ডাকবাংলো বিরিয়ানি খাওয়ার অভিজ্ঞতা।। ফেব্রুয়ারি-১০/০২/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
বেশ কিছুদিন ধরে ফেসবুক এবং ইউটিউবে বিভিন্ন ফুড ব্লগাররা একটা বিরিয়ানি নিয়ে বেশ মাতামাতি করছিল। তারা নাকি এটাও বলেছে যে এই বিরিয়ানি দাদা বৌদির বিরিয়ানীকে টক্কর দিতে সক্ষম। এই বিরিয়ানির দোকানটা আমাদের বারাসাতেই অবস্থিত এবং দোকানের নাম ডাক বাংলো বিরিয়ানি। আমি বলতে গেলে প্রতিনিয়তই এখান দিয়ে যাতায়াত করি কিন্তু কখনো ভাবি নি যে এখানকার বিরিয়ানি এতটা বিখ্যাত হবে। খুব সম্ভবত গতকাল একটা ফেসবুক পোস্টে দেখছিলাম যে ডাকবাংলো বিরিয়ানি নিয়ে একটা রিভিউ করেছে তারা। সেখানকার বিরিয়ানির কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি নাকি অন্য জায়গা থেকে বেস্ট। বিরিয়ানির ভিতরে চিকেন টা থাকে সেটা কমপক্ষে আড়াইশো থেকে ৩০০ গ্রাম ওজন হবে। গতকালের এই রিভিউ দেখার পর থেকেই আমার খুব ইচ্ছা হচ্ছিল যে বিরিয়ানি খেয়ে আসবো। তবে এতদিন যাওয়া হয়নি কারণ আমার খুব কাছের বন্ধু গুলো বাইরের ইউনিভার্সিটিতে পড়ে সুতরাং তাদের না নিয়ে একা খেতে যাওয়ার ভিতরে কোন মজা নেই। তবে গতকালই আমার দুই বন্ধু ছুটিতে এসেছে কলকাতা। সুতরাং সাথে সাথে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আজ একসাথে বিরিয়ানি খেতে যাব। প্রথমে তো আমরা INOX এ গিয়ে পাঠান সিনেমা দেখি, ওটা রিভিউ অন্য কোন একদিন দেব। তারপর আমরা বিরিয়ানির দোকানে উদ্দেশ্যে রওনা দেই। যেহেতু বিকেল চারটের মতো বেজে গেছিল তাই মোটামুটি বেশ ফাঁকাই ছিল রেস্টুরেন্ট।
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
বাইরের আম্বেন্সটা আমার কাছে খুব বেশি একটা ভালো লাগেনি। তবে বিরিয়ানির দোকানে ঢুকার পরেই বেশ একটু অবাক হয়েছিলাম। ভেতরের লাইটিং ব্যবস্থাটা খুবই লো। যদিও এর আগে যতগুলো রিভিউ দেখেছি সেখানেও তারা একই কথা বলেছিল। তবে নিজে সামনাসামনি গিয়ে যেটা বুঝতে পেরেছিলাম সেটা হল খুব কম আলোতে বসে খেতে হবে এখানে। যাইহোক সিনেমা দেখার পর আমাদের পকেটে খুব বেশি একটা টাকা ছিল না তাই দুটো চিকেন বিরিয়ানি অর্ডার করলাম। এখানকার চিকেন বিরিয়ানি ২১০ টাকা এবং মাটন বিরিয়ানি ২৭০ টাকা করে। বিরিয়ানি অর্ডার করার ১০ মিনিটের ভিতরে আমাদের সামনে এসে হাজির হলো। আসলে রেস্টুরেন্ট গুলোতে এসি না থাকলে ভেতরে বসে খেয়ে খুব একটা মজা পাওয়া যায় না। বেশ গরম লাগছিল ভেতরে ঢুকে এসি না থাকার কারণে। যাই হোক কি আর করা যাবে বিরিয়ানি আসার সাথে সাথে প্রথম যে ব্যাপারটা ভালো লাগলো সেটা হলো বিরিয়ানির গন্ধ এবং কোয়ালিটি আর কোয়ান্টিটি। এই বিরিয়ানির ভেতর চিকেনের সাইজ এত বড় ছিল যে বলে বোঝাতে পারবো না। আমি তো এর আগে দাদা বৌদিতে অনেকবার বিরিয়ানি খেয়েছি, তবে চিকেনের সাইজ সেখানে এত বড় দেয় না। যাইহোক বিরিয়ানি খাওয়ার সাথে সাথেই যে ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লেগেছিল সেটা হল টেস্ট। আমি বলতে পারি যারা দাদা বৌদির বিরিয়ানি খেয়েছে তারা এখানে এসে বিরিয়ানি খেলে দাদা বৌদির বিরিয়ানির টেস্ট ভুলে যাবে কিছু দিন এর জন্য।
