❤️বেস্টফ্রেন্ড এর বিয়ের অনুষ্ঠানে ❤️ (প্রথম পর্ব)।। নভেম্বর-২২/১১/২০২২।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
মোটামুটি কাল রাত এগারোটার পর থেকে আমার whatsapp এ একের পর এক মেসেজ ঢুকতে থাকে, যখন আমি আমার বান্ধবীর বিয়ের ফটো whatsapp স্ট্যাটাসে দেই। এবার কথা হচ্ছে একসাথে তো আর ৭০-৮০ জন লোকের মেসেজের রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব না। এজন্য পরবর্তীতে একটা লিখিত স্ট্যাটাস whatsapp আমি দেই এবং সেখানেই মোটামুটি তাদের সব কোশ্চেনের উত্তর ছিল। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকের একটাই প্রশ্ন ছিল যে আঁখি তোর গার্লফ্রেন্ড ছিল না...? কিছু সংখ্যক লোকের মেসেজ এরকম ছিল যে, এখন তো তুই একা হয়ে গেলি, এবার কি হবে তোর। ইনফ্যাক্ট আমাদের সকলের ভালোবাসার blacks দারও একই প্রশ্ন ছিল। হা হা হা.. যাইহোক মোটামুটি সবারই প্রশ্নের উত্তর আমি দিয়ে দিয়েছি। তবে সত্যি কথা বলতে আজ থেকে বেশ খারাপ লাগছে এবং অনেকটাই একা হয়ে গেছি।
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
যাইহোক কি আর করা যাবে এটাই তো প্রকৃতির নিয়ম। মোটামুটি কাল সকাল থেকেই আমাকে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছিল। তবে কাল আমার ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা ছিল, শুধু নাই পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি আসতে আসতে আমার তিনটা বেজে যায়। এদিকে আঁখি তো ফোন করে রীতিমতো ঝাড়ি দেওয়া শুরু করেছে। আমার বিয়ে আর বিয়ে বাড়ির আশেপাশেই তোকে দেখতে পাচ্ছি না। কি আর করা যাবে মোটামুটি বাড়ি থেকে কিছুটা খেয়ে দেয়ে বেরিয়ে পড়লাম বিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে। তখন থেকেই যে আমার কাজ করা শুরু এবং এই কাজ শেষ হয়েছে কন্যা বিদায় দেওয়ার পর। বলতে গেলে আমি ভালো করে খেতেও পারিনি।
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
বিয়ের লগ্নে ছিল কাল রাত ১১ঃ২৬ মিনিটে। মোটামুটি বরযাত্রীদের গাড়ি রাত সাড়ে দশটার ভিতরেই পৌঁছে যায়। কিন্তু বরের গাড়ি তখনো পৌঁছায়নি। এদিকে সবাই তো চিন্তায় পড়ে গেছে, লগ্ন ফুরিয়ে যাওয়ার আগে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। পরবর্তীতে গাড়ির ড্রাইভারকে ফোন করে ব্যাপারটা জেনে নেয়া হলো। তাদের গাড়িতে একটু সমস্যা হয়েছিল এজন্য আসতে দেরি হচ্ছে। তবে ড্রাইভারটাও নাকি খুব বেশি একটা ভালো ছিল না। সে এত ধীরে গাড়ি চালাচ্ছিল যে, ওর থেকে টোটোও নাকি বেশি জোরে চলে। যা হোক যথাসময়ের মোটামুটি কুড়ি মিনিট আগে গাড়ি এসে পৌঁছালো বিয়ে বাড়ির আঙ্গিনায়।
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
সমস্ত বিয়ের কাজ সম্পন্ন হতে রাত দুটোর মত বেজে যায় এবং তারপরে আমি গিয়েছিলাম খেতে। মোটামুটি কন্যা বিদায় হয় রাত তিনটা নাগাদ। কেন জানি না ওই সময়টাতে খুব খারাপ লাগছিল আমার কাছে। এতগুলো বছর একসাথে ছিলাম সুখ দুঃখে, আজ তাকে বিদায় দিতে হচ্ছে সারা জীবনের মতো। যদিও তার সাথে নিয়মিত কথা বা যোগাযোগ থাকবে। তবে আগের মতো সেই ব্যাপারটা থাকবে কি...?
