কলকাতা বইমেলায় (বাংলাদেশী বুক স্টল)।। ফেব্রুয়ারি-১৯/০২/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
কলকাতা বইমেলা মানেই অন্যরকম আবেগ। সেই আবেগে গা ভাসাতে চান সকলেই। দেশ বিদেশ থেকেও আসেন বইপ্রেমীরা। একদিকে বইপ্রেমীরা, অপরদিকে বই প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত অনেকেই তাকিয়ে থাকেন কলকাতা বইমেলার দিকে। শুধু বইয়ের বিকিকিনিই নয়, বইমেলাকে কেন্দ্র করে যেন মিলনক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। আগের বছর তো ৫৭০ টা বইয়ের স্টল বসেছিল, এইবার তার থেকে অনেক বেশি দেখলাম। আজ আপনাদের সামনে বাংলাদেশি বুক স্টলের কিছু ছবি তুলে ধরব এবং সেখানে গিয়ে আমার অভিজ্ঞতা টুকটাক যা হয়েছিল তা বলার চেষ্টা করব। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
আমি ঠিক বলতে পারব না কেন এরকম হয়, আগের বছরও দেখেছিলাম যে বাংলাদেশের বুক স্টলে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে তাদের ভেতর বেশিরভাগ মানুষই কলকাতার এবং কিছু কিছু ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে যারা বাংলাদেশ থেকে এখানে পড়তে আসে তাদেরও দেখতে পেয়েছিলাম। এ বছরেও তার ব্যতিক্রম হয়নি অন্যান্য বুক স্টলের তুলনায় বাংলাদেশের বুক স্টলে মানুষের ভিড় সব থেকে বেশি। কলকাতা বইমেলায় প্রতি বছরই দেশ-বিদেশি অনেক স্টল বসে তবে সেখানে আমি এতো ভিড় দেখতে পাই না। সেখান থেকে মানুষ বইখাতাও কম কেনে যতটা না এই জায়গা থেকে কেনে। আমি প্রতিবছরই বইমেলায় গেলে বাংলাদেশী স্টলে না ঘুরে বাড়ি আসি না। এবারও ঘুরেছিলাম তবে একেবারে শেষের দিকে। প্রথমদিকে এখানে এত ভিড় ছিল যে ঢোকার জায়গা পর্যন্ত ছিল না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে একেবারে শেষের দিকটাতে ঢুকবো যখন ভিড় একটু কম থাকে।
বাংলা এবং ইংলিশ প্রচুর বইয়ের কালেকশন ছিল এখানে। বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে লেখা প্রচুর বই। আগের বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে লেখা একটা বই আমি কিনেছিলাম তাছাড়াও হুমায়ূন আহমেদ স্যারের লেখা বেশ কয়েকটি উপন্যাসের বই এর কথা শুনে সেগুলোও কিনেছিলাম। তাই এবার শুধু ঘুরে দেখাটাই হয়েছিল। আর একটা বিষয় বেশ ভালো লাগলো সেটা হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা বেশ কয়েকটা বই। স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান এবং তিনি জেলে থাকা অবস্থায় একটা বই লিখেছিলেন সেটাও দেখলাম পাবলিশ করা হয়েছে।
তাছাড়াও ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বেশ কিছু ছোট গল্পের বই এবং উপন্যাস। আপনার ছবিগুলো দেখলেই হয়তো বুঝতে পারছেন ভেতরে কতটা ভিড় ছিল। এরপর পুরো স্টল ঘুরে একদম শেষের দিকটাতে দেখতে পেলাম একটা ধর্মীয় কিতাবের স্টল। সেখানে কিছু সময় দাঁড়িয়ে কয়েকটা বই একটু উল্টাপাল্টা দেখলাম, সত্যি কথা বলতে বেশ ভালো লাগছিল। আসলে অন্যান্য স্টল গুলো তুলনায় বাংলাদেশি স্টল অনেক বড় এবং সুন্দর করে সাজায়। এজন্য হয়তো লোকের ভিড় এত পরিমাণে থাকে এখানে।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @rupaie22 |
| লোকেশন | বারাসাত, কলকাতা। |
ধন্যবাদ।🤭
অবাক হয়ে গেলাম বইমেলায় বাংলাদেশের স্টল গুলোতে মানুষের ভিড় দেখে। আর যতগুলো ছবি দেখলাম সবগুলোতেই দেখা যাচ্ছে কত বেশি মানুষ এখানে রয়েছে। তাছাড়া হুমায়ূন আহমেদ স্যারের লেখা বই পড়তে আমারও বেশ ভালো লাগে। আপনার মাধ্যমেই আজকে জানতে পারলাম যে সেখানে বাংলাদেশের স্টল গুলোতেই ভারত বাংলাদেশি সকল মানুষের উপচে পড়া ভিড় হয়ে থাকে। খুব ভালো লাগলো এটা জেনে।
প্রতিবছরই বাংলাদেশের বুক স্টলে প্রচুর পরিমাণে ভিড় থাকে। ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য।
ভাইয়া আপনার পোস্টে কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশী বুক স্টলের অবস্থা জানতে পেরে অনেক ভাল লাগলো। অন্যান্য বুস স্টল থেকে বাংলাদেশি বুক স্টলে লোকের সমাগম বেশি,সেল হয় বেশি। এই নিউজটা যে কোন বাংলাদেশিদের জন্য আনন্দের,গর্বের। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আসলে বাংলাদেশের বুক স্টলটাতে অন্যান্য দেশের স্টল এর তুলনায় সুন্দর এবং অনেক জায়গা নিয়ে ডেকোরেশন করে বানানো হয়। এইজন্য মানুষের মনে একটা আলাদা কৌতূহল কাজ করে।
ভাইয়া আপনার পোস্টে কলকাতায় বই মেলায় বাংলাদেশের স্টল সম্পর্কে জানতে পেরে অনেক ভালো লাগল। মেলায় যদিও অনেক দেশের স্টল বসে, তার মধ্যে বাংলাদেশের বই স্টলে অনেক ভীর দেখে অনেক ভালো লাগল। যাইহোক ভাইয়া আপনি বই মেলায় ভালো একটা সময় অতিবাহিত করেছেন জেনে অনেক ভালো লাগল। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মূহুর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বাংলাদেশী বুক স্টল দেখতে আমারও খুব ভালো লাগে, একটা আলাদা রকম টান কাজ করে। ধন্যবাদ আপু পোস্টটি পড়ার জন্য।
সত্যি বলতে অসম্ভব ভালো লাগলো যে বাংলাদেশের. স্টল গুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখে ৷ আসলেই তো প্রচুর মানুষের ভিড় ৷ বইমেলা মানে হাজারো বই যা দেখে অনেক ভালো লাগে ৷ আপনি ও নিশ্চয়ই বই কিনেছেন ৷ যা হোক দাদা খুব সুন্দর একটি সময় অতিবাহিত করেছেন ৷
অসংখ্য ধন্যবাদ
না এই বছর আমি কোন বই কিনিনি। আগের বছর যেগুলো কিনেছিলাম ওগুলো পড়ে এখনো শেষ করতে পারিনি। এই বছর শুধু ঘুরতেই গিয়েছিলাম।