পানিহাটি বইমেলা ভ্রমণ।। জানুয়ারি-০৪/০১/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
প্রথমেই দেখা যাচ্ছে আমাদের রঙিন বাবু নিজে পোস্ট রেডি করার জন্য এদিক ওদিক থেকে ফটো তুলে বেড়াচ্ছে। যেহেতু আমরা কনসার্ট শুরু হওয়ার ২ ঘণ্টা আগে সেখানে গিয়ে পৌঁছেছিলাম, সুতরাং খুব বেশি একটা ভিড় ছিল না প্রথম দিকে। তাই মোটামুটি ভালো করেই ফটো তুলতে পেরেছিলাম।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
বইমেলার এই সেকশনটাতে বিভিন্ন শীতের পোশাক এবং ঘর সাজানোর ভিন্ন প্রসাধনী বিক্রি হচ্ছিল। তবে মাটির তৈরি কয়েকটা শো পিস বাদে তেমন বিশেষ কিছু আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়নি। কোয়ালিটি তো একেবারেই খারাপ এবং দাম আকাশ ছোঁয়া।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
বইমেলার ভিতরে বিশাল বড় জায়গা জুড়ে ছিল পার্কিং স্লট। মেলার ভেতর গাড়ি পার্ক করার জন্য বেশ সুন্দর জায়গা, তবে নিয়মিত গাড়ি যাতায়াত করার জন্য জায়গাটাতে প্রচুর ধুলো উড়ছিল। সুতরাং আমাদের একটা বাধ্য হয়ে এখানে মাস্ক পরতে হয়।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
পানিহাটি বইমেলার মোটামুটি বেশ আকর্ষণীয় একটা জায়গা ছিল আর্ট গ্যালারি। এখানে বিভিন্ন নামি দামি শিল্পীদের বিখ্যাত আর্ট গুলো ডিসপ্লে করা ছিল। প্রত্যেকটা আর্ট এতটা সুন্দর ছিল যে আমি দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে যায়। বেশ কিছু সময় মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম সেখানে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
ছোটবেলায় এই মানুষগুলোকে দেখলে আমার খুব আনন্দ হতো বিশেষ করে যারা রংবেরঙের খেলনা বিক্রি করে। এই লোকটা এতটাই চালু ছিল যে বাচ্চাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য যাবতীয় যত পরিশ্রম সেটা তিনি করছিলেন। যাতে করে বাচ্চারা তার দিকে আকর্ষিত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেয় এসব খেলনা কেনার জন্য।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
আমি জানিনা এই জায়গাটা তে সবসময় মেয়েদেরই কেন বেশি ভিড় থাকে। আমি ওখানে ১০ মিনিট দাঁড়িয়েছিলাম শুধুমাত্র একটা ফটো তোলার জন্য। তবে তারা এতটাই ফটো তোলায় মত্ত ছিল যে, অন্য কেউ যে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেটা তোদের খেয়ালই ছিল না। তারা তাদের মত কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। তাই অনেকটা বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে একটা ফটো তুলে নিয়ে সেখান থেকে বিদায় নিতে হলো আমাকে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
সবশেষে আমরা নিজেদের একটা ফটো তুলেছিলাম, এর বেশি ফটো তুলিনি কেউ। মাঝখানে যে মেয়েটাকে দেখা যাচ্ছে ও খুব ছোট। আমাদের ছোট বোন বলা যেতে পারে। সে সব সময় ফটো তোলার জন্য অস্থির হয়ে থাকে। আমি সাধারণত ফটো তুলতে পছন্দ করি না খুব বেশি একটা তবে তার অনুরোধে আরকি তুলতে হয়েছিল একসাথে একটা সেলফি।
দাদা বই মেলায় ঘুরে চমৎকার কিছু ছবি নিয়ে আমাদের সামনে এসছেন। বই মেলা আমার বরাবরই ভালো লাগে, আমাদের এদিকে ফেব্রুয়ারির দিকে বেশ বড় করে বই মেলা হয়। বিশেষ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিশুদের জন্য আলাদা শিশুমেলা থাকে এটার আকর্ষণ। আপনাদের ওখানে দারুন কনসার্ট হচ্ছে বলছিলেন। আর খেলনার জিনিস দেখলে এখন আমার দুই দুষ্টু বাচ্চাদের কথা মনে পরে যায় ☺️
সবশেষে আপনাদের সবার ছবি দেখে ভীষণ ভালো লাগলো দাদা। ভালো থাকুন সবাই এই কামনায় বিদায় নিলাম।
আমাদের এখানে, এই বই মেলাতে খুব সুন্দর কনসার্ট হয়েছিল। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি সেই কনসার্টের একটা ভিডিও আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই, পোস্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
বই মেলায় গিয়েছেন বই মেলায় না ঘুরে কনসার্ট দেখার জন্য বেশ মজার ব্যাপার।আমারও এধরনের ওপেন কনসার্ট গুলো বেশ ভালো লাগে।বিশেষ করে আমি থার্টিফার্স্ট নাইটে বীচে গিয়েছিলাম ওপেন কনসার্ট দেখার জন্য কিন্তু দেখার সুযোগ হয়নি।রঙ্গিন বাবুর ফটোগ্রাফি তোলা দেখে বুঝতে পেরেছি মতলব তেমন ভালো না।বই মেলায় যেয়ে ভাল হয়েছে একদিকে বই নেওয়া, কনসার্ট দেখা, হালকা ঘুরাফিরা এবং বেশ সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি সংগ্রহ করা অনেক গুলো দারুন কাজ হয়েছে।
ওপেন কনসার্ট একসময় আমার খুব ভালো লাগতো। তবে এখন আর সময় সুযোগ হয় না। আর অতটাও আনন্দ ফুর্তি করতে পারিনা। ধন্যবাদ আপু আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।