কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে গিয়ে তোলা কিছু ফটোগ্রাফি।। ফেব্রুয়ারি-০৯/০২/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করার পর আমাদের বেশ কয়েকটা এক্সকারশন এবং কিছু ভিজিটিং ছিল। বেশ কয়েকটা সরকারি এবং বেসরকারি সেক্টরে ট্রেনিংও করা হয়েছে। তবে এই জায়গাটা আমার কাছে অনেক বেশি কমফোর্টেবল এবং সুন্দর মনে হয়েছিল। কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের এই সরকারি প্রতিষ্ঠানটি সোনারপুরে অবস্থিত। এর আগের একটা পর্বে আপনাদের বলছি যে আমাকে নিয়মিত সেখানে ট্রেনে করে যাতায়াত করতে হতো। এভাবে সর্বমোট সাত দিনের ট্রেনিং ছিল আমাদের এবং সব বিষয়ে মোটামুটি একটা জ্ঞান অর্জন হয়। সবশেষে একটা পরীক্ষা হয় এবং পরীক্ষায় পাশ করা সকল ছাত্র-ছাত্রীদের একটা সার্টিফিকেট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। আমার কাটানো এখানে প্রত্যেকটা দিন খুবই মূল্যবান এবং মজার ছিল। যাইহোক আর তেমন বিশেষ কিছু বলতে চাই না চলুন ফটোগুলো এক এক করে দেখে নেওয়া যাক এবং সেই সম্পর্কে টুকটাক আলোচনা করা যাক।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে অবস্থিত এটি একটা আতুর পুকুর। ডিম ফোটানোর কিছুদিন পরেই ছোট মাছগুলোকে এই পুকুরে স্থানান্তরিত করা হতো। পুকুরটা বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সুন্দর ছিল দেখতে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এই ফটোটা মনে হয় শেষের আগের দিন তোলা হয়েছিল। আমি তখন মাছের ডিমের ভিতরের বাচ্চা দেখছিলাম অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
পুকুর পাড়ে অবস্থিত একটা হাঁসের খাঁচা। বেশ মজবুত এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ছিল।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
আমাদের অনেকেরই ধারণা আছে যে পুকুরের ভিতরে হাঁসের খাঁচা করলে তার থেকে যে অবশিষ্ট পুকুরের ভিতর পড়ে সেগুলো মনে হয় মাছ খায় কিন্তু আসলে এই পায়খানা গুলো বা নোংরা গুলো ফাইটোপ্লাংটন উৎপাদনের সহায়তা করে সেগুলো মাছে খায়।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এটা তেলাপিয়া মাছের কোন একটা জাত তবে সঠিক আইডেন্টিফাই করা যায়নি।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এটা তো দেশি টেংরা সেটা আপনারা সকলেই জানেন। আকারে ছোট হলেও দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর হয়।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এগুলো হলো বৌ মাছ। এর একটা সুন্দর সাইন্টিফিক নাম আছে, তবে আপাতত মনে করতে পারছি না। এই মাছগুলো খেতে খুব বেশি একটা সুন্দর হয় না শুধু দেখতেই ভালো লাগে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এটা হল জাপানি পুটি। আপনারা তো সকলেই চেনেন এই মাছটা। খেতে সরপুটির মতো টেস্ট না হলেও মোটামুটি ভালোই খেতে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
একদম শেষের দিন তোলা এই ফটোটা স্যারের হাত থেকে সার্টিফিকেট নিচ্ছিলাম পরীক্ষার পাস করার পরে।
দাদা কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে সাত দিন ছিলেন সেই সাথে নানা বিষয়ে ট্রেনিং নিশ্চয়ই অনেক কিছু শিখতে পেরেছেন কৃষি সম্পর্কে ৷ আসলে কৃষি আমাদের জীবনে একটা অংশ জুড়ে ৷ খাদ্য থেকে শুরু করে যাবতীয় ৷ যা হোক ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো ৷
কৃষি এবং কৃষক সত্যিই আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে বেশ কয়েকটা দিন ট্রেনিং এ ছিলেন। আবার এক্সামের পর সার্টিফিকেটও পেলেন,দেখে ভাল লাগলো। সবকিছু জেনে রাখাই ভাল। কোন কিছু ফেলনা নয়। আর কৃষি আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারন আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর দেশ। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো খুব ভাল লাগলো। শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দিলেন, ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু, পোস্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে গিয়ে বেশ ভালোই কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন, তবে ফটোগ্রাফির পাশাপাশি অনেক সুন্দর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন জেনে অনেক ভালো লাগল। কতো সুন্দর পুকুর তারপর হাঁসের খাঁচা দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। আপনি কয়েক দিন ট্রেনিং করে তারপর পরিক্ষা দিয়ে সার্টিফিকেট পেয়েছেন জেনে ও ছবি দেখে অনেক ভালো লাগল। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলে হাতে কলমে যতটা শেখা যায়, বই পড়ে ততটা শেখা যায় না। সেটা আমি নিজে উপলব্ধি করেছি। ধন্যবাদ আপু আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপনি কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে কয়েকটা দিন ট্রেনিং এ ছিলেন বেশ ভালো হলো। ট্রেনিং থাক অবস্থায় অনেক বিষয়ের উপর জ্ঞান আহরণ করেছেন। আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে খুব ভালো লাগলো। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ চমৎকার হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মাছের ফটোগ্রাফি দেখে খুশি হলাম। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনি সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন। এইজন্য আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই, আপনার এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য।