ময়দান থেকে তোলা কিছু ফটোগ্রাফি।। ডিসেম্বর-৩০/১২/২০২২।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
|---|
ডিসেম্বর মাস আসলেই কলকাতা শহরের চেহারা অন্যরকম সুন্দর হয়ে যায়। আর এজন্যই ঘোরাঘুরি করার জন্য কলকাতা শহর ডিসেম্বর মাসে পারফেক্ট আম্বিয়েন্স তৈরি করে। আমার তো সারা বছরই কলকাতা ঘুরতে ভালো লাগে, তবে ডিসেম্বর মাস আসলেই কেন জানিনা একটা অন্যরকম টান কাজ করে। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা গত পরশুদিন বেরিয়েছিলাম কলকাতা ঘোরার জন্য। প্রথমে আমরা কলকাতা মিউজিয়াম ঘুরি এবং তারপর পার্ক স্ট্রিট ঘুরে সেখান থেকে চলে যাই ময়দানের মাঠে। সেখানে কিছু সুন্দর সময় অতিবাহিত করার পাশাপাশি কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি ও করার চেষ্টা করেছিলাম। সেগুলো এখন আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এই ফটোটা আমার সবথেকে পছন্দের ছিল। একজন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা তার মাথায় করে ঝাল মুড়ি এবং হাতে টুল নিয়ে মাঠের এই প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত হাক ছেড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। আমার চোখে দু একবার পড়াতেই ফটো তুলে নিয়েছিলাম।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এই ফটো দুটোর পেছনে একটা গল্প ছিল। আমরা মাঠের মাঝখানে শুয়েছিলাম হঠাৎ করেই তুমুল বেগে দুটো ঘোড়া দু দিক থেকে ছুটে যাচ্ছিল আমরা তো রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। অনেকটাই আমাদের কাছ ঘেঁষে বেরিয়ে গেছিল ঘোড়া দুটো। এই মাঠে ঘোড়ায় করে ঘোরাঘুরি করতে ১০০ টাকার মত নেয়। তবে আমি ঘোড়ায় না উঠলেও সুযোগ বুঝে দুটো ফটো ঠিকই তুলে নিয়েছিলাম।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এটা হল কলকাতার সব থেকে উচু বিল্ডিং এবং এই বিল্ডিংটাকে মাঠের ভিতর থেকে দেখতেই অনেক সুন্দর লাগে। বিশেষ করে রাতের বেলায় এই বিল্ডিং এর সৌন্দর্য আরো অনেক গুনে বেড়ে যায়।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
এই মাঠের সব থেকে যে ব্যাপারটা স্পেশাল সেটা হল, মাঠের মাঝখানে বসে লেবু চা খাওয়া। আমাদের কাছে লেবু চা টা অনেক বেশি ভালো লেগেছিল এবং যে কাকুটা আমাদের লেবু চা বানিয়ে দিয়েছিলেন তিনিও খুব ভালো মনের একজন মানুষ ছিলেন। আমরা তো চা খাওয়ার পাশাপাশি কাকুটার সাথে রীতিমতো গল্প জুড়ে দিয়েছিলাম।
স্থান: কলকাতা , ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
ময়দানের সব থেকে পুরাতন গাছ এটা। মোটামুটি ময়দানে যারা ঘুরতে আসে তারা এই গাছের সাথে একটা ফটো অবশ্যই তোলে। তবে আমি ভালো করে ফটো তুলতে পারিনি, মোটামুটি একটু চেষ্টা করেছিলাম আর কি।
প্রথম ছবিটা কি ঝালমুড়ির ছবি তোলেছেন নাকি মানুষের ব্যাকসাইডের ছবি তোলেছেন সেটা আগে জাতি জানতে চায়🤣🤣।তা কাকুর সাথে গল্প করে চায়ের বিল দিয়েছেন নাকি কাকু ডেকে বিল না দিয়ে লেবু চা খেয়েছেন।ঘোড়ার ছবি যে তোলেছেন, ঘোড়ার মালিক তা জানে😉😉।না পারলাম না আপনাকে নিয়ে।
হা হা হা...🤣আপনি দেখি ধরে ফেলে দিলেন ব্যাপারটা।
আর কাকুর চায়ের বিল দেই নি, তার পরিবর্তে আমি নিজে কাকুর চা বিক্রি করতে বেরিয়েছিলাম মাঠের মধ্যে।
তা কয় কাপ বিক্রি করেছিলেন শুনি।
সবমিলিয়ে তিন কাপের মতো বিক্রি করেছিলাম এবং সেটাও আমার নিজের কাছে। নিজের থেকে নিজেই কিনে খেয়েছিলাম। কারণ অন্য কেউ পাত্তাই দেয়নি আমাকে। 😭
দেখলেন ,আপনাকে চা ওয়ালা হিসাবেও কেউ পছন্দ করে না। 🤣🤣
খুব কষ্টে আছি এই চেহারা নিয়ে। 😭
ঘোড়াকে তো টাকা দিলেন না অথচ ওর থেকেই টাকা তোলার ব্যবস্থা করলেন😁,নাইস বুদ্ধি।
বিল্ডিংটা মনে হয় ২০/২২ তালা হবে তাইনা?সুন্দর লাগছে দেখতে।
সবগুলো ছবিই ভাল ছিল, শুভ কামনা রইলো।
বিল্ডিং টা কত তলা এ সম্পর্কে আমার সঠিক তথ্য জানা নেই। তবে আপনি যা বলেছেন তার থেকে বেশি, এটুকু বলতে পারি। যাইহোক আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো।