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
যাইহোক আমি পুরো বিরিয়ানি শেষ করতে পারিনি এত পরিমাণে দিয়েছিল। বিরিয়ানি টা মুখে দেওয়ার সাথে সাথে মেল্ট হয়ে যাচ্ছিল। অতিরিক্ত কোন মসলা বা আতরের গন্ধ ছিল না। যেটা আমার কাছে বেশ পজিটিভ দিক মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে একটা কথাই বলতে চাই যারা দাদা বৌদির বিরিয়ানি নিয়মিত খান তারা এখানে এসে একবার বিরিয়ানি টেস্ট করতে পারেন আশা করছি আপনাদের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো হবে। আমার বাড়ির পাশে যে এত সুন্দর একটা বিরিয়ানির দোকান নতুন হল এটা আমার জন্যও বেশ পজিটিভ দিক। মাঝেমধ্যে গিয়েই খেয়ে আসা যাবে। টেস্টের দিক থেকে পয়েন্ট হিসেবে আমি ৮.৫ দেবো, কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি হিসেবে আমি ৮.৪ দেবো। এরপর যদি আপনারা কখনো এখান এসে বিরিয়ানি খান তাহলে আমার সাথে অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন।
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা, ডাকবাংলা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
আপনি মুভি ও দেখেন বাপরে এত সময় কই পান। যাই হোক একা একা খেলেন পেটে অসুখ হবে।ইশ কি লোভ লাগছে বিরিয়ানির ছবিগুলো দেখে। আসলে ডেকোরেশন যেমনই হোক খাবারের স্বাদ এবং ঘ্রান ভালো হলেই হলো।এত করে যেন বলছেন,তাহলে যাব আপনার ডাকবাংলো বিরিয়ানি খেতে😉😉,আপনি রেডি থাকিয়েন।ধন্যবাদ আপনাকে
বিগত তিন চার মাস ধরে সিনেমা দেখার সময় পাইনা। তবে অনেক চেষ্টার পর সময় বের করতে পেরেছিলাম। আর বিরিয়ানিতে সাধারণত ডেকোরেশন করে না। খাওয়া নিয়ে কথা, এত ডেকোরেশন দিয়ে কি হবে।
আপনার তো শুধু খেতে পারলেই হয়,আর কোন কিছুর দিকে তাকানো দরকার নেই 🤪😉
অন্য কিছু দেখলে কি পেট ভরবে, খেলেই না পেট ভরবে। আর আমি এমনিতেও খুব খাদ্য রসিক।
আপনি দেখছি তিন বন্ধু মিলে বেশ ভালো সিনেমা দেখেছেন তার রেস্টুরেন্টে বিরিয়ানি খেয়েছেন । আপনার যেহেতু বিকেলের দিকে গিয়েছিলেন তাই অর্ডার দেওয়ার দশ মিনিটের মধ্যে চলে এসেছে। তবে বিরিয়ানি অনেক মজা হয়েছে জেনে অনেক ভালো লাগল। তবে ডেকোরেশন যাইহোক বিরিয়ানি অনেক স্বাদ হয়েছে এটাই অনেক। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মূহর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বিরিয়ানির দোকানগুলোতে সাধারণত ডেকোরেশনে গুরুত্ব দেয় না, খাবারের স্বাদের দিকে বেশি কনসেন্ট্রেশন থাকে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে পোস্ট পড়ে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ডাকবাংলো বিরিয়ানির রিভিউ দেখেছেন দাদা ফেসবুক এ। তার পরে ডাকবাংলো বিরিয়ানি খেয়েছেন বাহ্ দারুন। ডাকবাংলো বিরিয়ানি দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজা। দাদা আপনি তো জমিয়ে খেয়েছেন। বিরিয়ানির চাল গুলো অনেক লম্বা লম্বা এগুলো কি বাসমতি চাল?
