিটি ও তোলা জিন্দা পার্কের ভেতর থেকে। পার্কের ভেতরে বেশ কয়েকটি জলাশয় রয়েছে। সেই জলাশয়ের উপর বিভিন্ন বৈচিত্র্যপূর্ণ সেতু তৈরি করা আছে এইভাবে। এই সেতুটি আমার কাছে বেশ লেগেছে। ড্রামের উপরে কাঠের পাঠাতন দিয়ে তৈরি এই সেতুগুলি দেখতে বেশ ভালো লাগে। এগুলো তৈরি করতে খরচ যেমন কম তেমনি বেশ টেকসই। ছবিতে আমার ভাগ্নেকে দেখতে পাচ্ছেন সেতুর উপরে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছে।
সেদিন যখন ফিউচার পার্কে ঘুরতে গিয়ে ব্যর্থ মনোরথে ফিরে এসেছিলাম। তখনকার তোলা এই ছবিটি। এই ছবিটি যখন তুলি তখনও জানতাম না ফিউচার পার্ক আজকে বন্ধ। ফিউচার পার্কের ঠিক সামনে এই রাস্তার উপরে একটি ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে। সেই ফুট ওভার ব্রিজ থেকে হঠাৎ করে ফিউচার পার্কের দিকে তাকিয়ে বেশ ভালো একটি ভিউ পেয়ে গেলাম। সেজন্য ছবিটি তুলেছিলাম।
উপরের ছবি দুটি তোলা হয়েছে লালবাগ কেল্লার ভেতর থেকে। প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে লালবাগ কেল্লার ভেতরে বেশ চমৎকার করে বাগান করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন রকমের উদ্ভিদ লাগানো হয়েছে। তার ভিতরে প্রচুর ফুলের গাছ রয়েছে। আর দ্বিতীয় ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন পরিবিবির মাজার। এটি আসলে একটি কবর। কিন্তু অনেক মানুষই ভুল করে এটিকে লালবাগ কেল্লার মূল স্থাপনা ভেবে থাকে। এর একটা কারণ অবশ্য আছে। কারণ এই স্থাপনাটির অবস্থান ঠিক লালবাগ কেল্লার মাঝামাঝির দিকে। ভবনটির সামনে দেখতে পাচ্ছেন পানির ফোয়ারা। যদিও এখন সেটি সচল নেই।
এই ছবিটি তুলেছিলাম বেশ কিছুদিন আগে ফরিদপুর থেকে। একদিন আমি আর আমার বন্ধু মিলে গিয়েছিলাম শহরের এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির বাড়িতে। যেটিতে এখন তিনি থাকেন না। একসময় এই বাড়ির অনেক গল্প শুনেছিলাম। সেজন্যই দুই বন্ধু গিয়েছিলাম বাড়ির ভেতরটা দেখতে। তখন এই ময়ূর দেখতে পাই। সেখান থেকে এই ছবিটি তোলা।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ঢাকা |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আপনার রেন্ডম ফটোগ্রাফি পোস্ট অনেক সুন্দর হয়েছে। হাতির ঝিল খুব সুন্দর একটি জায়গা। আপনার তোলা ছবিতে তা আরও সুন্দর ফুটেছে। আমার মনে হচ্ছে ফুলটি শাপলা ফুল। পদ্ম ফুলের পাপড়ি আরও বড় হয়। জিন্দা পার্কের ভিতর ড্রামের উপর ভাসমান সেতুটি আমার কাছে চমৎকার লেগেছে, যে-ই বানিয়েছে খুব ক্রিয়েটিভ লোক। লালবাগ কেল্লার ছবি আপনার আগের পোস্টে দেখেছি এখানেও খুব সুন্দর ২ টি ছবি দিয়েছেন। সবশেষে ময়ূরের ছবি খুব সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
অসাধারণ কিছু ছবি নিয়ে রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট সাজিয়েছেন ভাইয়া।কোনটা রেখেছে কোনটাকে বেশি ভালো বলবো সেটি আমি বুঝতে পারতেছি না। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি ছিল দেখার মতো।এবং প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফের নিচে খুবই সুন্দরভাবে বর্ণনা তুলে ধরেছন যা পড়ে আরো বেশি ভালো লাগলো। ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া চোখ ধাঁধানো কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য।