স্থান:বারাসাত, কলকাতা।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
যাইহোক আজকের পর্ব এই পর্যন্তই ছিল। আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে আজকের পর্বটি। আর ভালো লাগলে অবশ্যই একটি কমেন্ট করতে ভুলবেন না। কারণ আপনাদের একটি কমেন্ট আমাকে নতুন এবং ভালো কিছু করার উৎসাহ যোগায়। ভালো থাকবেন সবাই।
ভাইয়া প্রথমে আপনার বান্ধবীর নতুন জীবনের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। আশা করি স্বামী সংসার নিয়ে বেশ সুখে থাকবে। ভাইয়া ঠিক বলেছেন,অনেকেই মনে করে ছেলেমেয়ের ভালো বন্ধুত্ব মানে তাদের ভেতরে রিলেশন রয়েছে। কিন্তু ছেলে মেয়ে যে ভালো বেস্ট ফ্রেন্ড হতে পারে,এটা আসলে কেউ মানতে চায় না। একসাথে দেখলেই ভাবে জে ওদের ভেতরে কিছু চলছে।যাইহোক পরীক্ষা দিয়ে অবশেষে আপনি আপনার বান্ধবীর বিয়েতে যেতে পেরেছেন শুনে ভালো লাগলো।
ছেলে মেয়ের বন্ধুত্ব অনেকটাই জটিল। অনেক কিছুই মেনটেইন করতে হয়। ধন্যবাদ আপু আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
সত্যি ভাইয়া ছেলে মেয়ের বন্ধুত্ব হলে অনেক সময় এই কথাগুলো শুনতে হয়। আসলে একজন ছেলে একজন মেয়ের মাঝেও যে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হতে পারে এটা কেউ মানতেই চায় না। তাইতো ভুল করে গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড ভেবে ফেলে। বেস্ট ফ্রেন্ড এর বিয়েতে গেছেন তাহলে তো মজা অনেক বেশি হয়েছে। ভাইয়া পরবর্তী পর্বে অপেক্ষায় রইলাম।
আসলেই খুব মজা হয়েছিল। ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য।
অবশেষে আপনার বান্ধবীর বিয়ে আপনি খেতে পারলেন।খারাপ লাগার কারন নেই, একা হবেন কেন এবার বান্ধবীর জামাই সহ তিন জন হবেন।আপনার বান্ধবী কে বেশ সুন্দর লাগছে।বান্ধবীর সাথে একটা ফটো দিতেন।বরের ড্রাইভার টা মনে হয় আপনার মত অকাজের,তাই তো টোটোর চেয়ে আস্তে চালিয়ে নিয়ে এসেছে😜😜।আপনাকে কমেন্ট করে উৎসাহ দিয়ে দিলাম,এবার আমাদেরকে মিষ্টি খাইয়ে কমেন্ট করার উৎসাহ দিয়েন😜।
জানি তো। এই জন্যই তো আমার বন্ধু ও।🤣
আমার কোনো ফটো তুলিনি এই জন্য দেইনি। তবে আমার বিয়ের সময় দিয়ে দেবো।😁
সত্যি ভাইয়া আঁখি আপনার গাল ফ্রেন্ড না হলেও বেস্ট ফ্রেন্ড তো ছিল। তবে একটা ছেলে মেয়ের এধরনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখলে অনেকেই ভাবে যে গাল ফ্রেন্ড। যাইহোক অবশেষে আপনার বেস্ট ফ্রেন্ডের বিয়েই হয়ে গেল। এখন যতই যোগাযোগ থাকুক আগের মতো আর কখনো সম্ভব নয়। বরের কি এমন গাড়ি ছিল যে টোটোর চেয়ে আস্তে এসেছে,তবে ২০ মিনিট আগে পৌঁছাতে তো পেরেছে। সত্যি আপনি বেশিদিন একা থাকবেন না, নতুন বান্ধবী যোগার হয়ে যাবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
হা হা হা 🤣.... ওই রকম কোনো ব্যাপার না। তবে বিয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে আমার মন ভেঙে গেছে এটা সত্য। খুব কাছের একজন মানুষ হারালাম।
দাদা যা কিছু রটে, কিছু কিছু ঘটে, কথাটা না বলে পারলাম না। মনে করুন আমিও আপনার বন্ধুদের মাঝে একজন। তবে আমি আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বলতে পারিনি সরাসরি এখানেই বলে ফেললাম। কাছের মানুষ হোক কিংবা আত্মীয় হোক যখন অন্যের বাড়িতে চলে যায় তখন খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার পরীক্ষা শেষে ঝাড়ি খেয়ে বিয়ে বাড়িতে যাওয়াটা আপনার জন্য অনেকটা কষ্ট হয়েছিল সেটা বুঝতে পেরেছি। কাজকর্ম ব্যস্ত থাকা অবশেষে না খেতে পারার কারণটা জানতে ইচ্ছে করছে। অন্যের বাড়িতে গেলে আগের মত স্বাভাবিক কথা বলতে পারবেন না এটা জানি। তবে আপনার জন্য খুব খারাপ লাগছে, শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
হা হা হা 🤣...