আসলে ডিসেম্বর মাসটাই যেনো একটা ভালো লাগার মাস ৷ যদিও শীতটা একটু বেশিই করে ৷ যাই হোক গত পরশু দিন আপনি ভালো ঘুরেছেন কলকাতা শহর ৷আপনার তোলা ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই এর সৌন্দর্য উপভোগ করা যাচ্ছে ৷ চমৎকার ফটোগ্রাফি করেছেন ৷ ভলো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য ৷
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটা মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য। আর শুধু ডিসেম্বর মাস না, কলকাতা শহর আমার সারা বছরই ভালো লাগে।
শীতের সময় হচ্ছে ঘোরাফেরা করার পারফেক্ট সময় আপনি ঠিক বলছেন।শীতকালে প্রকৃতির সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বেড়ে যায়।আপনি তো শীতকালে বেশ ঘোরাফেরা করতেছেন।তবে বড়োসড়ো মাঠ দেখে আমার বেশ ভাল লেগেছে।এই ধরনের বড় ময়দান ইদানিং তেমন একটা খুঁজে পাওয়া যায় না।তবে আপনারা ভাগ্যবান লোক যে কলকাতায় এমন সুন্দর একটি ময়দান আছে এখনো।যেখানে সবাই বিকাল বেলায় বেশ মজার সময় কাটাতে পারেন।আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছে যেটা ময়দানে লেবু চা পাওয়া যায়।
এই জায়গাটাতে সকাল বেলায় টলিউডের সব বড় বড় সেলিব্রেটিরা হাঁটতে আসে। তবে মাঠটা অনেক বড় এবং দেখতেও বেশ সুন্দর। আর বিকেলবেলা তো এই জায়গাটাতে প্রেমের মেলা বসে।
দাদা নমস্কার,
আপনি তো দেখছি কলকাতায় দারুন সময় অতিবাহিত করেছেন ৷ আর তার সাথে প্রতিটি ফটোগ্রাফি দূদান্ত ক্যাপচার করেছেন ৷ আসলে এই শীতের সময় টাতে পরিবেশ টা পুরো অন্যরকম ৷
যা হোক মাঠে ঝাল মুড়িওয়ালা ও কাকুর লেবু দিয়ে লাল চা দুটি ফটো আমার কাছে বেস্ট ৷ সত্যি বলতে এই শীতের দিনে লাল চা দারুন লাগে ৷
আমার কাছেও ওই দুটো ফটো ভালো লেগেছিল। যাইহোক ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পেয়ে। আর চা সাধারণত আমি খাই না। তবে লেবু চা হলে অবশ্যই দুই এক কাপ খাই।
আমাদের এদিকে বিশেষ করে কলেজ ক্যাম্পিনে এরকম সুন্দর দৃশ্যগুলো দেখা যায়। আপনি তো তাই খুব সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করলেন। এরকম সুন্দর একটি জায়গায় বসে সময় কাটালেও অনেক ভালো লাগে। বিশেষ করে তার পাশাপাশি যদি এক কাপ লেবু চা পাওয়া যায় তাহলে তার কোন কথাই নেই। শীতের সময় এরকম ভাবে ঘুরাঘুরি করলে অনেক আনন্দিত লাগে। সময়টাও খুব তাড়াতাড়ি কেটে যায়। আমাদের এই দিকেও ময়দানে বসে থাকলে একটি কাকু চা এনে বিক্রি করে। আমরাও সকলে চা নিয়ে খেতাম তখন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অনেক অসাধারণ ছিল। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য। আসলে এই জায়গাটা আমার খুব পছন্দের।
এইভাবে খোলা ময়দানে সময় কাটাতে আমার খুব ভালো লাগে।ঘোড়া উঠেননি কেন!!আমি হলে উঠতাম।যাইহোক ভাইয়া লেবু চা কেন জানি আমি খেতেই পারিনা।কাকুটাকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে বেশ ভালো মনের মানুষ।আপনার সুন্দর মুহূর্ত টুকু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ঘোড়ায় উঠিনি, কারণ ঘোড়ার পিঠে উঠতে আমার ভয় করে, যদি পড়ে যাই।🤣 আর লেবু চা আমার কিন্তু খুব পছন্দের।
শীতকাল হলো ঘোরাফেরার জন্য উপযুক্ত সময়। আপনি ময়দান মাঠে গেলেন, আসলে এমন বড় ময়দান আজকাল আর চোখে পরেনা। ঘোড়ায় চরে ময়দানের এ মাথা থেকে অন্য মাথায় গেলে ১০০০ টাকা দিতে হয়।কিন্তু আপনি না চড়েই ছবি তুলে ফেললেন,বেশ ভাল লাগলো। কলকাতা শহরের সবচেয়ে উঁচু ব্লিডিং এর দৃশ্য এ ময়দানে বসে দেখা যায়।এই শীতে মাঠে বসে লেবু চা খাওয়ার মজাই অন্য রকম। আর আপনি এটা খেয়েছেন ও।ময়দানের সবচেয়ে পুরোনো গাছটির ছবি সবাই তোলে এখানে যারাই আসে। আপ্নিও তুলে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ভাল লাগলো ভাইয়া। আপনি খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন জেনে ভাল লাগলো অনেক অভিনন্দন আপনাকে ভাইয়া।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু, এত সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে এবং আমার পোষ্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।