হ্যাঁ ভাই এগুলো হাই কোয়ালিটির বাসমতি চাল। এখানকার বিরিয়ানি সাধারণত এই চাল দিয়েই রান্না করে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আসলে ভাই সত্যি কথা বলতে বিরিয়ানি কথা শুনলে আমার খাওয়ার লোভ লেগে যায়। আপনি বিরিয়ানি খাওয়ার অনুভূতি খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন । আপনার পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। রেস্টুরেন্টের চারদিকের পরিবেশ খুবই সুন্দর। ফটোগ্রাফি গুলো খুবই চমৎকার হয়েছে। তিন বন্ধু মিলে সিনেমা দেখে বিরিয়ানি খাওয়ার আনন্দ খুব সুন্দর ভাবে উপভোগ করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনি অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই পোস্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
আমি তো রিভিউ দেখে কোথাও খেতে যেতেই ভয় পাই।আমিও একা খেতে যেতে পারি না। আমার মনে হয় এরা ইলেকট্রিক বিল বাচিয়ে সেটা কোয়ালিটি আর কোয়ান্টিটির দিকে ইনভেস্ট করছে।অতিরিক্ত আতর দিলে সেই বিরিয়ানী বিশ্রি লাগে একদম। অবশেষে সুস্বাদু বিরিয়ানী পেয়েছেন এটাই সার কথা। ধন্যবাদ সুন্দর রেস্টুরেন্ট রিভিউ দেওয়ার জন্য আর পাঠানের রিভিউ এর অপেক্ষায় রইলাম।
অনেকগুলো রিভিউ দেখে তারপরে খেতে গিয়েছিলাম আমি। আর আমিও কখনো বিরিয়ানি একা একা খেতে পারিনা।তবে সব থেকে যেটা খারাপ লেগেছিল সেটা হলো ওখানকার লাইটিং সিস্টেম, যেটা আমার কাছে একেবারে নিম্নমানের মনে হয়েছিল। কারণ এত কম লাইট এ বিরিয়ানি খেয়ে মজা লাগেনা।
ভাইয়া বিরিয়ানির কথা শুনলেই নাকে বিরিয়ানির সুঘ্রাণ চলে আসে। আপনি বিরিয়ানি খাওয়ার অনুভূতি খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। রেস্টুরেন্টের চারিদিক বেশ ভাল লাগলো। ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। মুভি দেখে বন্ধুরা মিলে খুব আনন্দ নিয়ে বিরিয়ানি খেয়েছেন,জেনে অনেক ভাল লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু, পোস্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
আপনার ডাকবাংলো বিরিয়ানি রিভিউটা খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে। ফেসবুকে ইউটিউবে ফুড ব্লগারদের বিভিন্ন বিরিয়ানির রিভিউ দেখলে তখন সাথে সাথে মুখে পানি চলে আসে। ডাকবাংলা বিরিয়ানির খেয়ে আপনি যে পয়েন্ট দিয়েছেন টেস্ট ও কোয়ালিটি দেখে বোঝাই যাচ্ছে বেশ ভালো খেতে। ধন্যবাদ বিরিয়ানি খাওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আর পাঠান মুভির রিভিউ জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আর পাঠান মুভির রিভিউ দিয়ে দিয়েছি চাইলে দেখতে পারেন।