ভাইয়া আপনি বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি নিয়েছেন। লালবাগ কেল্লার, ময়ূরের ছবি, ফিউচার পার্কের ছবি। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে নিয়েছেন বেশ সুন্দর হয়েছে। এই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক জায়গার নাম জানতে পেরেছি এবং দেখার ও সুযোগ হয়েছে। যদিও অনেক জায়গা আছে কখনো হয়ত যাওয়া সম্ভব না কিন্তু আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখার সুযোগ হলো। ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য
আপনার রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্টটি বেশ সুন্দর লেগেছে আমার কাছে। আপনার এই পোষ্টের প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফিই প্রাকৃতিক ছবি এবং উপস্থাপনগুলাও খুব সুন্দর হয়েছে । কোন কোন স্থান থেকে ফটোগ্রাফি করেছেন
সেসব সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন। পরিশেষে বলতে চাই আমার বাংলা ব্লগে আপনার ব্লগিং জার্নি শুভ হোক এটাই কাম্য করি।
আমার অত্যন্ত পছন্দের কাজ গোধুলী বেলা দেখা।আমার ফোনে যে কত গোধুলীর আলোকচিত্র রয়েছে তার ইয়ত্তা নেই।প্রত্যেকটি আলোকচিত্রই অসাধারণ হয়েছে।আর ওটা শাপলা ফুল ভাই। পদ্মফুলের পাপড়ি আরো চ্যাপ্টা হয়।
রাত্রি বেলা বসে বসে দারুন কিছু ফটো গ্রাফি দেখার সুযোগ পেলাম আপনার আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে । শাপলা এবংপদ্ম ফুলের মাঝে গঠনগত কিছু পার্থক্য রয়েছে তবে এই ফুল নিয়ে কনফিউশন আমারো রয়েছে । এটাকে আমাদের অঞ্চলে সোনালু শাপলা বলে কারণ এটা দেখতে শাপলার ই মত। আবার অনেকে এটাকে বলে নীল পদ্ম ।
ভাই আজকে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। বিশেষ করে জিন্দাপার্ক নামক জায়গায় সুন্দর একটি স্কুল এবং মাঠ রয়েছে আসলেই এত সুন্দর মাঠ এবং স্কুলটি আমার খুবই ভালো লেগেছে এবং জিন্দা পার্কে
জলাশয়ের উপর সেতু তৈরি করা আছে । এই সেতুটি আমার কাছে খুবি বেশি ভালো লেগেছে।
খুবই সুন্দর সুন্দর কিছু আলোকচিত্র আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলা বরাবরের মত আজও।। বিশেষ করে প্রথম দ্বিতীয় এবং পদ্মফুলের ফটোটি।। এই ফুলটি কি আমিও পদ্মফুল নামেই চিনি বিশেষ করে এই ফুল বিলে ঝিলে অথবা ধানি জমিতে হয়ে থাকে।।
আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি সুন্দর হয়েছে। তার মধ্যে আমার হৃদয়ে স্পর্শ করেছে হাতিরঝিলের এক নম্বর ছবিটি। অসাধারণ আলো আধারের মিতালী। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
ভাইয়া অসাধারণ সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করছেন আপনি। জিন্দা পার্কের সবুজ মাঠের ফটোগ্রাফিটি, লালবাগের কেল্লার প্রতি চমৎকার চোখ জুড়ানো ফটোগ্রাফি টি, পদ্মফুল এবং ময়ূরের ফটোগ্রাফিটি দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অসাধারণ সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দিয়ে একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।