ক্রিসমাসের দিন শপিংমলে।। ডিসেম্বর-২৬/১২/২০২২।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
শপিংমলে আমি নিয়মিত গেলেও ক্রিসমাসের দিনকে উপলক্ষ করে বিগত ২-৩ বছর ধরে বেরোনো হয় না। যদিও এর একটা বিশেষ কারণ ছিল করোনা। যেহেতু সেই পরিস্থিতি এখন আগের মত আর নেই এবং সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এই বছর, তাই সিদ্ধান্ত নিলাম যে এবার ক্রিসমাসে অবশ্যই ঘুরতে বেরোবো। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ইচ্ছা ছিল যে ক্রিসমাসের দিন পার্ক স্টিট ঘুরতে যাবে। পার্ক স্ট্রিট সম্পর্কে যাদের জানাশোনা আছে যে ক্রিসমাসের দিন কি হয় সেখানে শুধুমাত্র তারাই ব্যাপারটা বুঝতে পারবে। তবে পার্ক স্টিট যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও প্রচন্ড ভিড়ের কথা চিন্তা করে সেখানে আর গেলাম না। আর এমনিতেও লোকজনের ভিড় আমার খুব অপছন্দের। যাই হোক তাই সিদ্ধান্ত দিলাম যে আমাদের বারাসাতের ভিতরেই থাকবো এবং এখানকার চার্চে গিয়ে কিছুটা সময় সেখানে অতিবাহিত করব। তবে তার আগে একটা কাজ ছিল আমার, সেটা হল টুকটাক শপিং করা। কারণ হাতে কিছু টাকা আসলেই আমার শপিং করতে ইচ্ছে করে।
প্রথমে কিছু চকলেট এবং চিপস কেনার দরকার ছিল তাই আগে সেখানে গিয়ে আমার যাবতীয় কেনাকাটা শেষ করলাম। যদিও চকলেট আমি প্রচন্ড রকম পছন্দ করি তবে এগুলো কিনেছিলাম শুধুমাত্র আমার বোনের জন্য। কিন্তু সবকিছু কেনাকাটা করেও কাউন্টারে সেই ঝামেলা হলো। এত লোকের ভিড় যে আমাদের বিল করতে করতে মোটামুটি আধা ঘন্টার মত সময় লেগে গেল।যেহেতু ক্রিসমাসের দিন ছিল তাই শপিং মলে ছিল উপচে পড়া ভিড়। যাইহোক সেখান থেকে বিল মিটিয়ে আমি বাইরে এসে কিছু সময় হাটাহাটি করতে লাগলাম। যেহেতু চার্চে যাওয়ার জন্য আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছিল তাই আমার বন্ধু বলল যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে যাবতীয় ঝামেলা মিটিয়ে আমাদের দ্রুত সেখানে যেতে হবে। তাই আবার কোনো রকম চিন্তা ভাবনা ছাড়াই শপিংমলে চলে গেলাম ড্রেস কর্ণারে।
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
শপিং মলের ড্রেস কর্নারে খুব বেশি একটা ভিড় ছিল না। তবে নতুন যে কালেকশন গুলো এসেছে সেগুলো ছিল আকাশ ছোয়া দাম। মোটামুটি তিন চার হাজার টাকার নিচে কোন জিনিস নেই।আর যেগুলো এর কম দামে রয়েছে সেগুলো আবার আমার পছন্দ হয় না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমার কাছে যথেষ্ট পরিমাণ টাকা না থাকার কারণে কোন কেনাকাটা করাই সম্ভব হলো না। তবে ড্রেস কর্নারের পুরো সেকশনটাই একবার ভালো করে ঘুরে দেখলাম। কারণ এমন এমন ড্রেস মাঝেমধ্যে পাওয়া যায় যেটা খুবই কম দাম এবং দেখতেও বেশ ভালো। তবে সত্যি কথা বলতে এবার শীতকালে গিয়ে এখানে আমি কোন বিশেষ উইন্টার কালেকশন পেলাম না। যেগুলো ছিল সেগুলো হয় আকাশছোয়া দাম, না হয় পছন্দ হয় না। তাই কোন রকম কেনাকাটা না করেই বাধ্য হয়ে ফিরতে হলো।
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: স্টার মল, মধ্যমগ্রাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
আসলে আজকে কি যে লিখব পোস্টের ভিতর সেটাই বুঝতে পারছি না। কারণ এমন কোন ঘটনা ঘটেনি শপিংমলে গিয়ে যেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করা যায় আবার এমন কোন কেনাকাটাও করিনি যেটা আপনাদের খুলে বলবো। যাইহোক তারপরও দুই একটা কথা বলি। মোটামুটি জামা কাপড়ের কর্নার থেকে এরপর গেলাম একটা পারফিউম এবং ফেসিয়াল করার জন্য একটা ক্রিম কিনতে । তবে সেটা সাকসেসফুলি কিনতে পেরেছিলাম। তারপর সেখানে বেশি সময় দাঁড়ায়নি। আমার ছোট ভাইয়ের কাছে যাবতীয় শপিং করা জিনিসগুলো দিয়ে আমি আর আমার বন্ধু বেরিয়ে গেছিলাম চার্চের উদ্দেশ্যে এবং সেখানে গিয়ে কিছু কোয়ালিটি সময় কাটাই। সেটা অন্য কোন এক পর্বে আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
শপিংমলে নিয়মিত গেলেও গত তিন বছর ধরে বড়দিনকে কেন্দ্র করে কোন কেনাকাটা করেননি। কারন করোনা।এটা আমিও করিনি ভাইয়া অনলাইন থেকেই এনেছি। যাই হোক আজ গেলেন শপিং মলে কিন্ত ভিড় পছন্দ করেন না।তাই পার্ক স্ট্রিট না গিয়ে বারাসাতেই গেলেন।কারন সেখানে এক চার্চে কিছু সময় অতিবাহিত করবেন।আগেই আকলেট,চিপস কিনলেন,আপনি চকলেট পছন্দ করলেও বোনের জন্য নিলেন।টুকটাক কেনাকাটা করে বিল দিতে গিয়েও আধা ঘন্টা লেগে গেল।শপিং এর জিনিস গুলো ছোট এক ভাইয়ের কাছে দিয়ে আপনি আপনার বন্ধু কে নিয়ে চার্চে চলে গেলেন।সেখানে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন। তা হয়ত অন্য কোন পোস্টে জানাবেন।অনেক ভাল লাগলো ভাইয়া আপনার অনুভুতিগুলো জেনে।আর সেই সাথে শপিং মলের বেশ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ভাল লাগলো। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে। অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
পুরো পোস্টটাই ভালো করে পড়ে, এত সুন্দর একটা গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।