আপনিও যখন বললেন তাহলে কিছুটা মেনে নিলাম। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।🙂
সবারই এমন একজন বন্ধু বান্ধবী থাকে যাকে দেখে অন্য লোক নানান কিছু ভেবে থাকে। এই ব্যাপারটা আমিও ফেস করে এসছি 😅। যাক পরীক্ষা টা শেষ করে তবু বিয়ে বাড়ি সামলাতে পেরেছেন এটাই বড় কথা। আর বন্ধু কখনো একা হয় তাই! এখন দেখবেন একজন থেকে দুজন বন্ধু হয়ে গেছে। নবদম্পতির জন্য অনেক শুভকামনা রইলো।
তবে শেষ পর্যন্ত সবার ভুল ভেঙ্গেও ভাঙলো না। কি আর করা যাবে, ধরে নিয়েছি এটাই আমার লাইফ এর অংশ।😁
শেষ অব্দি আপনার ফ্রেন্ডের বিয়ে দেখতে পেলাম।😍অনেক শুভকামনা রইল আপনার বন্ধুর জন্য। ভাইয়া, এটা ঠিক ছেলে আর মেয়েতে যে বন্ধুত্ব হতে পারে এটা এ সমাজ মানতে পারেনা। এসব বাদ দিন, বিয়েতে খুব মজা করেছেন, অনেক ছবিও শেয়ার করেছেন ভাল লাগলো। আরও কিছু দেখার অপেক্ষায় রইলাম। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।
আমি তো আপনাদের কথা দিয়েছিলাম যে এই বিষয়ে পোস্ট করবো। আমি আমার কথা রেখেছি। ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমার প্রশ্নটাও একই কিন্তু কী আর করার।আবার কখনো চোখে দেখা জিনিস সত্যি হয় না, এটাই নিয়ম।যাইহোক দাদা মনে হচ্ছে ঘরোয়াভাবে বিয়েটা সম্পন্ন করা হয়েছে।তাছাড়া আমার মনে হয় ড্রাইভার ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিল।তবে দূরের পথ হলে তো পরদিন কন্যা বিদায় হয়!সুখ দুঃখে এতগুলো বছর একসাথে ছিলে মনে তো পড়বেই।নবদম্পতির জন্য শুভকামনা রইলো।
দূরে বিয়ে না তো, ঠাকুরনগর এ বরের বাড়ি। তুমি তো চেনো।😁 এই জন্য রাতেই চলে গেছিলো।
ঠাকুরনগর নাম শুনেছি,যাওয়া হয়নি কখনো।😁
আজ যাচ্ছি বৌভাতে। পোস্ট করবো অবশ্যই, দেখে নিও।🙂
👍
এই সেই বান্ধবী সেদিন যাকে খাওয়াতে নিয়ে গেলেন আপনারা? ওনাদের আগামী জীবন যেন সুখের হয় এই কামনা করি। বড্ড মিষ্টি লাগছে বান্ধবী কে।আসলে ছেলে আর মেয়েও যে বেস্ট ফ্রেন্ড হয় সেটা সত্যিই মানতে কষ্ট হয়। তবে আপনারা করে দেখিয়েছেন সেটা।আর এটা ঠিকই ছেলেদের বিয়ে হলেও ফ্রেন্ড সার্কেল মেইনটেইন হয় কিন্তু মেয়েদের হয় না সহজে। কিন্তু এটাই নিয়তি।
হ্যা 😁
আসলে আমাদের সম্পর্কটা এতটাই বিশ্বাসের আর সন্মানের ছিল যে কোনো দিন ঝগড়া হলেও ছেড়ে চলে যায়নি।
আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড এর নতুন জীবনের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা রইলো।
তাদের এই পবিত্র বন্ধন যেন সারা জীবন অটুট থাকে এই আশাবাদ ব্যক্ত করি। নিশ্চয়ই আপনার বন্ধুর বিয়েতে খুব সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ দুর্দান্ত ছিলো। এত সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য। আশীর্বাদ করবেন ওরা যেনো ভালো থাকে সারাজীবন।